বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১৬ অক্টোবর ১৯৮৬
গল্প/কবিতা: ২১টি

প্রাপ্ত পয়েন্ট

দাগ

কি যেন একটা জানুয়ারী ২০১৭

যদি না তুমি হতে অধরার দলে

কি যেন একটা জানুয়ারী ২০১৭

আমারও একটা সপ্ন ছিল

আমার স্বপ্ন ডিসেম্বর ২০১৬

বৈরিতা (জুন ২০১৫)

মোট ভোট বর্নহীন ভালোবাসা

মোস্তফা সোহেল
comment ৩  favorite ০  import_contacts ৪১২
ভালবাসাও লালন পালন করতে হয়।বুকের ভেতরে।তা না হলে ভালবাসা হারিয়ে যায়।আর একবার যে ভালবাসাটা হারিয়ে যায় কাকতালীয় তাকে খুঁজে পাওয়া গেলেও তাকে আর বুকের ভেতরে বাধা যায় না।
কিছু কিছু ভালবাসা থাকে যে ভালবাসা গুলো বুকের ভেতরে বড্ড জ্বালায়। রাতে ভাল ঘুম হতে দেই না। সব মানুষের বুকের মাঝেই ভালবাসা আছে,আছে যত্নে পুষে রাখা কিছু ভালবাসার মানুষও।মানুষ কষ্ট পুষতেও ভালবাসে।কেউ কেউ বুকের ভেতর সযতনে রেখে দেয় তার কষ্টকে।মানুষ বুকের ভেতর যত্নে রাখা কোন কিছুই অন্যকে দেখায় না।আর দেখাবেই বা কি করে, বুকের মাঝে কিছু রাখলে কাউকে কি দেখানো সম্ভব?অনেক সময় নাকি সম্ভব!
সম্ভব হয় হোক আমি আমার বুকের মাঝে যত্নে রাখা মানুষকে কাউকে দেখাতে চাই না। আব্বু আব্বু মা তোমায় ডাকছে।তাজমীনের কথায় মাথার ভাবনা গুলো হারিয়ে গেল নিমেষেই।কি হল চল,তুমি যাও বাবা আমি আসছি।
বুকের মাঝে যত্নে পুষে রাখা মানুষ গুলো কখনই জানে না তাকে একটা মানুষ কত ভালবাসে! আজ আমার বন্ধু তাজমিনকে খুব মনে পড়ছিল, ওকে খুব দেখতে ইচ্ছেটা করছিল।কিন্তু তাজমিনকে দেখা আমার কপালে এত সহজেই নেই।আমি তাজমিনের চরম শত্রু। চরম শত্রুর সাথে কি কেউ দেখা করে।তাজমিন যাকে বিয়ে করতে চেয়েছিল,তাকে আমি ভালবাসতাম এটা জানার পর থেকেই ও আমাকে শত্রু ভাবতে শুরু করে।মানুষের সাথে সু সম্পর্ক হতে দিনের পর দিন সময় লাগে অথচ মানুষের শত্রু হওয়া কয়েক মিনিটের ব্যাপার।
আজ আট বছর পরে নিজ গ্রামে যাচ্ছি। তাজমিনের দেওয়া আঘাত সহ্য করতে না পেরে অভিমানে গ্রাম ছেড়ে চলে গিয়েছিলাম।বিকালে গ্রামের রাস্তায় হাটতে বেরিয়েছিলাম ছেলেকে সাথে নিয়ে।হঠাৎ দেখি সামনে দিয়ে আমার বন্ধু আসছে।কাছে আসতেই আমি ভাল মন্দ জিজ্ঞেস করলাম।তাজমিনও জানতে চাইল কেমন আছি? পিচ্চিটা কে? আমার ছেলে।
কি নাম তোমার?
আমার ছেলে চুপ করে আছে আমি বলি বাবা চাচুকে তোমার নাম বল,ছেলে বলে,তাজমিন,
ঠিক আছে দোস্ত থাক পরে দেখা হবে।বলেই তাজমিন চলে গেল। আমার ছেলের নাম তাজমিন এটা শুনে মনে করেছিলাম চমকে উঠবে অথচ ও কোন প্রতিক্রিয়াই দেখালো না! একটা মানুষ কতটুকু ভালবাসলে তার নিজ সন্তানের নাম সেই মানুষটার নামে রাখে এটাকি তাজমিন জানে? জেনেও বা কি লাভ। ভালবাসা আজকাল সস্তা জিনিস। আর আমিতো তাজমিনের শত্রুই। শত্রুর ভালবাসা সবসময়ই বর্নহীন!

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন