বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ২৪ অক্টোবর ১৯৯৫
গল্প/কবিতা: ৬টি

সমন্বিত স্কোর

৪.১৮

বিচারক স্কোরঃ ২.৩৮ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ১.৮ / ৩.০

ভালোবাসা সবই পোড়ায়

ফাল্গুন ফেব্রুয়ারী ২০১৬

বেঁচে থাক স্বপ্নেরা আমি মরে যাই

রাত মে ২০১৪

বদলে যাওয়া শৈশব

শৈশব সেপ্টেম্বর ২০১৩

শুন্যতা (অক্টোবর ২০১৩)

মোট ভোট ২৭ প্রাপ্ত পয়েন্ট ৪.১৮ শূন্যতা এবং সে

নাজিয়া জাহান
comment ১৫  favorite ০  import_contacts ৫০৬
যখন বিকেলের রোদ এসে পড়ে পাশের ছাদে
যখন অসীম নীলাকাশ ধীরে ধীরে ঢলে পড়ে
অন্ধকারের মায়াবী কোলে
তখন সে নিঃসীম শূন্যতার হাত ধরে
উদাস বায়ের উদাসীনতায় দূ্রে হারায়,
নিজেকে সমর্পন করে বিরহের ছলে।
তার নীল শাড়ির আঁচল উড়ে ছুঁতে চায়-
অন্তহীন নীলিমার প্রগাঢ় শূন্যতা।
আঁকাবাকা অসংখ্য অক্ষরে লিখে যায়-
অচেনা বিস্মৃত কারো কথা, চেনা কোন প্রিয় মুখ
রঙ্গীন কোন দিন অথবা প্রিয় কোন মুহূর্ত
বিবর্ণ অথচ সাদাকালো স্মৃতির নিকৃষ্ট টান-
তার এলোমেলো উড়ন্ত কালো চুলের সাথে
মুহূর্তেই নিরর্থক শূন্যতার তলহীন অতলে এসেও
অসমাপ্ত আর অব্যক্ত রয়।

যখন রাতে তারার মেলা বসে
নক্ষত্রের নিভু নিভু আভা মুক্তো জ্বালে
যখন চাঁদের জোছনায় জোয়ার আসে
জোছনার প্লাবনে মেঘের ঠোটে হাসি ফোটে,
তখন তার দীর্ঘশ্বাসে অপ্রাপ্তির ছোঁয়া
প্রাপ্তিহীন প্রত্যাশা দূরের ধুলোর পথ ছেড়ে
সাদাকালো রঙে আঁকিবুকি করে।
অসমাপ্ত স্বপ্নের দুর্নিবার স্পর্শ-
তার সকল সুখের আনন্দ লুটে।

বর্তমান হঠাৎই অতীতের পথে চলে
বিস্মৃত স্মৃতির অতল থেকে গভীর বিষাদ নিয়ে
একটি কন্ঠের এলোমেলো শব্দ তৈরী করে
দুঃস্বপ্নময় মৃত্যুর বিভ্রম, যে বিভ্রম
অনুভূতির দেয়ালে বেখেয়ালে আঁকে
নিঃসীম রিক্ততার প্রতিচ্ছবি।
ক্লান্তি-ব্যথা আঁকে,ভয় আঁকে শুধু ঘুম আঁকেনা
কঠিন বিষন্নতা শূন্যতায় অবসাদ আঁকে।

যখন রাত আরো গভীর হয় নিমগ্ন ধ্যানে
প্রকৃতি নিজেকে আবদ্ধ করে আঁধারের মায়াজালে
যখন অন্ধকারে নিদ্রাদেবী ছুঁয়ে দেয়
ঘুমন্ত শহরবাসীর ক্লান্ত চোখ,
তখনও সে বেদনাহীন অনন্ত বেদনার পথে।
অশ্রুজল সিক্ত ঘুমহীন চোখের পাতায়
যত্ন করে আঁকা সুখের কাজল ধুয়ে মুছে যায়।
হাওয়ায় কাতর শ্বাসের সাথে মিশে-
একাকার হয় তার অশ্রুপূর্ণ আহবান।
আকাশের পানে নিষ্পলক চেয়ে সে স্থির বসে থাকে
তার নীল শাড়ির আঁচল উড়ে
দিগন্তে বিলীন শূন্যতার পথ ধরে।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
  • হাসান  ইমতি
    হাসান ইমতি বেশ লাগলো কঙ্কাবতী । আমি অল্পদিন হল এখানে এসেছি, একটি জিনিস কি একটু বলবে, ওদের নিয়মে লেখা আছে কবিতা ২০ লাইনের মধ্যে হতে হবে তাই আমি বড় কবিতা দেইনি, এভাবে ২০ লাইন বেধে দিলে তো ভাল কবিতা দেয়া কষ্টকর, তোমার এটিও তো অনেক বড়, তাহলে কি ঐটি একটি সাধারন কথা যা প্...  আরও দেখুন
    প্রত্যুত্তর . ২৪ অক্টোবর, ২০১৩
    • নাজিয়া জাহান ami nijeo janina ekhane 20 line er moddhei kobita likhte hoi na ki na..tobe sobiy 20 line korei kobita dei..ami dekhlam 20 line er boro kobita nei ki na tai eta dilam..ekhn dekhchi niyeche..ami addmission test niye r boiypora niye bz to tai ekhn kichu likhchina..likhlei bangla kobitai asbo...
      প্রত্যুত্তর . ২৯ অক্টোবর, ২০১৩
  • এফ, আই , জুয়েল
    এফ, আই , জুয়েল # কবিতা খুবই ভালো হয়েছে । একটু বড় হলেও মন্দ না । বয়স আর আবেগের সাথে এর চলার গতিটা ----অসাধারণ ।।
    প্রত্যুত্তর . ২৮ অক্টোবর, ২০১৩
  • মিলন  বনিক
    মিলন বনিক খুব দীর্ঘ কিন্তু চমত্কার কবিতা....খুব ভালো লাগলো...
    প্রত্যুত্তর . ৩১ অক্টোবর, ২০১৩