বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১০ অক্টোবর ১৯৮০
গল্প/কবিতা: ২৮টি

সমন্বিত স্কোর

৩.৭৩

বিচারক স্কোরঃ ১.৭৩ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ২ / ৩.০

রজব বৃওান্ত

প্রেম ফেব্রুয়ারী ২০১৭

আলোর আশ্রয়

ঘৃণা সেপ্টেম্বর ২০১৬

কাকতাড়ুয়া

প্রায়শ্চিত্ত জুন ২০১৬

বাংলার রূপ (এপ্রিল ২০১৪)

মোট ভোট ১০ প্রাপ্ত পয়েন্ট ৩.৭৩ বাতাসে বন তুলসীর গন্ধ

আশরাফ উদ্ দীন আহমদ
comment ৯  favorite ০  import_contacts ৪৮৯
পৌষের মাঝামাঝি। আকাশ চুইয়ে হিম কুয়াশা ঝরছে। ঝিরিঝিরি বাতাস বয়ে যাচ্ছে উত্তর থেকে দক্ষিণে। গাছের পাতায় শীতের শিহরণ। যেন বাতাসে দুলে-দুলে চুপিসারে কথা বলে চলছে, বাঁকা মেঠো পথ ডুবে রয়েছে অন্ধকারে। সেই অন্ধকার যেন অন্ধকার নয় ভয়াল এক রাক্ষস। কামড়াতে চায় এবং সব কিছু এক নিমেষে নিঃশেষ করে দিতে চায়।
মাতাল গেন্দু মিয়া দরোজায় কড়া নাড়লো। বউ জয়তুন বিছানা ছেড়ে ধড়ফড়িয়া উঠে দরোজার ঝাঁপ খুলে দিতে-দিতে কর্কশ কণ্ঠে বললো, ঘরে দু’দুটো সোমত্ত মেয়ে, যৌতুক দিতে না পেরে বড় মেয়েটা ছ/সাত মাস বাড়ি এসে পড়ে আছে, আর উনি কিনা সারাদিন পর মদ গিলে বাড়ি ফিরছে, এদিকে ছেলে-মেয়ে সবাই উপোষ, সে খেয়াল আছে!
রাত্রি অনেক এখন তাই অনেক দূর থেকে শিয়ালের চিৎকার ভেসে আসছে, নেড়ি কুত্তার বীভৎস চিৎকারে বাতাস ভারী, পাশের বাড়ির মফিজুদ্দির অসুস্থ ছেলের গুমরানি কান্না শোনা যায়। অন্ধকার কেটে-কেটে অনেক দূরের আওয়াজ ভেসে আসে, শিয়ালের চিৎকারের সাথে-সাথে একপাল কুকুরের চিৎকার শোনা যাচ্ছে, এতো রাত্রে মানুষের পায়ের সাড়া পেয়েই নিশ্চয় ওদের জাগরণ।
গেন্দু মিয়া বউয়ের ভৎর্সনা নীরবে হজম করে। পায়ে-পায়ে ঘরের ভেতর এগুতে গিয়ে ধড়াস করে মাটির স্যাঁতস্যাঁতে মেঝেতে পড়ে গড়াগড়ি খায়। গলা সপ্তমে তুলে জয়তুন আবার বলে ওঠে, ছেলেটা চারদিন ধরে জ্বরে কাতরাচ্ছে,এতোটুকু ঔষধ নেই, আর উনি এসেছেন মদ গিলে। গোখরা সাপের মতো রেগে ফুঁসে ওঠে ঘরের ঝাঁপটা বন্ধ করে দিয়েছে সে।
বউয়ের এমন বাজখাই গলার তিরস্কার শুনে গেন্দু মিয়ার নেশা উবে যায়। প্রচণ্ড রাগে মাথা থেকে পা অবধি জ্বলে-পুড়ে যেতে থাকে। কথাগুলো বড়ই সত্যি, এবং এই সত্যি বলেই পৌরুর্ষে আঘাত লেগেছে, তাই রাগটাকে বেশিক্ষণ চাপা দিয়ে রাখতে পারে না। আর একবার মুখ খুলতেই ডান হাতটা ছুঁড়ে মারলো জয়তুনের হাড্ডিসার বিবর্ণ চোয়ালে। জয়তুন কিছু বোঝার আগেই যেন কেমন সব হয়ে গেলো, চাপা আর্তনাদে ডুকরে উঠলো। মনে হলো লোহার মতো শক্ত হাতের চড়ে গালটা যেন গর্দান থেকে খসে যাবে। তবে গলা দিয়ে কান্নার ধ্বনি ছাড়া আর কোনো শব্দ বেরুচ্ছে না। চেঁচিয়ে গ্রামশুদ্ধ মাত করবে এমন বোধ শক্তি লোপ পেয়েছে যেন।
ক্ষুধা-যন্ত্রণা আর প্রচন্ড আক্রোশে একসময় সত্যিসত্যি গর্জে উঠলো সে, ভাত দেওয়ার মুরোদ নেই চড় মারার গোঁসাই, ঝেঁটা মারি তোমার সংসারে, এই নরকে পড়ে আমার জীবন শেষ হয়ে গেলো। গুমরে কেঁদে উঠলো একসময়। কিছুক্ষণ পরে চিৎকার করে জানাই, তার চেয়ে ট্রেনের তলায় মাথা দিয়ে মরা ভালো, এ জীবন আর সহ্য হয় না।
বউয়ের এমন তাচ্ছিল্যভরা কথা শুনে গেন্দু মিয়ার মনটা আপনা থেকেই বিষিয়ে ওঠে, জীবনটাকে কেমন একটা ভারবাহী বোঝা মনে হয়। বিতৃষ্ণা বিতৃষ্ণা বলে থুতু ছিটিয়ে দিতে সাধ হয়। নিজেকে ভারী অসহায় লাগে। এ রকম ইচ্ছে আদৌ ছিলো না কখনো। কিন্তু আজ তার মন বড় তেতো, যে হাত দিয়ে চড় মেরেছে, সেই হাতের তালু ঠান্ডা হয়ে আসে। শরীরটা থরথর করে কাঁপছে থাকে। দু হাত কচলাতে-কচলাতে গম্ভীর হয়ে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে থাকে। চাবুকের আঘাতে আঘাতে জর্জরিত হয়ে গেলো তার তাবৎ শরীর, ঘরের ভেতরে বেশিক্ষণ আর থাকতে পারলো না, নিদ্রা নেশা সব একসঙ্গে জোড়া বেঁধে পালিয়ে গেছে, বোধশক্তি একেবারে টনটনে হয়ে গেলো। জয়তুনের কথাগুলো খারাপ লাগলেও খাঁটি সত্য কথা। এই সংসারে সে এই অবধি কি-ই বা দিতে পেরেছে, দুটো অন্ন ছেলেমেয়ে বৌয়ের মুখে দুবেলা তুলে দিতে পারে না, এসবই তার অক্ষমতার ফল। পা-পা করে ঘরের বাইরে বেরিয়ে গেলো সে। অমাবস্যার গুমোট কালো অন্ধকার প্রহরীর মতো ওঁত পেতে দাঁড়িয়ে রয়েছে। ঝিঁ-ঝিঁ পোকারা আসর জমিয়ে গান ধরেছে।
গেন্দু মিয়া পা চালিয়ে ছুটছে, পায়ের তলায় শিশির ধোয়া সতেজ ঘাসগুলো মসমস করছে, সারি-সারি গাছগাছালি নিশ্চুপ দাঁড়িয়ে। শীতের মধ্যেও গেন্দু মিয়ার শরীর বেয়ে দরদরিয়ে ঘাম ঝরছে, অন্ধকার ভেঙে বড়-বড় পা ফেলে এগুচ্ছে সে। চারপাশের বিকট অন্ধকার তার সামনে। বর্তমান-ভবিষ্যৎ বলে কিছু নেই, আছে শুধু জমাট অন্ধকারের বিভীষিকা, বরফ গলা নদীর মতো হতাশা-নিরাশা-ক্ষুধা-যন্ত্রণা-উপবাস তাড়া করে ফিরছে...কোথায় যাবে? তবুও গন্তব্যহীন গেন্দু মিয়া ছুটছে। চোখের সামনে তোলপাড় করছে সম¯— সমতল। সমতল আজ কোথায় মিশে যাবে, কি হতে যাচ্ছে পৃথিবীর, কেউ জানুক বা না জানুক গেন্দু মিয়া জানে একটা কিছু হবে নিশ্চয়।
কয়েকমাস থেকে গেন্দু মিয়াকে ব্যাপারীর লোকজনেরা ধরেছে, তার মেজো মেয়ে মর্জিনার সাথে ব্যাপারীর বিয়ের জন্য। কিন্তু গেন্দু পিতা হয়ে তাতে মত দেয়নি, এড়িয়ে গেছে। গেন্দু রাজি হলে মর্জিনাকে বিয়ে করে ঘরে তুলবে, আর বড় মেয়েকে যৌতুক দিয়ে স্বামীর ঘরে পাঠাবে বলেও লোভ দেখিয়েছে। গেন্দু ক্ষেপে যায়,পারে তো খুন করে মনের তৃপ্তি মেটায়। কতো বড় সাহস এমন প্রস্তাব পাঠায়। যার বয়স ষাট পেরিয়ে গেছে,ঘরে চার চারটে বিবি, তিন কাল গিয়ে এককালে এসে ঠেকেছে, তার আবার বিয়ের হাউস। মর্জিনার মতো মেয়ে যার নিজের ঘরে সে কিনা বিয়ে করবে মর্জিনাকে। গেন্দু মিয়া আর কিছু ভাবতে পারে না, চোখের সামনে আঁধার এসে যেন দাঁড়ায়। গনগনে লাল আগুন চোখ দিয়ে ফেটে বের হতে চায়। মেজাজটা তিরিক্ষে ওঠে, হারামজাদা কচি মেয়ের উপর চোখ ফেলেছে, পারে তো গেন্দু ওই মদখোর ব্যাপারীর চোখ দুটো উপড়ে ফেলে, ইহকাল ছেড়ে পরকালের চিন্তা নাই, জারজ করবে আবার বিয়ে।
পাগলা ষাঁড়ের মতো ভেতরে-ভেতরে ফুঁসতে থাকে গিন্দু মিয়া, গণ্যমান্য লোক হবে গণ্যমান্য লোকের সাথে মেয়ের বিয়ে দিয়ে, থু-থু ছি-থু...পেচ্ছাব করে দেই ব্যাপারীর মুখে। গরীব হয়েছি বলে কি নিজের মেয়েকে জ্যান্ত একটা জানোয়ারের মুখে তুলে দেবো, না-না কখনো তা হবে না...জীবন চলে গেলেও তা হবে না। হারামির বাচ্চা পেয়েছেটা কি, গ্রামের মাথা হয়েছে বলে মগের মুল্লুক পেলো নাকি? টাকার গরমে কতো মেয়েকে উসলে-ফুসলে কাজ দেওয়ার নাম করে টাকার লোভ দেখিয়ে বিয়ে করার প্রলোভন দেখিয়ে সর্বনাশ করেছে ব্যাপারী। সেই লুচ্চাকে কিনা মেয়ে দেবে। গেন্দু মিয়া সেদিন তেঁতে ওঠে, বজ্রমুষ্টিতে ভেঙে ফেলতে চায় টেবিল। দাঁত কটমট করে কিন্তু বড় অসহায় গেন্দু, শুধু মুখে বিড়বিড়য়ে কি যে বলে সবাই তার কি বোঝে, তীব্র কঠিন কণ্ঠে জানায়, মেয়েকে কেটে পদ্মায় ভাসিয়ে দেবো তবুও ব্যাপারীর সাধ মিটতে দেবো না। রাজরানী হবে মেয়ে...ঝেঁটা মারো ঝেঁটা মারো...
আজ সন্ধ্যের সময় গেন্দুকে ব্যাপারীর লোকজন বিদেশী মদের লোভ দেখিয়ে ঝুপড়ি থেকে ধরে নিয়ে গিয়েছিলো, ব্যাপারী হুঁকো টানতে-টানতে খোস-গল্পের ছলে গেন্দুকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলো, বিদেশী মদের বোতল সামনে দেখলে কার জ্ঞান আর ঠিক থাকে, জ্ঞানও যেন লোপ পায়। ব্যাপারী পা দোলাতে-দোলাতে বলেছিলো, গেন্দু মিয়া তোমার মেয়ে মানে মর্জিনাকে আমি বিয়ে করতে চাই, অবশ্যই তোমার কোনো আর অভাব থাকবে না মানে আমি থাকতে অভাব নামের কোনো কিছু রাখবো না। রাজি হয়ে যাও আল্লাহ-রসুলের নাম নিয়ে, জীবনে কতো আর কষ্ট করবে, এবার সুখ ভোগ করো, সব অভাব তো আমি দূর করে দেবো। কিছুসময় নিশ্চুপ থেকে আবার বলে ওঠে, আরে মিয়া তোমার মেয়ের সুখ কি তুমি চাও না, তাছাড়া তুমিও তো সুখ পাবে, এক ঢিলে দুই পাখি, ভেবে-চিšে— দেখো একবার, বড় একখান সুযোগ পেয়েছো বটে, হাতছাড়া করো না মিয়া...
গেন্দু বিদেশী মদের বোতল দেখেও রাজি হয়নি, ব্যাপারীর গলা ভরা মিষ্টি কথায় ভুলে যায়নি এতোটুকু। তবে প্রতিবাদ করবার সাহস দেখাতে পারেনি। নিতাš— নিরীহ গেন্দু মিয়া মাথা নিচু করে ব্যাপারীকে সালাম ঠুকে ঘর থেকে বেরিয়ে আসে। তারপর ঝুপড়িতে বসে সন্ধ্যা থেকে মাঝরাত্রি অবধি ৭/৮ গ্লাস বাংলা মদ গোগ্রাসে গিলেছে,ব্যাপারীর কথা শুনে গেন্দুর মনে হয়েছে, সত্যিই পৃথিবী বাসের অযোগ্য এখন, এখানে মানুষ হয়ে বেঁচে থাকা বড় কঠিন, পশু-জানোয়ারের আস্তানা হয়ে যাচ্ছে দিনকে দিন। অমানুষের মাঝে মানুষ কি কখনো মাথা উঁচু করে বাঁচতে পারে, অবশ্যই পারে না। আর এখন বউ জয়তুনের কাঁটা ঘায়ে নুন ছিটানোর মতো কথা শুনে ঘর থেকে বেরিয়ে পড়েছে সে। বন-জঙ্গলে সাপ-বাঘ থাকে সত্যি কিন্তু বনের ভেতরে তাদের যে ধর্ম আছে মানুষের লোকালয়ে ব্যাপারীদের সে ধর্মও বিলকুল নেই। হোঁচট খেয়ে রাতের অন্ধকারে বেশ কয়েকবার উল্টে পড়ে গেন্দু, পায়ের আঙ্গুলের মাথা ছিঁড়ে রক্ত ঝরে যায়, তারপরও খুব ভালো লাগে ওর, কি আর করবে সে, পায়ের রক্ত হাতের ডগায় নিয়ে একটু চেঁখে দেখে, সত্যিই মানুষের রক্তের অন্যরকম একটা স্বাদ, যে স্বাদ তামাম ব্যাপারীরা আস্বাদন করে যুগ-যুগ ধরে, এই কারণে রক্তখোর ওই মানুষগুলো রক্তের পিপাসায় হাহাকার করে। রক্ত কেনো যে খাওয়ার জিনিস হলো না, যদি হতো তাহলে সবাই মিলে শুধু রক্ত খেতো, এমন হাজারো চিন্তা মাথার ভেতর কিলবিল করে গেন্দেুর।
গেন্দু মিয়ার পায়ের আছড়ে শীতও যেন হার মানে, শ্রান্ত অবসন্ন দেহ নিয়ে ডানা ভাঙা কবুতরের মতো গেন্দু মিয়া ছুটছে, পেটে ক’ দিন যে ভাত পড়েনি তাও মনে নেই ওর। গ্রাম উজাড় হয়ে গেছে, আবাদি ফসল চোখের সামনে ভেসে গেলো, মানুষ শুধু মরা গাছের মতো দাঁড়িয়ে দেখে, বন্যা আকাল বন্যা সব কিছুই ছিনিয়ে নেয় আলীবাবার সেই ডাকাত সেজে। গ্রামের মেয়ে-বউরাও ইজ্জতকে পুঁজি করে রেললাইন ধরে এগিয়ে যাচ্ছে শহরে, সেই ডাকাত শহর যেন হাত বাড়িয়ে ডাকছে, সব কিছু ছিনিয়ে নেবে, শহর তো সেজন্যই বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে, শত-শত গ্রামের মানুষকে আশ্রয় দেবে, বাঁচার তাগিদে মানুষ ছুটছে...ছুটছে... মানুষের মিছিল, মিছিল যেন চলছে, কোথায় এর শেষ তা কেউই জানে না। একটা কিছু হবে, একটা কিছুর জন্য মানুষ সব অপেক্ষায়, কিন্তু কি হতে যাচ্ছে কেউ জানে না।
আর কিছুক্ষণ পরই পূব আকাশে সূর্য পা ছড়িয়ে বসবে, রাতের কালো অদ্ভুত আবরণ এক নিমেষে হারিয়ে যাবে। দিনের আলোতে চিকচিক করবে মেঠো পথ, কলাপাতার বুকে জমে থাকা শিশির ওই আলোয় ঝিলিক দেবে, বাঁশঝাড়ের মাথায় সূর্যের আলো গড়াগড়ি দিলে দিন যেন আরো মহনীয় হয়ে উঠবে, গেন্দু মিয়ার তাতে কি যায় আসে আর। সে ছুটছে...তার সাথে আরো শত-সহস্র গেন্দু মিয়া, জয়তুন-মার্জিয়া-নয়াবালী-কারিনা-ফজু-নইফন-সফুরা-আমবিয়া-ময়নার নানী-রোজীভাবী-কমিলা...সবাই ছুটছে-ছুটছে-ছুটছে...দূরে রেলগাড়ির হুইসল শোনা যাচ্ছে। আর কিছুক্ষণ পরেই রেলগাড়ি সামনে এসে দাঁড়াবে, মানুষ বাদুড়ঝোলা হয়ে শহরে যাবে। শহর বুক পেতে দাঁড়িয়ে আছে, অনেক-অনেক দূরে এক অজানা-অচেনা শহর, মানুষ সেই শহরের দিকে ছুটছে, রেললাইন শিশিরে ধুয়ে গেছে, বাতাসে মাটির সোঁদা গন্ধ, বনতুলসীর গন্ধ, নিমফুলের গন্ধ...
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
  • প্রজ্ঞা  মৌসুমী
    প্রজ্ঞা মৌসুমী প্রথম প্রথম পড়ে মনে হচ্ছিল এ গল্পতো চেনাশোনা... আপনি যেমন বললেন শত-সহস্র গেন্দু মিয়া...'গেন্দু মিয়ার পায়ের আছড়ে শীত' এখান থেকে শুরু করে শেষ শব্দ অবধি শব্দের ব্যবহার, রূপক, দৃশ্য বর্ণনা আমার কাছে অনবদ্য লেগেছে। অনেক শুভ কামনা
    প্রত্যুত্তর . ২৮ এপ্রিল, ২০১৪
  • আপেল মাহমুদ
    আপেল মাহমুদ পরিনত হাতের লেখা। হৃদয় ছুঁয়ে গেল।
    প্রত্যুত্তর . ২৯ এপ্রিল, ২০১৪
  • এফ, আই , জুয়েল
    এফ, আই , জুয়েল # অনেক সুন্দর একটি লেখা ।।
    প্রত্যুত্তর . ২৯ এপ্রিল, ২০১৪