বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১৬ অক্টোবর ১৯৭০
গল্প/কবিতা: ৪৩টি

সমন্বিত স্কোর

৫.৯৬

বিচারক স্কোরঃ ৩.৬৪ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ২.৩২ / ৩.০

কাল কুষ্মাণ্ড

এ কেমন প্রেম? আগস্ট ২০১৬

হিয়ার মাঝে লুকিয়ে ছিলে…

রাত মে ২০১৪

দালালী

বাংলার রূপ এপ্রিল ২০১৪

গ্রাম-বাংলা (নভেম্বর ২০১১)

মোট ভোট ১১৬ প্রাপ্ত পয়েন্ট ৫.৯৬ স্বপ্নাশ্রয়ী ঘরে ফেরা

আহমাদ মুকুল
comment ১১৪  favorite ১২  import_contacts ৮৮৬
কলমটা কখন যেন হয়ে গেছে কণ্টক
নিজের কালি ফুরিয়েছে, তাই হয়ত
পিয়াসী হয়ে খুঁচিয়ে রক্ত বের করার
তালে আছে। ভাবি ওকে দেই কিছুদিন ছুটি।

টের পেয়েই সুবোধ বালকের মত
কাগজে ঝাঁপিয়ে পড়ে। পেছনের বাক্যগুলোর
কথা মনে পড়ে, না জানি আবার কোন
স্বপ্নের পেছনে ছোটে। স্বপ্ন ভঙ্গকে ভয় নয,
স্বপ্ন জয়ই না আবার কবে বোঝা হয়!
….লেখনি হয়েছিল আশ্রয়, আজ বিপ্লবে
মেতেছে জনককে বাস্তুহীন করার নেশায়।

উদ্বাস্তু কবি, ক্লান্ত শ্রান্ত, কলমকে ডাকি-চল আঁকি।
একটা শান্ত গ্রামের ছবি, শিশুবেলায় এঁকেছিলাম।
দোচালা ঘর, একটা খড়ের গাদা। পেছনে কলাগাছ
ডানদিক দিয়ে বয়ে চলা নদী, ঢেউয়ের মাথায় পানসী।
পেছনে দিগন্তের সবুজরেখা, ছবির পটে উডে চলে বলাকা।

চল ফিরে যাই- কার যেন হেঁয়ালী ডাকে
ভাঙা সেতু পেরিয়ে হাঁচড়ে পিচড়ে এ তটে এসে
মনে পড়ে, এখানে ছিল তিন বাঁশের সাঁকো,
পথ মেলাতো কলরবী হাটুড়ে দেহাতি মানুষের।
……………
ছবির গ্রামটি শহরের পলেস্তারা নিয়ে এখন জংধরা
এঁটেল কাদা আর ঘাস ছাউনী মোড়া, ক্যাঁচ ক্যাঁচ গরুর গাড়ির
শব্দ তোলা পথটি ধীরে ধীরে হয় ইট বাঁধা, কংক্রিট পাকা।
কাছেই নিরেট শহরের হাতছানি
প্রতিদিন নিয়ে চলে নতুন নতুন পথিককে।
যাদের মাঝে, ফিরে আসে হাতে গোণা!
যন্ত্রযান আর পদযুগলের সহজতায় পৌঁছে যাওয়া
শহর থেকে ফেরার পথে, অনেক বিড়ম্বনা
আধুনিকতা থেকে প্রাকৃতিকতায় প্রত্যাগমনে
অভিযোজিত মানসিকতার সহজাত শত বাধা!!!

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন