বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১ জানুয়ারী ১৯৬৬
গল্প/কবিতা: ৮৪টি

প্রাপ্ত পয়েন্ট

শেকড়ে

আমার আমি অক্টোবর ২০১৬

গোধুলী

আমার আমি অক্টোবর ২০১৬

আধুনিক দাস

এ কেমন প্রেম? আগস্ট ২০১৬

গল্প - এ কেমন প্রেম? (আগস্ট ২০১৬)

নগরের কবি ও ডাকবালিকা

এনামুল হক টগর
comment ১  favorite ০  import_contacts ১১৪
আল্লাহর প্রেম-পরশের গভীর আঁধারভরা রাত্রির। আকাশে পূর্ণিমার চাঁদ উঠেছে, সাথে সুর লহরীর বিচ্ছেদ বেদনায় জ্যোৎস্নায় নগরের রাস্তা ও মহল্লাগুলোকে আলোকিত করেছে আর বিদ্যুৎ আলো যেন তার সাথে নব মিলন ঘটিয়ে সত্যের ও মহাজ্ঞানের রবকে খুঁজছে।
নগরের মাঝ দিয়ে ইছামতি নদী। তার উপর নতুন ব্রীজ। এই ব্রীজের উপরই দাঁড়ায়ে আছে নগরের দামী বেশ্যা কমলকলি। কালো বিত্তবানদের কাছে তার দেহের অনেক মূল্য। প্রায় প্রতিরাতেই তার শরীর অনেক টাকার বিনিময়ে বিক্রি হয়।
এভাবে সে অনেক অর্থের মালিক হয়েছে। নগরের কবি আব্দুল হামিদ সড়ক দিয়ে নদীর ব্রীজের দিকে হেঁটে আসছে। ইছামতির পশ্চিম দিকে দরবেশদের দোয়া মাহ্ফিল হচ্ছে। মজলিস থেকে যেন আল্লাহর অর্š—গ্রাহী পরিশুদ্ধ সত্যবাণী ভেসে আসছে, আর মহাজ্ঞানের অবরহে মিশে আসমান যেন রব জিকিরে ছটফট করছে।
নগরের বেশ্যা সত্যজ্ঞান খুঁজছে। তার ভেতরের জীবনশক্তি অতীতের পাপ থেকে নিজেকে মুক্ত করতে চাইছে। কিন্তু কিভাবে এই মুক্তির পথ আর সত্যের আলো পাবে? সবচেয়ে বড় সত্য যে, ভেদ রহস্যের গভীরে হেজাব! কিভাবে খুঁজে পাবে তাকে?
নগরের কবি ধীরে ধীরে হেঁটে আসছে। রাত আরো গভীর হচ্ছে। কবি রাহমানে প্রেমে দুটি হাত তুলে প্রার্থনা করলো, হে মহান আল্লাহ! আমি, মানব জাতির মধ্যে সবচেয়ে ক্ষুদ্র ও পাপী তারপরও তুমি আমাকে ক্ষমা করার আগে আমার এই প্রিয় জাতি আর পৃথিবীর সকল মানবকে ক্ষমার পথ দেখা ও ধীরে ধীরে ক্ষমা করে দাও।
পৃথিবীর অনাগতকালকে সৌন্দর্য পূর্ণ সাম্যে রূপান্তর করে দাও। মানুষ জাতি যেন সত্য আদর্শে গড়ে ওঠে। তাদের বিবেক যেন সত্য, বিশ্বাসে মজবুত হয়। আর আমার অন্তরের প্রেমিকের সাথে আমার মিলন করে দাও তার বিশ্বাসে আমি যেন মিশে থাকতে পারি তোমার পথইতো সুন্দর ও উত্তম আর সম্মানিত। অন্বেষণে অন্বেষণে আমি যেন এই পথ অতিক্রম করে তোমার মধুর স্পর্শ পাই।
ইছামতি পূর্বদিকে লোভী মোল্লাদের ধর্মীয় সভা হচ্ছে। ওরা সত্য ওলি দরবেশদের শান বোঝেনা। নিজেরা মহত্বের অভিনয় করে আর তাদের অসত্য কথাকে পবিত্র কুরআন এর সত্যবাণীর ব্যাখ্যা দিয়ে টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করছে।
সুন্দর ও মধুর বর্ণনা দিয়ে সভার মানুষগুলোকে শুধুই হাসাচ্ছে। যেন কাঠমোল্লার মিথ্যা রসিক প্রেম। সভার মানুষগুলো উদ্ভট আনন্দে হাসছে। অনেকে আবার মুসলমান হয়ে মুসলমানের দুর্নাম করছে। কিন্তু আমার প্রিয় নবী মোহাম্মদ (সা:)-এর সত্যবাণীতে তো কোন মিথ্যা হাসি নাই। আর মহান আল্লাহ পবিত্র বাণীতে তো কোন নির্লজ্জ রসিকবাণীর বর্ণনা নেই। তবে তোমরা কেন করছো?
নগরের বেশ্যা উভয় পক্ষের বাণীর ব্যাখ্যাই শুনছে। দরবেশদের দোয়ার এশকে তার চোখ দিয়ে রব প্রেমে অশ্র“ ঝরছে আর লোভী মোল্লাদের বক্তব্য শুনে জীবনশক্তি লালসায় ভরে উঠছে।
কবি হাঁটতে হাঁটতে ইছামতি নতুন ব্রীজের উপর গিয়ে দাঁড়ালো এবং দেখলো একজন সুন্দরী নারী দাঁড়িয়ে আছে। এতো রাতে একজন নারী একা দাঁড়িয়ে দেখে কবি বিষ্মিত হলো এবং তার কাছে এগিয়ে গেলো আর বললো, কে তুমি নারী এতো রাতে নির্ভয়ে দাঁড়িয়ে আছো?
নারী চোখ তুলে বললো, ভয় নেই এই নগরের কিছু কালো বিত্তবান আমার পরিচিত তারাই এই নগরের অধিকাংশ সন্ত্রাসীদের নিয়ন্ত্রণ করে।
কবি আকাশের দিকে তাকিয়ে বললো, বিত্তবানরা যদি তোমার পরিচিতই হয় তবে এখানে দাঁড়িয়ে কেন তাদের বিচিত্র রঙের প্রাসাদে গিয়েইতো আশ্রয় নিতে পারো। দেখছোনা এখানে পশ্চিম দিক থেকে দরবেশদের একত্ববাদের পবিত্রবাণী আর পূর্বদিক থেকে লোভী মোল্লাদের কল্পনার মনগড়া বাণী আবার কখনো কখনো পবিত্র কুরআন ও হাদিসের সত্য বাণীও ভেসে আসছে।
সুন্দরী নারী বললো, আজকে অবশিষ্ট রাতটুকু আমি তোমার সাথে এই নগরে ঘুরতে চাই।
কবি বললো, অবশ্যই ঘুরতে পারো সমস্যাতো তাদেরকে নিয়ে যারা সত্য বুঝে না ।
সুন্দরী নারী বললো, সত্য কি?

কবি বললো, নগর ঘুরতে ঘুরতে তুমি তা অনুভব করতে পারবে।
সুন্দরী বললো, তা কিভাবে?
কবি বললো, সময়ের কাছে প্রশ্ন করো আর তোমার ভেতরের বন্ধুকে বলো যাকে তুমি এখনো চিনতে পারোনি। তুমি অন্বেষণ করে তার ইচ্ছেকে জাগিয়ে তুলতে শুরু করো। তার চেতনা ও শান্তির দর্শনতো তোমার ভেতরেই লুকিয়ে আছে। যেমন সত্য দরবেশরা নিজেকে চিনতে পেরেছে আর লোভী মোল্লা ও ভন্ড দরবেশরা নিজেকে চিনতে পারেনি। আল্লাহ নির্জনতার ভেতর এক মহাগুপ্ত রহস্য তার মহাসৌন্দর্যে নিজেকে আত্মসমর্úন করাও। তোমার গোলামী আর দাসত্বের সন্তুষ্টিই রিপুর পর্দাভেদ করে সত্যকে চেনাবে।
তাঁর নূরের দ্যুতিতেই এই মহাজগত আলোকিত ও সৌন্দর্যময়। নিজেকে চিনতে পারলে আশেকের খাতায় তোমার নাম লেখা হবে আর গোপন মহাভুবনের রাজ্যে তুমি প্রবেশের অনুমতি পাবে। যেখানে জাহের ও বাতেনের পরিপক্ক জ্ঞানের মিলনে মহাপ্রেমের সংসার ঘর বাঁধে।
সুন্দরী নারী বললো, আমি তো পাপী প্রতিরাতে দেহ বিক্রি করে টাকা উপার্জন করি। আমি কিভাবে সঠিক সত্য খুঁজবো!
কবি বললো, পৃথিবীতে অসংখ্য মানুষ আছে, এর মধ্যে অনেকেই ইবাদত করে আবার অনেকেই ইবাদত করে না।
সুন্দরী বললো, যারা ইবাদত করে না তাদের তক্বদীরে কি ইবাদত লেখা নেই। আবার যারা ইবাদত করে তাদের তক্বদীরে কি ইবাদত লেখা আছে? ভাল ও মন্দ উভয়ই কি তাঁর পক্ষ থেকে আসে?
রাতশেষের দিকে নগর জ্বলজ্বল করে ফুটে উঠছে, বিদ্যুৎ ও জ্যোৎস্নার আলোয়। আত্মতৃপ্তির ও পৌরুষত্বের বাদশাহীরা আসমান দিয়ে ঘুরছে। নিকটবর্তী আসমানে এসে মহান রব তাঁর বান্দাদের ডাকছে বেহেস্ত নেবে, জ্ঞান নেবে, সম্পদ নেবে, আরো বলছে আমার অফুরন্তর নিয়ামত থেকে তোমরা কি চাও শুধু সত্য জ্ঞান অর্জন করো।
সুন্দরী নারী বললো, সত্য জ্ঞান কিভাবে অর্জন করবো?
কবি মাটির দিকে তাকিয়ে মহৎ ভাষায় উচ্চারণ করলো, দেখছো না পৃথিবীর সব মানুষের ভেতর থেকে কিছু মানুষ বেহেস্তের লোভে ইবাদত করছে, কিছু মানুষ জাহান্নামের ভয়ে এবাদত করছে, আবার কিছু মানুষ ইবাদত করছে না। তার মধ্যে অল্প মানবই আল্লাহর প্রেমে ইবাদত করছে।
সুন্দরী নারী বললো, জান্নাতের লোভ আর জাহান্নামের ভয়েই তো ইবাদত করবে এটাইতো সঠিক হওয়ার কথা।
কবি গভীর অন্তরকে স্পর্শ করে বললো, জান্নাতও আল্লাহর সৃষ্টি, জাহান্নামও আল্লাহর সৃষ্টি আবার মানুষও আল্লার শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি। তাই একমাত্র আল্লাহর পবিত্র প্রেমে ইবাদত করাই সঠিক ও সত্য পথ।
সুন্দরী নারী সত্য অনুভব করার চেষ্টা করছে। কিছুক্ষণ পরেই নগর কোলাহলে জেগে উঠবে। শেষরাতে জেগে ওঠা মানুষগুলো কবিও সুন্দরী নারীকে এক সাথে হাঁটতে দেখছে। কেউ কেউ ভাবছে একজন বেশ্যার সাথে কবি হাটছে কেন? কবি কি সারারাত ওই সুন্দরী নারীর সাথে ব্যভিচারে লিপ্ত ছিল। কবিকে তো সবাই ভালো মানুষই জানতো তবে কেন কবি বেশ্যার সাথে ঘুরছে।
কবির বিচার করতে হবে শরিয়ার আইনে কবিকে শাস্তি দিতে হবে।
সুন্দরী নারী কবিকে উদ্দেশ্য করে বললো, আমি সত্যের স্পর্শ পেতে চাই।
কবি বললো, সেটাতো সহজ।
নারী বললো, কেমন সহজ?
কবি বললো, প্রতিরাতে গোপনে নিজের জন্য ক্ষমা ও করুণা চাও এবং হাত তুলে যাদের তক্কদীরে ইবাদত লেখা নেই তাদের ভাগ্যে যেন আল্লাহ ইবাদত লিখে দেয় আর মহান রবের করুণা দ্বারা পাপ মুক্ত করে দেয়। সালাতের উৎকৃষ্ট গুনাগুণে তাদের অন্তরকে যেন সৌন্দর্য দিয়ে ভরে দেয় ভেতরের অহংকার আর ক্রোধকে যেন বিলীন করে দেয়।
মায়াবিনী শয়তান যেন তাদের বন্দী করতে না পারে আর নবীর রহমতের ছায়াতে যেন সবাই দাঁড়াতে পারে। একজন ক্ষুদ্র দাসের পক্ষ থেকেই এই ফরিয়াদ হতে পারে। অনুগ্রহের বিবেচনাতো শুধুই মহান আল্লাহর হাতেই।
কবির কথা শুনে সুন্দরী নারীর অন্তরে যেন একত্ববাদের কলতান এসে ভরপুর হয়ে যাচ্ছে। আর ভেতরের পশুকে তাড়াতে চেষ্টা করছে। ভেতরের পশু পরাস্ত হলেই গুপ্তরহস্য থেকে প্রেয়সীর মহা-সৌন্দর্য দেখা যাবে। যেন সেই অবয়ব সুরতের পূর্ণ অঙ্গিকার ও সেজদা যা উত্তম ও সর্বশ্রেষ্ঠ হতে পারে।
বলতে বলতে সুন্দরী নারী বিলাপে কেঁদে ফেললো আর বিনয় ফরিয়াদ করলো, ওই দূর ও অন্তর আরশকে লক্ষ্য করে। এশকের তাওহীন প্রেমে জ্ঞান যেন আলো দিয়ে মানুষের অন্তরকে জাগিয়ে তোলে, প্রকৃতির ফুলগুলোকে যেন বিচিত্র রূপ ধারণ করে সৌন্দর্য করে দেয়। কিচির মিচির পাখিরা রব-রব ধ্বনিতে সকালকে জাগিয়ে তুলছে। সুন্দরী নারীর অন্তর সত্যের চেতনায় ছটফট করছে।
জীবনের রনাঙ্গণে যদিও সে পতিতা। কিন্তু ক্ষমা ও করুণার কারণে একত্ববাদের দীপ্তশিখা তাকে যেন ধীরে ধীরে পরিশুদ্ধ করছে। পুত:পবিত্র মহা প্রভুর সৌরভ এসে তোমাকে যেন উত্তম স্বর্গ দেখাচ্ছে। আর বলছে তুমি যেন তপস্যায় তপস্যায় চির সত্যকে চিনতে পারো।
সকালের সোনালি রোদ নগরকে পরিবর্তনে সুন্দর করে তুলছে শরিয়ার আলেম, কালো বিত্তবান ও ভন্ড পণ্ডিতরা কবিকে ঘিরে ধরছে। অসহায় গরিব ও এতিমরা কর্মের সন্ধানে যাত্রা শুরু করেছে।
কবি বলছে, নিঃস্ব ও বঞ্চিতকে অধিকার ফিরিয়ে দাও, শান্তি ও সত্য ধর্মের নীতিকে উপেক্ষা করো না মিসকিনদের খাদ্য ও বস্ত্র চুরি করে নিজের স্বার্থ ও লোভ প্রলুব্ধতায় নিজেকে মিথ্যা ধনবান করে তুলোনা। মনে রেখো, এটা ক্ষীণ সাময়িক জীবন। ভুল করলে অনন্ত জীবনও সময় ব্যর্থ হয়ে যাবে।
নকল মুসল্লী আর ভন্ড চেহারার পণ্ডিত ও বিত্তবানদেরকে কে বুঝাবে। দুনিয়া মনোযোগী ব্যক্তিরা ক্ষোভ ও কামনায় ফেঁটে পড়লো।
কবিকে অশ্লীল ভাষায় গালাগালি ও লাঞ্চিত করতে লাগলো। এদের মধ্যে অনেকেই ওই সুন্দরী নারীর সাথে পূর্বে অনেক রাত কাটিয়েছে। সুন্দরী নারীর অন্তর বেদনায় বিধুর পাথর হয়ে উঠতে লাগলো এবং হৃদয় দিয়ে মহান রবকে বললো, সঠিক সত্য তুমিও জানো আর আমিও আজ রাতে অনুভব করেছি। তোমার সত্য জ্ঞানের অনেক কথা কবি আমাকে কানে কানে বলে দিয়েছে। তুমি তোমার করুণা আর ক্ষমা দিয়ে কবিকে রক্ষা করো।
তোমার সত্য ও পবিত্র বাণী থেকে কবি আমাকে যে জ্ঞান পৌঁছে দিয়েছে তা আমি, উপলব্ধি করছি এবং সালাতের উদ্দেশ্যে দাঁড়াবার প্রতিজ্ঞা করেছি। তোমার প্রেম ও ভালোবাসায় আজ থেকে আমাকে যেন মহৎ করে তোলে । অতীতের পাপগুলো থেকে আমাকে যেন মুক্ত করে দেয়।
কবি বললো, মহান আল্লাহ তোমাকে ক্ষমা করুক আর তার ও নবীর রহমত দিয়ে পৃথিবীর সকল মানুষ ও সৃষ্টিকে আগে ও পিছে তার রিজিক পৌঁছে দিক এবং তিনিই যেন সবার রক্ষাকারী হয়ে যান।
নারী বললো, মহান প্রভু ওরা কবিকে আইনের শাস্তির জন্য ধরে নিয়ে
যাচ্ছে। তোমার হাতেই তো সর্বময় ক্ষমতা তুমিইতো মহারাজাধিরাজ তুমিইতো উদ্ধারকারী তোমার সত্যের শানে কবি জীবনকে উৎসর্গ করেছে, আমাকেও তোমার পবিত্র চরণে স্থান করে দেওয়ার বাণী কানে কানে শিখিয়ে দিয়েছে। তাই আমার শরীর থেকে পাপের কালোদাগগুলো মুছে দাও তোমার দীপ্তশীল জ্ঞান থেকে আমাকে পথ দেখাও আমি যেন কবির মতো তোমাকে ভালোবাসতে পারি, আমি যেন দরবেশ ও মমিনদের অন্তভুক্ত হতে পরি। আর আমার মহাপ্রিয় নবী (সা:) এর প্রশান্ত ছায়ার নিচে আশ্রয় পাই। তার মহত্বের ভেতরইতো তোমার দয়া ও করুণা ভরপুর।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন