বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১ ফেব্রুয়ারী ১৯৮২
গল্প/কবিতা: ৬টি

সমন্বিত স্কোর

২.৪৭

বিচারক স্কোরঃ ১.৮৭ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ০.৬ / ৩.০

আজকালের ভালোবাসা

ভালোবাসা / ফাল্গুন ফেব্রুয়ারী ২০১৫

মা

ব্যথা জানুয়ারী ২০১৫

সেই মেয়েটি

ব্যথা জানুয়ারী ২০১৫

উচ্ছ্বাস (জুন ২০১৪)

মোট ভোট প্রাপ্ত পয়েন্ট ২.৪৭ সুখটান

ই আলী
comment ৬  favorite ২  import_contacts ৫০৫
ফোন রিসিভ হওয়ামাত্র বললাম- ‘আই লাভ ইউ’। ফোনের অপর প্রান্ত থেকে অবাক জিজ্ঞাসা- জ্বি, কি বললেন? আবার বলুন তো! আমি ভেতরে ভেতরে ভীষণ ভয় পেয়ে গেলাম। কোনো দিন কোনো মেয়েকে এভাবে বলিনি তো! ভয়ে শরীর কেঁপে উঠলো। কি বলবো ভেবে পাচ্ছিলাম না। আমার কোনো সাড়া না পেয়ে সে আবার বললো- হ্যালো, কথা বলছেন না কেনো? আমি কোনো রকমে বললাম- জ্বি...।
-একটু আগে ফোন দিয়েই যে কথাটি বললেন, সেটি আবার বলুন তো।
-কই কিছুই তো বলিনি!
-একটু আগেই তো বললেন। আবার বলুন না!
আমার ভেতরের ভয়টা আরো বাড়লো। তবে পরিস্থিতি হালকা করার জন্য বললাম- দেখুন, আমি যা বলেছি, তা তো শুনেছেন। নিশ্চয়ই ভুল শোনেননি।
অফিসের চেয়ারে বসে আছি। মনটা অনেক ফুর ফুরে লাগছে। হেলাল হাফিজের কবিতার দুটি লাইন মনে পড়লো-‘কেউ ডাকেনি তবু এলাম/বলতে এলাম ভালোবাসি’। অফিসের র্যা ক থেকে বইটা বের করে পুরো কবিতাটি কয়েকবার পড়লাম। যতই পড়লাম ততই ভালো লাগলো।
গত পনের দিন ধরে খুব ভালো আছি। মনের ভেতর রোদের ঝিলিক ডিগবাজি খাচ্ছে। এই ক’দিনে রিতি’র সাথে ফোনে অসংখ্যবার কথা হয়েছে। যতই কথা বলছি মেয়েটার সাথে ততই আচ্ছন্ন হয়ে পড়ছি। মেয়েটা সব সময় হাসি-খুশী থাকে। কথার সঙ্গে যেন হাসি মাখাই থাকে। মনে পড়লেই তাকে ফোন দেই। কথা হয়। আমার ভালো লাগে।
মাঘ মাস। শীতের কাঁপুনিতে আমার ভেতরে লাগলো কাউকে কাছে পাওয়ার ঝাঁকুনি। ফোন দিলাম-হ্যালো, আমি আলী বলছি।
-জ্বি, চিনতে পেরেছি।
-আচ্ছা, আপনি কি কবিতা পড়েন?
-জ্বি, পড়ি।
-কার কার কবিতা ভালো লাগে?
-নজরুল, রবীন্দ্রনাথ, সুকান্ত, জসিম উদ্দিনের কবিতা ভালো লাগে।
-রফিক আজাদ, নির্মলেন্দুগুণ, শামসুর রাহমান, মহাদেব সাহা, হেলাল হাফিজ, ত্রিদিপ দস্তিদার, আল মাহমুদ- এদের কবিতা পড়েন না?
-আমার আসলে তেমন বই পড়া হয় না। তাই বলতে পারবো না। পাঠ্যবই বইয়ের বাইরে আমার কোনো বই পড়া হয়ে ওঠেনি। তবে মুঠোফোনে কবিতা আবৃত্তি শুনি। এই যেমন ধরুন-‘আমি হয়তো মানুষ নই............’ কবিতার আবৃত্তি শুনেছি। তবে কবি বা কবিতার নাম আমার জানা নেই।
-আপনি অবসরে কি করেন?
-আমার কোনো অবসর নেই। কাজ শেষে যে সময়টুকু পাই তার পুরোটই আমার লেখাপড়ায় চলে যায়। গ্রামে আমার একটা শিশু স্কুল আছে। প্রতি শুক্রবার সকাল আটটা থেকে দশটা পর্যন্ত সেখানে ল্যাপটপের সাহায্যে ভিডিও চিত্রের মাধ্যমে গরীব শিশুদেরকে স্বরবর্ণ, ব্যঞ্জনবর্ণ, ধারাপাত, ইংরেজি বর্ণ শিখিয়ে তাদেরকে স্কুলমুখী করার চেষ্টা করি। এছাড়া পরিবেশ সচেতন করতে বিভিন্ন কার্টুন দেখাই। বিকেল চারটা থেকে পাঁচটা পর্যন্ত গ্রামের বয়স্ক পুরুষ-মহিলাদেরকে নাম স্বাক্ষরসহ বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষা দিয়ে আসছি। সারা দিনে আরো অনেক কাজ করি।
-না, না, থাক। সব বলার দরকার নেই। আপনাকে কিছু কথা আছে।
-বলেন।
-একদিন আমার অফিসে আসেন। সামনা-সামনি বলবো।
-আপনার অফিসে যাওয়ার সময় আমার হাতে নেই। যা বলার ফোনেই বলতে হবে।
-ঠিক আছে বলছি, আমি আপনাকে বিয়ে করতে চাই।
-জ্বি, কি বললেন? বিয়ে করবেন। হা-হা-হা।
-দেখুন, আমি কিন্তু সিরিয়াস!
-কিন্তু আমি সিরিয়াস না। আমাকে ভাবার সময় দিন।
-ঠিক আছে, তিনদিন দিলাম।
-মাত্র তিনদিন! না, তিনদিনে হবে না! পনের দিন দিতে হবে।
তাই হলো। মুঠোফোনে আমাদের কথা চলতে থাকলো। দিন-রাত চললো কথার খুঁনসুটি। সখ্যতাও বাড়তে থাকলো। এক পর্যায়ে যমুনা নদী পার হয়ে ওপারে চরাঞ্চলে কাশবন, বাদাম ক্ষেত ঘুরে বেড়াতে লাগলাম। অফিসেই বেশি চললো মাতোয়ারা সময় কাটানো। এভাবেই কেটে গ্যালো ছয় মাস।
তার বাড়ি আমার বাড়ি থেকে ছয় কিলোমিটারের পথ। দু জনার মনের অবস্থা এমন হলো যে, প্রতিদিন কেউ কাউকে না দেখে থাকতে পারলাম না। শেষ-মেশ সিদ্ধান্ত হলো সে প্রতিদিন বাই-সাইকেলে আমার অফিসে আসবে। রিতি প্রতিদিন অফিসে আসতে থাকলো। প্রথম প্রথম দিনে একবার। কিছু দিন পর যখন ফোন করতাম তখনই সে চলে আসতো। বাই-সাইকেল চালিয়ে আসতে তার কষ্ট হতো- তবু আসতো।
অফিসে কাজ থাকার কারণে আজ বাড়ি ফিরতে দেরি হলো। ঘড়িতে সময় রাত নয়টা। ঘরে ঢুকেই অবাক হলাম। পাশের ঘরে রিতি’র কণ্ঠ শোনা যাচ্ছে। হঠাৎ করে রাতে আমাদের ঘরে রিতি’র উপস্থিতি আশা করিনি। ভেতরে আৎকে উঠলাম। আমার সহকর্মী আরিফ একজন মেয়েকে ভালোবাসতো। কিছুদিন যাওয়ার পর মেয়েটি হুট করে কাউকে কিছু না বলে এক রাতে স্ত্রীর দাবি নিয়ে আরিফের বাসায় ওঠে। এ নিয়ে অনেক পানি ঘোলা হয়। ঝামেলাটা শেষ পর্যন্ত থানা অবদি গড়ায়। এ ঘটনায় আরিফের বাসা থেকে অনেক টাকা বের হয়ে যায়। এমন ঘটনা আমার জীবনেও ঘটবে না তো! অনেকক্ষণ ঘরে বসে থাকলাম। পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করলাম। না, সে রকম কিছু মনে হচ্ছে না। মেয়েটি আমার ছোট বোন ফেন্সির সহকর্মী। আমার ছোট বোনকে ডেকে বললাম- রিতি এখানে কেনো? এতো রাতে!
-রিতি একা নয়। আরো চারজন আছে। আমাদের প্রকল্পের কর্মসুচির অংশ হিসেবে ওরা আমাদের বাড়িতে এসেছে।
-আমার ভয় কাটলো। ওর সাথে কথা বলা সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করলাম। সারা রাত পেলাম না। সারা রাত আমার ঘুমও হলো না। এ খবরটা কেউ জানলো না।
সকালে ফ্রেস হওয়ার পর এক গ্লাস পানি খেয়ে আমার বিছানার কোণায় বসে উইন্ডজ-এক্সপি সংক্রান্ত একটি বই পড়ছিলাম। রিতি ও তার সহকর্মী সাথী অনুমতি নিয়ে আমার কক্ষে ঢুকলো। কথা বলতে বলতেই সাথী উঠে অন্য ঘরে গ্যালো। আমার ঘরে আমি ও রিতি। সে তার ল্যাপটপে অফিসিয়াল কাজ করছে। আমি বই বন্ধ করে বসে রইলাম। আমাদের মাঝে কথা হচ্ছিলো না। মনে হচ্ছিলো আমরা কেউ কাউকে চিনি না। আমার ভেতরে ভেতরে কিছুই ভালো লাগছিল না। বইটা রেখে দিয়ে টিভি চালু করলাম। টিভিতে টক-শো চলছে। বিরক্ত লাগলেও চ্যানেলটা পাল্টালাম না। হঠাৎ আমার দু হাত দিয়ে রিতি’র দু’গাল চেপে ধরে তার ঠোঁটে লম্বা একটা চুম্বন দিলাম। চুম্বনের বিষে যেন রিতি’র শরীর নীল হয়ে গ্যালো। কাজ বন্ধ করে দিয়ে চুপ করে থাকলো। একটু পর দেখি ওর চোখ দিয়ে পানি ঝড়ছে। তাকে এভাবে কাঁদতে দেখে আমি ভয়ে ছটফট করতে লাগলাম। এই মুহুর্তে তাকে আমার কাছে অপরিচিত কেউ একজন বলে মনে হলো। সমুদ্রে গর্জন শুরু হলো। তার প্রতি আমার বিশ্বাস তলানীতে গিয়ে ঠেকলো। আমি কোনো রকমে নিজেকে সামলে নিয়ে আমার দু’হাত দিয়ে তার দু’হাত চেপে ধরে বললাম- আমার ভুল হয়ে গ্যাছে। দয়া করে এ ঘটনার কথা কাউকে বলবেন না। আমার সম্মান থাকবে না। এবার তাকে দেখে মনে হলো ভেতরে কি যেন ভাবছে। কিছুক্ষণ পর দু’হাত দিয়ে চোখ মুছে উঠে দাঁড়ালেন। বাই-সাইকেলটা বারান্দা থেকে বের করে ব্যাগ ও ল্যাপটপ নিয়ে রওনা দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। আমিও বাইরে গিয়ে দু’হাত জোড় করে নত হয়ে বললাম-প্লিজ, এভাবে চলে যাবেন না। আমাদের বাড়ির সম্মান থাকবে না। এভাবে চলে গেলে কেলেঙ্কারি হবে। সে আমার অনুরোধ রাখলেন। বাড়ির ভেতরে চলে গেলেন। যাওয়ার সময় বাই-সাইকেলটা হাতের ঝাপটা মেরে ফেলে দিলেন। আমি সব সামলে নিলাম। আমাদের মধ্যে কি ঘটলো তা বাড়ির কেউই টের পেলো না।
এক মাসেরও বেশি সময় কেটে গ্যালো। তাকে ভুলতে চেষ্টা করলাম। তবে চুম্বনের দৃশ্যটা ভুলতে পারলাম না। চুম্বনটা মাঝে-মাঝে আমাকে ভীষণ যন্ত্রণা দিচ্ছিলো।
বিকেলে ইন্টারনেট সংক্রান্ত ক্লাস নিচ্ছিলাম। মুঠোফোনে পরিচিত রিং টোন বেজে উঠলো। দেখলাম রিতি ফোন করেছে। শিক্ষার্থীদের সামনে ফোন কেটে দিলাম। আবার ফোন দিলো। আমি আবার কেটে দিলাম। বার বার ফোন দিলো। আমি বার বারই কেটে দিচ্ছিলাম। শিক্ষার্থীদের মধ্যে কেউ একজন বললেন- স্যার, ফোনটা ধরেন। কথা বলেন। আমরা অপেক্ষা করছি। ফোন রিসিভ করলাম না। ক্লাস শেষে ফিরতি ফোন দিলাম।
-তুমি আমার ফোন কাটলে ক্যানো?
-ক্লাস নিচ্ছিছিলাম।
- ও..ও...ও, মাস্টারমশাই ক্লাস নিচ্ছিলে! খুব বড় মাস্টার হয়েছ, তাই না? তুমি এতোদিন ফোন দিলে না ক্যানো?
-তুমিও তো দেওনি।
-ক্যানো আমি দেবো? তুমিই তো দিবে!
-আমার ভয় করছিল। ফোন দিতে সাহস পাইনি।
-সাহস পাওনি! হা-হা-হা। তোমার না কতো সাহস!
-দ্যাখো, আমি আর ফোন দিতে পারবো না।
-ফোন দিবে না! তাহলে চুমো খেলে ক্যানো?
-সেটা আমার ভুল হয়ে গ্যাছে। এ রকম আর হবে না।
-ও...ও...ও... এ রকম হবে না, তাহলে কি রকম হবে!
-বিয়ে করার পর হবে।
-তাহলে বিয়ে করো। আমার পরিবারে লোক পাঠাও।
তার সম্মতিতে আমি ভেতরে ভেতরে প্রাণ ফিরে পেলাম। বিয়ে করার জন্য আমার একজন শুভাকাঙ্ক্ষি কলেজ শিক্ষক রফিকুল ইসলাম রঞ্জু ভাইকে সঙ্গে নিয়ে নিজেই প্রস্তাব দিলাম। তার পরিবার থেকে জানানো হলো- ঈদ-উল-ফিতরের সময় তার বড় ভাই এনামুল এসে বিয়ের ব্যবস্থা করবে। আমি অপেক্ষা করলাম। ঈদ-উল-ফিতর পার হলো। এনামুল ভাই চলে গেলেন চাকরিতে। বিয়ে হলো না। রিতি জানালো-ঈদ-উল-আযহা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। আমি তাই করলাম। কিন্তু এবারো হলো না। রিতি জানালো-তুমি আমার চেয়ে খাটো। সেজন্যই বড় ভাই, বাবা, বড় আপা ও পাড়া-প্রতিবেশীও বলেছে- এ বিয়ে হবে না। কথাগুলো শুনে আমি দিশেহারা হয়ে পড়লাম।
রিতি আজ আমার অফিসে এসেছে। মুখটা মলিন। বললাম- কি হয়েছে তোমার?
-গতকাল ছেলে পক্ষ আমাকে দেখে গেছে। ছেলে পুলিশের চাকরি করে। আমার পরিবারের সবার পছন্দ হয়েছে। তুমি কিছু একটা করো।
সেই রাতেই ফোনে ওর মা ও বড় আপাদের বোঝালাম-আপনাদের মেয়ে ভালো থাকবে। ভালো রাখবো। অনেক ভালোবাসবো। কেউ কথা শুনলো না। আমি নিস্তেজ হয়ে পড়লাম। কোনো কাজে মন বসাতে পারলাম না। বিষয়টি আমার মা-বাবাকে জানালাম। বললাম- মা, আমি বিয়ে করলে এই মেয়েকেই করবো। হুরপরী আমি চাই না। দোযখ বা বেহেস্তেও আমার এই মেয়েকেই চাই। মা-বাবা আমার মনের অবস্থা বুঝে কাজী অফিসে গিয়ে বিয়ে করতে বললেন। আমার পায়ের নিচে আমি শস্য খুঁজে পেলাম। আমার মা’র সিদ্ধান্তটা আমি রিতিকে জানালাম। সে স্বাগত জানালো।
পরের দিন রিতি ফোন করলো-শোন, আজ আমরা বিয়ে করবো। তুমি ব্যবস্থা করো। আমি তোমার অফিসে দুপুর একটার দিকে যাবো। তুমি সব রেডি রেখো।
রিতি অফিসে ঠিক সময়ই আসলো। তার সঙ্গে আরেকটা ছেলে। ছেলেটার বয়স দেখে মনে হলো কলেজ বা ইউনিভার্সিটিতে পড়ে। ছেলেটার সঙ্গে পরিচয় হলো। তিনি রিতি’র ভাগিনা। রিতি’র মা এই ছেলেটার সাথে তাকে পাঠিয়েছে।
অফিসে সব ব্যবস্থা করাই ছিল। রিতি’র ওই ভাগিনাই ওর বিয়ের স্বাক্ষী হলো। ইমাম সাহেব চলে গেলেন। আমার দু একজন আত্মীয় ও শিক্ষার্থীরা মিষ্টিমুখ শেষে বিদায় নিলেন।
রাত নয়টায় বাসায় ফিরলাম। বাসার প্রধান দরজায় এসে মা’কে ডাকলাম। মা আসলেন। মা’কে বললাম-মা, এই মেয়েটাই আমার বউ। মা বাড়ির সবাইকে ডেকে এনে আমাদের ভেতরে নিয়ে গেলেন। ‘আলী বউ এনেছে’, ‘আলী বিয়ে করেছে’-ধ্বনিতে বাড়িতে রব পড়ে গ্যালো। ঘর ভর্তি মানুষ। সবার ভীড় ঠেলে আমার বড় ভাইয়ের ছেলে দিপ আমার কাছে আসলো। আমার বউকে দেখে আমাকে বললো- কাকু, গায়ে শাড়ী নাই। এটা আবার কিসের বউ। কাকু, শাড়ী ছাড়া কি বিয়ে হয়? তোমাদের এ বিয়ে হয়নি। তোমাদেরকে আমাদের সামনে আবার বিয়ে করতে হবে। ওর কথা শুনে ঘরের সবাই হাসিতে ফেটে পড়লো।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন