বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১ জুলাই ১৯৮০
গল্প/কবিতা: ২১টি

সমন্বিত স্কোর

৩.৭৪

বিচারক স্কোরঃ ২.২২ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ১.৫২ / ৩.০

চাঁদ ধর্ষিতা হয়েছিলো জোস্নাসমুদ্রে

অসহায়ত্ব আগস্ট ২০১৪

চিরচেনা অসহায়ত্ব

অসহায়ত্ব আগস্ট ২০১৪

একদা প্রশ্ন করিল ভ্রাতা

রম্য রচনা জুলাই ২০১৪

রাত (মে ২০১৪)

মোট ভোট ৩৩ প্রাপ্ত পয়েন্ট ৩.৭৪ রাতকুমারী কথাকাব্য

সকাল রয়
comment ২৫  favorite ৩  import_contacts ৬৩৯
ভরা পুকুরের হাজার তারার মতো গা বাঁচিয়ে পা ফেললাম তোমার চৌকাঠের উপর। আজ সময় যখন কাটছে কিংবা যাচ্ছে কেটে নিশ্চুপতায়! বোধকরি ভাঙ্গতে তন্দ্রা কণ্ঠে খেললে ঝরনা কথার সুর
-এদ্দিন পর কেন এলো? তেষ্টা মেটাতে?
- দেখো না হাজার তারার পুকুরে তো কম পানি নেই; তবুও তেষ্টা মেটে না। ভেতরে ক্যামন যেন শূন্য শূন্য লাগে!
-তাই ভরাতে এলে
-সাগরের অপরিসীম জলরাজ কে কি হাজার কলসি পানি ঢেলে ভরাতে পারবে?
-তবে কেন এলে ক্ষুদ্র নদীর ধারে
-এলেম বিন্দুকে পূর্ণ করতে
-আমি বুঝি বিন্দু?
-চরণ ফেলে হেটে যাওয়া পথের পর পথ কিংবা ফেলে যাওয়া তিন-চার ক্রোশ পথে পায়ের চিহ্ন রেখে গেলে উল্টো পথে ফিরে এসে কি একই রকম পাওয়া যায়?
-তারা যতই বিশাল হোক আকাশ ছাড়া তার কোথাও ঠাই নাই
-দহন দিয়ে ছিলে আনন্দ জমা রেখে, অশ্রু দিয়ে ছিলে হাসি জমা রেখে আর এখন এসেছো বিন্দু পূর্ণ করতে? পারো শুধু ফস্ করে জ্বলে উঠতে কিন্তু একটানা জ্বলে যেতে পারো না; এরই নাম পুরুষ!
দূরে আযানের ধ্বনি কাঁপিয়ে দিলো শ্যাওলা দেয়াল। আমি নিরবতা পাশ পকেটে ফেলে কথার আগুন গোলা নিলাম হাতে। ফিরে যেতেই হবে। অভিমানে কে কবে কষ্ট আঁচ করতে পেরেছে? টিকটিকিটা হঠাৎ শব্দ করে উঠলো- যাও পথিক এ গাঁয়ে ঘুড়ি উড়ে না নাটাই খেয়েছে ঘুনে। হাওয়া থেমে আছে আজ শ্রীলক্ষীর দুয়ারে। তেতো রয়ে ছিলো যে বিষ তা চেখে দেখা হয়নি। ছিলো আফসোস পূর্ণ হলো এই রাতে। শ্রীলক্ষী অভিমানী আজ করলো না কানাকানি, কিছুতেই ভুলের কথা চুলের মতো সরিয়ে দিতে পারলাম না কপাল থেকে কে যেন রেখেছে একে অভিমানী প্রতিমা।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন