বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১৮ অক্টোবর ১৯৭২
গল্প/কবিতা: ৩৫টি

সমন্বিত স্কোর

৫.৫৪

বিচারক স্কোরঃ ৩.১ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ২.৪৪ / ৩.০

দিনপঞ্জি

ব্যথা জানুয়ারী ২০১৫

স্বপ্নভাঙ্গার গান

উচ্ছ্বাস জুন ২০১৪

তুমি কখনো জানবে না...

ভালবাসি তোমায় ফেব্রুয়ারী ২০১৪

অন্ধকার (জুন ২০১৩)

মোট ভোট ৫৭ প্রাপ্ত পয়েন্ট ৫.৫৪ যে জীবন আধারের

সূর্য
comment ৫৮  favorite ৪  import_contacts ১,১৫০
লাভের ঝাঁপি মেলে হয় তোমাদের বেচাকেনা
মুফতে বেচা শ্রমটুকু আমাদের একান্ত দায়
লাভের ফাঁদে পড়ে চুকাই জীবনের লেনাদেনা
ছোট্ট স্বপ্নটুকু হেটে হেটে শুধু হোঁচট খায়
নিজ হাতে সেলাই করে যাই, শত সহস্রের সম্মান, কবেলা আহার যদিও জোটে, তবু থামেনা অভাবের গান।

ভুলে রাত এসে থমকে গেছে, নীল জোছনায়
সেদিনও কাশফুলের আঁচল জুড়ে দুষ্ট বাতাস
একাকীত্বের খড়খড়ি নাড়িয়ে অবুঝ চেতনায়
ঢেলে দিয়ে ছিল অজস্র বেদনা, হা-হুতাশ
একটা ঘাস ফড়িং জীবন ছিল, ঠিক মেঘদের মতো, শূন্য আরণ্যকে হিরণ্ময় মরীচিকা, বুকের গভীরে ক্ষত।

একঘেয়ে স্বপ্নের বুকে উচ্ছল জোয়ারি ঢেউ
অহংকারী নকশি কাঁথায় নগ্ন পায়ের চলাচল
আধারের বুকে খুনসুটি, জানেনি তো কেউ
আমার অধর রাঙিয়েছিল বাঁকা চোখের কাজল
শিহরিত স্বপ্নের গহীন ভিতর, প্রজাপতিদের সংসার, রঙগুলো বিচূর্ণ ধুলো হয়ে, ধেয়ে আসে আধার।

বাষ্প মেঘদের প্রসারিত বুকে যত জল ধরে
তারও বেশি আভরণে যাপিত ভালবাসা
ভেঙ্গে পড়া আকাশ নিয়ে আমি তোমার ’পরে
ইট পাথরের আস্তরণ কেড়ে নিলো সব আশা
দিন ছিল আমাদের উদ্যম, স্বপ্নে জাগা ভিসুভিয়াস, অক্সিজেনহীন গহ্বরে আজ, তার থেমেছে নিঃশ্বাস।


[রানা প্লাজায় চাপা পড়া একজন নারীকে জড়িয়ে আছে একজন পুরুষ, তাদের নিচে ছাদ উপরেও ছাদ। মৃত দুজন মানুষ বোধহয় এমনই ভাবতো। জীবনের শেষ আলিঙ্গনের সে ছবিটা আমাকে গভীর করে কাঁদায়]


আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন