বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১ জুন ১৯৯১
গল্প/কবিতা: ৭টি

প্রাপ্ত পয়েন্ট

৪১

বসন্তে................

মুক্তিযোদ্ধা ডিসেম্বর ২০১২

ক্ষনিকের সিক্তজল

সরলতা অক্টোবর ২০১২

পেয়েছি

শাড়ী সেপ্টেম্বর ২০১২

বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী (নভেম্বর ২০১২)

মোট ভোট ৪১ শিরনামহীন

সালেকুজ্জামান শিবলু
comment ২৩  favorite ২  import_contacts ৪৭১
ইছামতির শিতল জলের বুকে ঘুরপাক খায় উষ্ণ বাষ্প
রিক্ততার বাণী লেগে থাকে কুয়াশার মুখে
রজনীর শিশিরে স্নান করে হলদে পুষ্প ;
শীতে বিরহের যন্ত্রনা বাড়ে বৃক্ষের বুকে
কাকেরা ফিরে পায় যৌবন
কালের তরীতে আসবে বসনত্দের আগমন।
হঠাৎ শীতল বায়ু বয়ে নিয়ে আসে বসনত্দের আসনী সংকেত
তখন মাটিতে আছড়ে পড়ে লালচে মড়া পাতার দল
হিমের বিদায়ে কৃষাণী বোনে লঙ্কা ক্ষেত;
শরিষা ক্ষেতে শিশির করে টলমল
সুমধুর সুর উঠে কোকিলের নব আনন্দের গানে
ঠিক তখন_ মৌ মৌ সুভাসিত ফাগুনের দিনে...।
দু'জোড়া স্বপ্নময়ী আঁখি করে আলিঙ্গন
পৃথিবীর সমসত্দ রং তখন হুটোপুটি খায়
আর্কষণ করে ঠিক চম্বুকের মতন;
সমসত্দ ব্যসত্দতা লেগে থাকে প্রজাপতির ডানায়
অঙ্গরিত হয় শিরনামহীন কবিতার প্রথম শব্দ
পৃথিবীর সমসত্দ অন্ধকারের পথ হয় রুদ্ধ।
মাত্র একবার দৃষ্টি বিনিময়ে বলা হয় দু'যুগের কথা
এভাবেই কেটে যায় চৈত্রের তারা ভরা রাত
হঠাৎ আড়াল হলে বাড়ে পর্বতের মত ব্যকুলতা
জীবনের যোগ বিয়োগ অংক মিলাই হাতে রেখে হাত
দু'জোড়া চোখের কাছে হাড়মানে ঘুমের রাজকুমার
মনের জানালায় হামাগুড়ি দেয় রঙিন স্বপ্নের জাল বোনার।
যদি না হয় কোন প্রহরে কবির সাথে দেখা
মনে হয় মরে গেছে পৃথিবীর সমসত্দ নক্ষত্র
এই বুঝি থেমে গেল শিরনামহীন কবিতা;
একে একে চলে গেল বসনত্দ,গ্রীষ্ম,বর্ষা,শরৎ,হেমনত্দ
মাধবী লতায় জড়িয়ে যায় কবিতার ছন্দ
ক্ষনিকের মহে ডুবে তাও হল অন্ধ।
হঠাৎ জোয়ার পৃথিবীতে ডেকে উঠে মেঘ
বুকের মৃধু ভূমিকম্পনে থমকে যায় সমসত্দ স্বাধ
বেড়ে যায় হৃৎপিন্ডের কম্পন,দীর্ঘ শ্বাসের বেগ;
থমকে যায় নক্ষত্র,ভেঙে যায় নদীর বাঁধ
কালের বিবর্তনের নব কবিতার সন্ধানে চলে যায় কবি
রয়ে যায় স্মৃতি,ভেঙে যায় স্বপ্ন,হাড়িয়ে যায় সবই।
রয়ে গেল মুঠোফোনের স্পিগারে তার সুর
সেদিন দৃষ্টি কোনে জন্মিত স্বপ্নের বয়স হল দশ মাস
থেকে গেল কবিতা,ছন্দ অলংকার কবি থেকে দূর;
শেষে করি প্রার্থনা হে প্রভু কবির হোক যশ
প্রশতি দৃষ্টি বুঝি পেল আজ ফল
আঁখি থেকে বেড়িয়ে এল দু'ফোটা বেওয়ারিশ জল।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন