বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ৪ মার্চ ১৯৮৪
গল্প/কবিতা: ১৮টি

সমন্বিত স্কোর

৩.৭২

বিচারক স্কোরঃ ১.৮৭ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ১.৮৫ / ৩.০

মৃত্যু ফাঁদ

ব্যথা জানুয়ারী ২০১৫

ভয়

ভৌতিক নভেম্বর ২০১৪

জোনাকির আলোয়

প্রত্যয় অক্টোবর ২০১৪

দিগন্ত (মার্চ ২০১৫)

মোট ভোট ৩৪ প্রাপ্ত পয়েন্ট ৩.৭২ আধারে এতটুকু আলো

নাজনীন পলি
comment ২০  favorite ২  import_contacts ৯৩৫
এক
আজকাল কোন কিছু করার প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলছি । ধীরে ধীরে হতাশায় নিমজ্জিত হয়ে যাচ্ছি । মাথার ভীতর একই শব্দের প্রতিধ্বনি শুনছি তুমি হেরে গেছো,তুমি পরাজিত । যখনই সব নতুন করে শুরু করতে যাই তখনই কোন না কোনভাবে আমাকে সামনে যেতে দিতে চায় না কোন এক অপশক্তি।কেন এমন হচ্ছে আমার সাথে আমাদের সাথে?আমাদের মানে আমি আর আমার স্বামী পল্লভের পিছেই যেন সর্ব শক্তি নিয়ে লেগেছে এক অপশক্তি । এইতো কিছুক্ষণ আগে হাসি ভাবী মানে যাদের বাসায় আমরা সাবলেট থাকি এসেছিল।বলে গেল আগামী মাসে ওর ননদ আসবে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে এ বাসাতেই থাকবে তাই বাসাতে আর সাবলেট রাখবে না। হাসি ভাবীর কথা কতখানি সত্য এ নিয়ে আমার সন্দেহ আছে। বাসা ভাড়া মাসের ১৯ তারিখেও দিতে পারিনি বলেই হয়তো আমাদের আর রাখতে চায়ছে না । এক মাসেই মানুষ এমন রুড় হতে পারে ভাবা যায় না । আগের বাড়ীওয়ালা তারপর ও এদের চেয়ে ভালো ছিল, পর পর তিন মাসের ভাড়া বাকি পড়ার পরই বাড়ি ছাড়ার নোটিস দিয়েছিল । তারপরও আমরা অতিরিক্ত একমাস সময় চেয়ে নিয়েছিলাম । তাছাড়া আগের বাসা ভাড়া ছিল বার হাজার এতো টাকা দিয়ে বাসা ভাড়া করার অবস্থা ও আমাদের আর ছিল না । তারপর এ বাসাটা পেলাম পাঁচ হাজার টাকাতে হোক সাবলেট তারপরও অর্ধেক টাকায় এর চেয়ে ভালো কিছু কি আর হত ?

দুই
আমার আট হাজার টাকা বেতনের সেলস গার্লের চাকরিটা যায় যায় অবস্থা । দেশের অবস্থা ভালো না, তাই বিক্রি নাই ।মালিকের আর দোষ কি?বিক্রি নাই শুধু শুধু এতগুলো সেলস গার্ল রেখে করবে কি । গত সপ্তাহে দুজন ছাটাই হল। এইযে সরকার পক্ষ আর বিরোধী দলের রেষারেষি এতে বলি হচ্ছে আসলে সাধারণ মানুষ । আগের মাসের বেতনটা এখনো পাইনি। আজকেও বাসা ভাড়ার টাকাটা না দিতে পারলে হাসি ভাবি হয়তো গলা ধাক্কা দিতেও দ্বিধা বোধ করবে না । পল্লভের বন্ধুর সাথের ঝামেলাটা এখনো মেটেনি । আমার স্বামীটা এমনই সহজ সরল যে বন্ধুর সাথে ব্যবসা করে কিন্তু নিজের পার্টনারশিপের পেপারস গুলো বুঝে নেয়নি আর এই সুযোগটা নিয়েছে ওর ধুরন্ধর বন্ধু । ছয় মাস হতে চলল পল্লভের হাতে কোন টাকা নাই । ওর বন্ধুর সাথে ব্যবসার শুরুটা ভালই ছিল।ব্যবসার মূলধনের যোগান দিবে বন্ধু আর পল্লভ কাজ করবে । লাভের ৪০% পল্লভ পাবে এমন শর্তেই ব্যবসাটা শুরু করেছিলো ।সাত আট মাসের মাথায় জানা গেল ওর বন্ধু সব বিক্রি করে বিদেশ চলে গেছে এবং পল্লভের পার্টনারশিপের কাগজগুলো নকল । গত ছয় মাস ধরে কেস চলছে কিছুই সমাধান হয়নি । তাছাড়া কেস চালাতে পয়সা লাগে, মামার জোর থাকা লাগে আমাদের যে দুটোর কোনটাই নেই ।

তিন
কাল ব্যাংক থেকে শেষ সম্বল বিশ হাজার টাকা থেকে অর্ধেকটাই তুলে এনেছি। বাসা ভাড়া, বাজার করা আর পল্লভের একটা হেলথ ইনস্যুরেন্স আছে সেটার প্রিমিয়াম দেওয়ার পর আর এক পয়সা ও হাতে নেই । চাল, ডাল, সবজি সব কিছুরই এতো দাম ! ১৫০টাকা দিয়ে আধা কেজি মলা মাছ কিনেছি আর ৪০টাকা দরের মোটা চাল সাথে পেয়াজ মরিচ রসুন সবজি তো কিনতেই হয় । ভাবছি তেল মশলা ছাড়া রান্না শিখবো , সিদ্ধ খাবার সাস্থের জন্য ও ভালো !
আজ খেতে বসে কান্না পাচ্ছিলো অনেক কষ্টে নিজেকে সামলেছি ।হাসি ভাবীর ঘরে বিরাট আয়োজন ছেলের জন্মদিন সম্ভবত । আমাদের কে বলেনি তবে কথাটা কানে এসেছে তাছাড়া বিরানির গন্ধ ভেসে আসছে । পল্লভ খেতে বসে এমনভাবে মলা মাছের কাঁটা ছাড়াচ্ছে যেন বিরাট আকৃতির কোন মাছ খাচ্ছে আর নাকে নিশ্চয় বিরানির গন্ধ যাচ্ছে । বিরানি পল্লভের ভীষণ প্রিয় আর ছোট মাছ তো ও খেতেই পারে না ।মনটা খুব খারাপ, হাসি ভাবীর ঘরে বিরানি হবে জানলে একটু পোলাওর চাল আর মাংসই আমিও কিনেই আনতাম । নিজেকে এমন অসহায় লাগছে ।

চার
পল্লভ আজকাল খুব চুপচাপ থাকে এমনিতেই ও খুব চাপা স্বভাবের তারপর একটার পর একটা ঝামেলা লেগেই আছে । ওর আর এক বন্ধু বলছে তার সাথে ব্যবসা করতে কিন্তু ওর ওই বন্ধুটাকে আমার কিছুতেই পছন্দ হয় না । একবার আমাদেরকে বাসায় দাওয়াত দিয়েছিল কেমন যেন ছোক ছোক করে তাকাচ্ছিল আমার দিকে আর ডার্টি জোকস শুনে আমার কান লাল হয়ে যাচ্ছিলো ।তাছাড়া ওই বন্ধুর এক্সপোর্ট ইম্পোর্ট বিজনেস পল্লভকে কিছুদিন পর পর দেশের বাইরে যেতে হবে সব মিলিয়ে অফারটা আমার ভালো লাগেনি ।পল্লভ অনেক প্রতিষ্ঠানে সিভি দিয়েছে কেন জানি কেউ ইন্টার্ভিউ জন্য ডাকছে না ; দু’একটা যাও ডাক পড়েছে কিন্তু চাকরি দেয়নি । আমি ও তো চাকরির জন্য কম চেষ্টা করছিনা ।একটা কলেজে লেকচারার পদে পরীক্ষা দিয়ে এসেছি আজ ভাইভা কার্ড এসেছে জানিনা শেষ পর্যন্ত কি হবে ?

পাঁচ
এ মাসের প্রায় শেষ হতে চলল আর আজ বেতন পেলাম গত মাসের । বেতনের সাথে চাকরি চলে যাওয়ার খবরটা ফ্রি পেলাম । যা ধারণা করেছিলাম তাই বিক্রি ভালো না তাই আমাকে আর আরেক জনকে আজ ছাটাই করলো । এ মাসের যে প্রায় শেষ এতোগুলো দিন কাজ করলাম বেতন কবে দেবে বা আদৌ দেবে কিনা জানিনা ।
খুব মাথা ব্যথা করছে ।দুশ্চিন্তা এসে ভর করছে । সামনের মাসে কোথায় গিয়ে উঠবো ?এ মাসের আর ৭ দিন আছে । ৭ দিনে কোন বাসা খুঁজে পাওয়া মুশকিল হবে । হাসি ভাবী হয়তো সামনের মাসটা থাকতে দিবে, অবশ্যয়ই টাকার বিনিময়ে। ঘরের দিকে তাকিয়ে দুশ্চিন্তা আরও বেড়ে গেলো ।প্রথম দিকে এখানে এক রুমে থাকতে খুব খারাপ লাগতো । আগের বাসাটা কত সুন্দর করে সাজিয়েছিলাম। এখানে এক রুমের মধ্যে চেপে চেপে রাখা হয়েছে একটা খাট, ফ্রিজ, টিভি,আলমারি , বুকশেলফ, কম্পিউটার আর একটা চেয়ার টেবিল । খাটের নিচটাতে হাড়ি পাতিল। এখানের রুমটা বড়ই ছিল সব কিছু রাখা গিয়েছে ।এতো বড় রুম কি আর পাওয়া যাবে আর জিনিস গুলো নেওয়া তো অনেক ঝামেলা । কি করবো কিছু ভাবতে পারছিনা । পল্লভ সকালে বের হয় আর আসে সেই সন্ধ্যার পর । আজ দেখলাম একটা কুঁচকানো শার্ট পরে বের হয়েছে ।ও সবসময় পরিপাটি থাকতে পছন্দ করে কিন্তু লন্ড্রিতে কাপড় দেওয়ার পয়সা কোথায় ? আস্তে আস্তে আমাদের সব বিলাসিতা বিসর্জন দিতে হচ্ছে জানিনা সামনে অতি প্রয়োজনটুকু মেটাতে পারবো কিনা । কিছুক্ষণ পর পল্লভ আসবে । সারাদিনের এই সময়টুকুই যা একটু ভালো লাগে। পল্লভের বুকে মাথা রাখলে যে শান্তি পাই তা কিছু সময়ের জন্য হলেও সব দুঃখ অভিযোগ মন থেকে ভুলিয়ে দেয় ।

ছয়
পল্লভের দিকে তাকিয়ে আজ নিজেকে খুব অপরাধী মনে হচ্ছিলো । ওকে কেমন বয়স্ক লাগছে । হয়তো ওর প্রেশারটা ও বেড়েছে , আমার কাছে লুকাচ্ছে । ওতো মা বাবা ভাই ভাবীর সাথে বেশ ছিল । বিয়ের পর ভাবীর সাথে আমার সম্পর্কের অবনতি হতে থাকলো ।পল্লভের স্বল্প বেতনের টাকা দিয়ে আমাদের হাত খরচই হত শুধু । সংসারের খরচ দেওয়া নিয়ে ভাবী যা তা শুনাতো আমাকে আর এ নিয়ে আমি মন খারাপ করতাম। আমার সুখের জন্য পল্লভ ওর বন্ধুর সাথে ব্যবসা শুরু করলো আর আমরা আলাদা বাসা নিলাম ।কিন্তু সুখ আমার কপালে সইলো কোথায় ? তখন যদি আমি মানিয়ে নিতাম আর পল্লভ চাকরি করতো এদিন আর আমাদের দেখতে হত ন। মাঝে মাঝে ভাবি গ্রামে চলে যাবো বাবা মার কাছে । কিন্তু তাদের ওখানে কতদিন থাকবো ? গ্রামে যেয়ে কি আর ভালো লাগবে ?স্বামীর আয় নাই , শ্বশুর বাড়ীর লোকদের সাথে সম্পর্ক নাই ইত্যাদি নিয়ে প্রতিবেশি আত্মীয়রা আলাপ জমাবে । তারচেয়ে বরং এখনই ভালো আছি ।

সাত
আজ ইন্টার্ভিউ ছিল সেই যে কলেজ লেকচারার পদে । ইন্টার্ভিউ দিয়ে এসে অনেকক্ষণ শুয়ে ছিলাম । ইন্টার্ভিউ ভালই হয়েছে এবং আমি সিলেক্ট ও হয়েছি কিন্তু এরা আমাকে একটা শর্তে নিয়োগ দিবে চাকরির শুরুতে তিন লাখ টাকা জামানত রাখতে হবে । এই কথা শুনার পর আমি বুঝতে পারছিলাম না, আমি হাসবো নাকি কাঁদবো !তিন লাখ টাকা আমার থাকলে কি আর আমি এই চাকরি করতে যেতাম ।এখানে আমি বেতন পাবো পনের থেকে আঠারো হাজার। এই তিন লাখ টাকা আয় করতে আমার দেড় বছর লাগবে । আমি নিঃশব্দে বাসায় চলে এসেছি। শুয়ে শুয়ে মাথায় আবার নতুন আরেক চিন্তা ভর করছে । এ মাসের পাঁচ তারিখ কিন্তু গত মাসেতো আমার পিরিয়ড হয়নি।নানান ঝামেলাই এটা এতদিন মনে আসেনি । অনেক দিন কন্ট্রাসেভটিভ কেনা হয়না ।গত মাসে পল্লভ খুব ভেঙ্গে পড়েছিল তখন ওকে সামাল দিতে যেয়ে আর কন্ট্রাসেভটিভের কথা খেয়াল হয়নি । পরে ভেবেছি একদিনে কি আর হবে ? চিন্তাটা মাথায় আসার পর থেকে পল্লভকে ফোন করে চলেছি কিন্তু ফোন বন্ধ ।এ দিকে দুশ্চিন্তায় আমার মস্তিষ্ক কাজ করা বন্ধ করে দিয়েছে । আমাদের প্রথম বাচ্চাটা মিস্ক্যারেজ হয়েছিল তাই ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করেই কোন সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আমি আগে যে ডাক্তার দেখাতাম তাকে সহজে পাওয়া যাবে না আর যদি অ্যাপয়েন্টমেন্ট পেয়েও যাই ডাক্তারের ফী , টেস্ট ইত্যাদি মিলে অনেক টাকা; এতো টাকা এখন কোথায় পাবো ?
রাত আটটায় পল্লভ বাসায় ফিরেছে । সারাদিনে আমার মেজাজ বিগড়ে ছিল তাই ওকে দেখেই বাজখায় গলায় বললাম ফোন বন্ধ ছিল কেন , ফিরতে এতো দেরি করলো কেন ইত্যাদি । আর যখন শুনলাম মোবাইল চুরি হয়েছে তখন আমার ধৈর্যের বাঁধ ভেঙ্গে গেলো আমার জমানো সব হতাশা কষ্ট পল্লভের উপর বর্ষিত হল । দু’জন চিৎকার করে কতক্ষণ ঝগড়া করতাম এবং না খেয়েই ঘুমিয়ে পড়লাম ।

আট
ছোট বেলায় মন খারাপ হলে ছাদে যেয়ে দিগন্তে চোখ মেলতাম আর ভাবতাম ওইখানে যেদিন যাবো আর কোন কষ্ট থাকবে না আমার ।এখান থেকে আকাশ দেখা যায় না আর ছোটবেলার সেই কচি মনটা ও হারিয়ে গিয়েছে । আজ অনেক কষ্টে জানালা দিয়ে দিগন্তে চোখ মেলার চেষ্টা করেছি দেখিতো নতুন করে স্বপ্ন দেখা যায় কিনা ?
আমার বিয়েতে ছয় সাত ভরি গয়না পেয়েছিলাম । এখন সেখান থেকে কিছু বিক্রি করে ডাক্তারের কাছে যাবো । পল্লভ গয়না বিক্রি করতে কিছুতেই রাজি হচ্ছিলো না কিন্তু এ ছাড়া আর কোন উপায় ও নাই । কালকের ঝগড়ার পর মনটা অনেক শান্ত হয়েছে । দু’জন আবার দুজনকে বুঝতে পারছি । আমাদের জীবনে এখনো ভালোবাসাটা অটুট আছে ।তা না হলে এতো কষ্ট , এতো সমস্যা আমরা দুজন সামলাতে পারতাম না ।নতুন একটা বাসার খোঁজ পেয়েছি । পল্লভের এক বন্ধু সাবলেট দিতে চায়ছে । আমি একবার দেখে তারপর উঠবো ভাবছি ।

শেষ
আমাদের অন্ধকার জীবনে একটু একটু আলোর দেখা পাচ্ছি । পল্লভের একটা চাকরি হয়েছে মাসে বার হাজার দিবে । কিছু গয়না বিক্রি করেছি । টাকাগুলো রেখে দিয়েছি মেডিক্যাল চেকআপের খরচের জন্য । পল্লভ আমার প্রেগন্যান্টের খবর শুনে খুব আনন্দিত । ডাক্তার খবরটা নিশ্চিত করার পর মিষ্টি নিয়ে গিয়েছিল ওর ভাইয়ের বাসায় । অনেকদিন পর বাবা মা ভাই ভাবী ভাস্তিদের সাথে ওর দেখা হল। সবাই নাকি খবরটা শুনে খুশি হয়েছে । কে জানে আমাদের সন্তান আসার পর হয়তো সম্পর্কটা আবার সহজ স্বাভাবিক হবে ।হয়তো হবে না । তবে স্বপ্ন দেখতে তো আর সমস্যা নেই । আমরা আমাদের অনাগত সন্তান আসার প্রতীক্ষা করছি আর স্বপ্ন দেখছি আমাদের সব দুঃখ গ্লানি একদিন ঘুচে যাবে ।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন