বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১ জানুয়ারী ১৯৮০
গল্প/কবিতা: ৯টি

সায়ানাইড ঘৃনা

ঘৃনা আগস্ট ২০১৫

তোমার জন্য কোমলতা

কোমলতা জুলাই ২০১৫

রক্তাক্ত দিগন্ত

দিগন্ত মার্চ ২০১৫

বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী (নভেম্বর ২০১২)

লাজওয়াব

md.mainuddin
comment ২৪  favorite ০  import_contacts ৬৩৩
যার জন্মই হবে দুঃখে-শোকে, রোগে ভূগে, অভাবে-অনটনে, ধুঁকতে-ধুঁকতে চলার জন্য।তাকে পৃথিবীতে পাঠানো আল্লহর লীলা বইকি; কিন্তু, তাতে আমার লাভ কী?

বিধানে এমনই থাকতে হবে যে,
যত যাই করিনা কেনো,
কোন সুফল পাবোনা।
যেদিকেই তাকাবো- ধুধু-মরূভূমি
কোন মরুদ্যানের দেখা পাবোনা।
ক্ষুৎ-পিপাসায় কাতর হয়ে-শেষ হয়ে যাবো,
কোন জল খাবার পাবোনা।
ঋণ, ঋণ আর ঋণের বোঝা ভারি হবে,
কোন সুষ্ঠু আয়ের পথ টুকুও পাবোনা।
কারও আস্থা ভাজন ও হবোনা;
অর্থাভাব ও যাবেনা।।
বিপদে পড়ে বন্ধুদের কাছে গেলে
লেজ তূলে পালাবে,
তাদের টিকিটির নাগাল ও পাবোনা।।
সর্ব সময়ে একটাই শুধু ভাবনা,
এ জনমে কী ঋণের অভশাপ থেকে
মূক্ত হতে পারবোনা?
ভালো বুদ্ধি দাতাও মিলেনা,
সমালোচনার তীব্র খোঁচায় জর্জরিত আমি,
জীবন যে আর চলেনা।
কেহ শান্তনা দিতেও আসেনা।
যারাও বা আসে, খুঁচিয়ে রক্তাক্ত করতে ও ছাড়েনা।
কেননা, এরা আরতো কিছু পাড়েনা।
আমি না হয় পাপি আছি,
এ জ্বালা নাহয় যাবেনা।
আমার নিরপরাধ পরিবার বর্গ-
এ বহ্নি শিখায় জ্বলবে কেনো,
এ জবাব তো জানিনা।
খোদা, তুমি কী চাও, জানিনা।
তোমার রহমতের ছায়া দাওনা কেনো,
আমি যে আর পারিনা।।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন