বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১ ফেব্রুয়ারী ১৯৭৮
গল্প/কবিতা: ১২টি

সমন্বিত স্কোর

৪.০৯

বিচারক স্কোরঃ ২.২৯ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ১.৮ / ৩.০

অভিসার

প্রেম ফেব্রুয়ারী ২০১৭

আঁধারে আমাকে থাকতে দাও

প্রেম ফেব্রুয়ারী ২০১৭

পাহারা ও নিভে যাওয়া হারিকেন

কি যেন একটা জানুয়ারী ২০১৭

কবিতা - তীব্রতা (আগস্ট ২০১৬)

মোট ভোট ১৮ প্রাপ্ত পয়েন্ট ৪.০৯ অন্তর অবরুদ্ধ কারাগার

কাজী জাহাঙ্গীর
comment ১৯  favorite ২  import_contacts ২২৫
হৃদয়টা ফিলিস্তিনের মত অধিকৃত প্রান্তর এখন
আবেগের পাতাটা বুলেটে বুলেটে ঝাঝরা,
অনুভূতির খাঁজগুলো কোঁকড়ানো লবন খাওয়া ‘জোঁক’ আর
রক্তের হিমোগ্লবিন কণা ছড়িয়ে ছিটিয়ে
বাতাসের সাথে ব্যাপন ক্রিয়ায় উম্মুক্ত হয়ে পড়েছে
সেনানিবাসের ঝোপে পড়ে থাকা নিথর ‘তনু’র মতন।
ভালবাসা, গভীর আস্থায় যে্খানে বিশ্বাসটুকু জমা রেখেছিলাম
ফুটু হয়েগেছে সেই আস্থার ‘বাংলা ব্যাংক’
আর দাঁত কেলিয়ে হাসে রাস্ট্রীয় দারোয়ান ।
“এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম”
সেই বজ্রকন্ঠ মনের মধ্যে তোলপাড় করে শুধু
মুক্তির পতাকা’টারে খুবলে খুবলে খায় আজ
একাত্তরের পথ বেয়ে গজিয়ে উঠা ‘লেন্দুপ দর্জি’রা।
আমি নিরস্ত্র নির্মোহ নাগরিক
তীব্র দেশপ্রেম আমাকে দহনে দহনে জর্জরিত করে চলে
ইচ্ছে করে একটা প্ল্যাকার্ড নিয়ে প্রেস ক্লাবের সামনে দাড়াই
কিন্তু আমাকে জাপটে ধরে আছে মীরজাফর, জগতশেঠ, উমিচাঁদ’র সেপাই’রা বন্দুকনলে।
চেতনার অধিকৃত মাঠে তাই তীব্র আকাঙ্ক্ষায় ছটফট করি শুধু আর দেখি
“নির্ঝ্রের স্বপ্নভঙ্গ’’ আমাকে হাতছানি দিয়ে শেখায়
“হেথায় হোথায় পাগলের প্রায়
ঘুরিয়া ধুরিয়া মাতিয়া বেড়ায়
বাহিরিতে চায়, দেখিতে না পায় কোথায় কারার দ্বার” ।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন