বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১৭ জানুয়ারী ১৯৭৯
গল্প/কবিতা: ৭টি

সমন্বিত স্কোর

৩.০৮

বিচারক স্কোরঃ ১.৪ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ১.৬৮ / ৩.০

যিশু

শুন্যতা অক্টোবর ২০১৩

আমার আপনার যিশু

অন্ধকার জুন ২০১৩

বিয়ে-সংক্রান্ত ব্যক্তিগত জটিলতা

পরিবার এপ্রিল ২০১৩

স্বাধীনতা (মার্চ ২০১৩)

মোট ভোট ২৮ প্রাপ্ত পয়েন্ট ৩.০৮ নিষিদ্ধ

চতুর্মাত্রিক পরিচয়
comment ১৯  favorite ২  import_contacts ৭১৬
লোকটি সকালে তার মার্বেল খেলারত ৩/৪ বছরের শিশুটিকে আদর করার সময় মাকে শুনিয়ে বলেছিল, ‘আমার ছেলেকে আমি ডাক্তারি পড়াবো’। মা বলল, ‘এতো আদর ভালো না’। আর কোন বাচ্চা নেওয়ার ইচ্ছা লোকটির নেই। একমাত্র বাচ্চাটিকে মানুষের মতো মানুষ করতে পারলেই তার জীবনের সার্থকতা।

শিশুটি তাদের বিল্ডিংয়ের ছাদে তার মতো আরেকটি শিশুকে বেলুন ফুলিয়ে খেলতে দেখে তাকে একটা বেলুন কিনে দেওয়ার জন্যে মাকে বলল। মা তাকে কেনে দেবে বলে আশ্বস্ত করল।

লোকটি (অফিসের কাজ সেরে ফেরার সময়) ডিসপেনসারি থেকে এক প্যাকেট কনডম কেনে বাসায় ফিরল।

পরদিন সকালে শিশুটি মায়ের ব্যাগ হতে মার্বেল বের করার সময় একপিচ কনডম হাতে নিয়ে নিল। প্যাকেটটির ভেতরে খাবোরের কিছু আছে মনে করে কাজটা সে করল। (প্যাকেটটি ছিঁড়ে) বেলুন মনে করে সে ছাদে নিয়ে ফোলাতে লাগল।

ছাদে কাপড় শোকাতে দিতে গিয়ে মা তা দেখে বলল, ‘সুমন, এটা কোথায় পেলে’? শিশুটি বলল, ‘মা, তোমার ব্যাগে, মার্বেল খুঁজতে গিয়ে পেলাম’। মা তার হাত থেকে তা কেড়ে নিয়ে বলল, ‘ইচ্, এগুলো খেলনা নয়, এগুলো দিয়ে পিঁপড়া মারা হয়’।

মা বাসায় এসে বাকি পিচগুলো শিশুটির নাগালের বাইরে লুকিয়ে রাখল।

শিশুটি ঘরে এসে মায়ের ব্যাগে আর কোন কনডম পেলো না। সে দৌড়ে গিয়ে মাকে বলল, ‘আম্মু, ঐ পিঁপড়া মারার বেলুনগুলো তোমার ব্যাগ থেকে কে নিয়ে গেছে! আব্বুও ঘরে নাই’। মা বলল, ‘চোরাইয়া নিয়ে গেছে’।

শিশুটি বিকেলে পাশের বাসার ঐ শিশুটিকে চুলের বিনিময়ে এক বেলুনবিক্রেতার কাছ থেকে বেলুন কিনতে দেখেছিল। সে বাসার ময়লার ঝুড়িতে মায়ের চূল খুঁজতে গিয়েছিল। একগাদা চুল পেল, সাথে পেল একটা স্যাঁতস্যাঁতে কনডম। মাকে ডেকে বলল, ‘আম্মু, চোরাইয়া একটা বেলুন ঝুড়িতে ফেলে গেছে, দেখে যাও’। এই বলে সে ঐ চুলগুলো নিয়ে বেলুনবিক্রেতার উদ্দেশে দৌড় দিল।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন