বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ৪ জানুয়ারী ১৯৮৯
গল্প/কবিতা: ২টি

সমন্বিত স্কোর

২.৫৭

বিচারক স্কোরঃ ১.০৭ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ১.৫ / ৩.০

কবিতা - আলস্য (জুলাই ২০১৬)

মোট ভোট প্রাপ্ত পয়েন্ট ২.৫৭ জীবন ভেলা

আজহারুল ইসলাম সোহাগ
comment ৫  favorite ০  import_contacts ১২৫
অতীতের দিন গুলো ভাবতে ভবতে
যখন আর পারছিলাম না,
মনের গহ্বর পটের দিকে
ফিরে তাকালেই মনে হত,
কবে পাব দেখা তার।
সে দিন এমনি করে তোমার সাথে
দেখা হয়ে গেল,
চলতে চলতে চলার পথে।
তোমার ছবিটা যখন
রূপোর পরতে বাধা অ্যালবামে,
তোমায় প্রথম দেখেছিলাম
সে থেকে ভাল লাগা।
তোমার সাথে কথা বলতে গিয়ে
মোটেও ভয় করেনি,
শধু ভেবেছিলাম তুমি আমায়
কিভাবে নিবে।
তোমার নাম ধরে যখন ডেকেছি,
হয়ত অনেক চমকে গিয়েছ,
জানিনা আমায় চিনতে পেরে
তুমি কি ভেবেছিলে তখন,
দূর আলাপনের সময় যা ভেবেছিলে
মনের কল্পনাতে,
হয়ত কল্পনাতে আঁকা ছবির
কোন মিলই খোজে পাওনি।
তুমি খুব লজ্জা পেয়েছিলে;
আমি তোমার হাতে হাত
রাখতে চেয়েছিলাম,
যদি হাটতাম তখন না হয়
বা হাতটা ধরতাম,
বসে থাকলে কি বা হাত ধরা যায়
যদি তুমি আমার সামনে থাক?
আমার মনের কথা তোমায় বলেছি
কিন্তু তুমি কেন যে না করে দিলে,
এখনো ভাবতে নিলে আমার
এক কাল ফুরিয়ে যায়।
তারপরত আমরা ভাল বন্ধু ছিলাম,
তাইনা, আমার আকাশে বৃষ্টি হয়ে
তুমি ঝরতে ছিলে অবিরাম।
কিন্তু জন্ম আমার চলে গেল
ভেবেছিলাম ডাকবে তুমি,
আদর করে একটু ওরে,
সব যে আমার বৃথা গেল।
একাত্তরের গিয়ে আমি
তোমার মাঝে লোকিয়ে ছিলাম,
অধরের ধংশন তোমার গোপন বুকে
আগুন জালাতে বেশী সময় লাগেনি,
কিছুক্ষণের মধ্যেই তুমি সে ধংশনে
হাড়িয়ে গেলে।
অবিরাম পথের যাত্রায়।
তোমায় নিয়ে ঘুড়তে যাওয়া
নদীর পার বেয়ে ও পারের গ্রামে।
সে থেকে তুমি আমার
বন্ধুর চেয়েও অনেক কিছু
হয়ে গেলে এ হৃদয়ে।
তুমি কি জান
তোমার তাপ বিদ্যুত কেন্দ্রে
কতাটা জ্বালনী লাগে,
বাষ্প উৎগিরণ করতে।
বাষ্পের শেষ ফোটা পর্যন্ত
উৎগিরণ করতে কতটা তাপের প্রয়োজন,
আমি বুঝে ছিলাম সে দিন,
তোমার তাপ বিদ্যুত কেন্দ্র সচল রাখতে
আমার কতটা জ্বালানী খরচ হয়েছে।
সে উৎপাদিত বিদ্যুতের মত
আমার ভালবাসা ও গতি পেল,
বিদ্যুতের বেগের মত।
বিদ্যুত ক্ষণেকে ফুরিয়ে যায় একে ধরা যায়না,
তাতে আবার জ্বালনী পুড়ানোর
দরকার পরে।
জ্বালনী ফুরিয়ে যায় তাতে কি,
কুয়ার পানির মত জমিয়ে রাখি,
আমাকেই যে তোমার তাপ বিদ্যুত কেন্দ্র
জিয়িয়ে রাখতে হাবে।
তোমার ঢং, তোমার রং,
তোমার হাসি, তোমার চাহনি,
আমি হাড়িয়ে যায় অতল গহীনে।
তোমার ভাঙ্গা ভাঙ্গা কান্নার স্বর,
আমায় অস্থির করে রাখে।
আর ভাবি তোমায় বাসব ভাল,
করতে আপন আরো আপন।
তোমর মুখে ভালবাসার ডাক
শুনলে আমি বিভোর হয়ে যায়।
তোমার কথা না শুনতে পেলে,
রাত্রি আমার না যে ফোরায়।
আসছে সে দিন, যে দিন;
তুমি হবে লক্ষি আমর এ হৃদয়ে ।
আমার প্রণের মাঝে কারবে খেলা
বেলা-অবেলা,
এখন আমার স্বপ্ন শধু তোমায় ঘিড়ে,
সে স্বপ্নে আসব মোরা,
জাগব মোরা সাত-সকালে
এভাবেই করব মোরা,
প্রাণের খেলা দোহার মাঝে।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন