বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ৫ ডিসেম্বর ১৯৭৪
গল্প/কবিতা: ১৭টি

প্রাপ্ত পয়েন্ট

২৩

আমাদের দু'ছত্র

আমার স্বপ্ন ডিসেম্বর ২০১৬

পারাবার

রহস্যময়ী নারী জুলাই ২০১৬

মুক্তির বার্তাবাহক

ত্যাগ মার্চ ২০১৬

ক্ষোভ (জানুয়ারী ২০১৪)

মোট ভোট ২৩ ক্ষেদ

মোঃ গালিব মেহেদী খাঁন
comment ১১  favorite ০  import_contacts ৩৮১
উৎসর্গ: রাজনীতির আগুনে হতাহতদের।

যৌবনের ঊষায় কি হয়েছিলে প্রত্যাখ্যাত
কোন ষোড়শীর গভীর কালো চোখের তাড়ায় ডুবেছিল হিয়া?
কোন রঙ্গিন স্বপ্ন তোমায় হয়ত রেখেছিল করে আপ্লুত।
স্বামী হারা মা’র নারী ছেড়া ধন এভাবে অভিমানে চলে যেতে হয়?
অজেয় শক্তি মনের কেন হাল ছেড়ে দেয়?
বন্ধু পারিনি ফেরাতে তোমায়। সে ব্যর্থতা আজ কেবলই পোড়ায়।

জীবনের প্রান্তে হেনেছিলে কি অভিযোগ?
সদা হাস্যজ্জ্বল মুখে জানি মানায় না অভিশাপ
বড়জোর হয়েছিলে ক্ষুব্ধ; সে মহত্ব মোদেরে করেছে কেবলই ক্ষুদ্র।

কেন তবে এমন অভিশপ্ত মৃত্যু?
বন্ধু ঘুমাও সুখে, আমরা থাকি পরে এই পিশাচের অন্তঃপুরে।
যাদের তরে এভাবে চলে যেতে হয়; তাদেরে তুষ্টিতে যারা নিত্য খুনি হয়
তুমি যেন করোনা ক্ষমা তাদেরে।
অভিশাপে তোমার নির্বংশ হোক ভণ্ড প্রতারকের দল
আরও ভয়ংকর মৃত্যু যেন নির্ধারিত রয়।

দুহাত পেতে যারা নিত্য ভিক্ষা মাগে, হীন স্বার্থ সাজে হন্তারক
হায় বিধাতা কত তৃষ্ণায় করেছ কাতর তাদেরে!
এত অশ্রু, এত আর্তনাদ, এত ধ্বংস এত নিনাদ তবু কি হয় ক্ষান্ত!
স্বর্নপুরি শ্মশান করিতে রক্তের হলী খেলে।
কতজন পোড়ে, কত কাতরায় ছিন্ন ভিন্ন দেহ লয়ে।
অনাহুত ঝরে অগুনতি প্রাণ,
জীবন্ত অঙ্গার প্রাণাধিক সন্তান অসহায় বাবার সম্মুখে।
রেহাই পায়না যখন গর্ভজাত শিশু।
তখনো কাপে না কি আরশ তোমার! তখনো তুমি পাষাণ?
কি করে নিশ্চুপ থাক?

অবোধ শিশু ভয়ে চিৎকার করে প্রিয় বাবার বীভৎস মুখাবয়বে
প্রিয়ার চোখে নেই অশ্রু; প্রার্থনা, অন্তত বেঁচে থাক প্রিয়তমে।
কাঁদতে ভুলেছে মা, বকে প্রলাপ সন্তানের শবদেহ বুকে চেপে।
এ কোন অভিশাপ, হে মহান তোমার?
এবারে রেহাই দাও অভাজনে।
দু’এক মৃত্যুই যদি পারে সহস্র মৃত্যুর দায় শুধিতে, তবে তাই হোক।
ইসরাফিলেরে চাই না খোদা, হোক অবসান আজরাইলে।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন