বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ৫ ডিসেম্বর ১৯৭৪
গল্প/কবিতা: ১৭টি

প্রাপ্ত পয়েন্ট

২২

আমাদের দু'ছত্র

আমার স্বপ্ন ডিসেম্বর ২০১৬

পারাবার

রহস্যময়ী নারী জুলাই ২০১৬

মুক্তির বার্তাবাহক

ত্যাগ মার্চ ২০১৬

দেশপ্রেম (ডিসেম্বর ২০১৩)

মোট ভোট ২২ যোদ্ধা

মোঃ গালিব মেহেদী খাঁন
comment ১৪  favorite ০  import_contacts ৪১৮
আদর্শের যুদ্ধ শেষে আগামীর আহ্বানে বলেছিলে হে বীর-
ফের দেখা হবে রাজপথে, নতুন কোন স্লোগানে।
কেটেছে তারপর কত বেলা।
রাজপথে আর দেখা হয় নি আমাদের।
বন্ধু ভুলেছ কি সে আহবান?
বলেছিলে আদর্শের লড়াই হয়না কভু শেষ।
তবু কোন ভুলে আজ তুমি নিশ্চুপ?

আমরা তো হারাইনি মহাকালের স্রোতে
এখনো তো হইনি নিঃশেষ।
এখনো শোণিতে ডাকে বান,
এখনও ফুসে উঠি নিষ্ফল আক্রোশে।
কোন মোহে এই আচ্ছন্ন হয়ে পরে থাকা তবু?
দেখ নাকি তোমার রেখে যাওয়া আদর্শ আজ ধুলায় লুটায়?
উন্মত্ত জানোয়ার সদৃশ এক নতুন প্রজাতির দখলে রাজপথ।
শ্লোগান জানে না, গান পাউডারে পুরিয়ে মারে সাধারণ
কি ভীষণ উল্লাসে করে মৃত্যু উদযাপন, কতটা ভয়ংকর হিংস্রতায়।
তবু কোন ভুলে আজ তুমি নিশ্চুপ?

আদর্শহীন এই নির্লজ্জ ভোগের যুদ্ধে আমরা কি কেবলই দর্শক!
ক্ষমতার দ্বন্দ্বের এই যুদ্ধে গগনবিদারী শ্লোগান অনাবশ্যক।
তারুণ্যের দীপ্ত পদচারণয় মুখর হতে হয়না রাজপথ।
এ যুদ্ধে চাই রক্ত, চাই বিলাপ, চাই ধ্বংস, চাই বিভীষিকা
এখানে অংশগ্রহণের নেই প্রয়োজন, ভয়ার্ত আবহ সৃষ্টিই যথেষ্ট।
এখানে তুমি আমি নিতান্তই অপ্রয়োজনীয় অনুষঙ্গ।

রাজপথ আজ শকুনের ভাগার।
সেখানে কেবলই বিলাপ আর ছোপ ছোপ রক্তের দাগ।
বাতাসে পোড়া গন্ধ, ক্ষণে ক্ষণে আসে ভেসে পিশাচের উল্লাস।
এখানে তুমি - আমি অথবা আমরা তিরোহিত।
আদর্শহীন অর্থগৃ্ধ্নু এই যোদ্ধারা
লাশের স্তূপে দাঁড়িয়ে নিত্য করে নেতার স্তুতির আয়োজন।
বিগলিত নেতা হন তায় অবিবেচক আরও।

বন্ধু ভুলেছ কি সে আহবান?
হাসিমুখে প্রাণ দানের মহতী উৎসবে মাতে না এখন কেউ আর।
গগনবিদারী স্লোগানে কেপে ওঠেনা আকাশ।
অত্যাচারিতের আর্তনাদই শুধু আকাশ থেকে আকাশে ফেরে প্রতিধ্বনি করে ।

এও কি সয় প্রাণে, কোন সে পাষাণে বেধেছ হিয়া?
আর কত সয়ে যাওয়া? আর কত অশ্রুসিক্ত হওয়া?
আর কত ক্ষমা?
এবার ওঠ, জাগাও সব আধমরা
বলিষ্ঠ তোমার কণ্ঠস্বরে এবার ভাঙ্গুক সকল জড়া।
দৃপ্ত পদচারণয় উঠুক কেপে আবার ধরণীতল।
মঙ্গলালয়ের বরমাল্য শোভিত উচ্চকিত কণ্ঠে বেজে উঠুক রণ ডঙ্কা।

রক্তাক্ত মা’র চোখে জ্বলে আজ আগুন
সন্তানের দিব্যি দেয় প্রতিশোধ চেয়ে
আজ পিচাশের রক্তে স্নানে হতে চান শুদ্ধ।
শুনতে পাও না তুমি?

এবার এস নেমে সেই চেনা পথে হে বীর
গগনবিদারী স্লোগানে তোমার শয়তানের তাণ্ডব নৃত্য যাক থেমে।
যে প্রাণ আদর্শের জন্য লড়ে - আদর্শের জন্য ঝড়ে
আদর্শেরই ঝাণ্ডা ওড়ে যে বুকে
এসো সেই প্রাণে, এসো বীর্যবানের নির্ভরতার আবাহনে।
আজ অচ্ছুত নও তুমি হে বীর,
তোমা পানেই চেয়ে আজ নিপীড়িত যত
হে বার্তাবহ মুক্তির,
আজ তোমারই প্রতীক্ষায় আমরা অধীর।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন