বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ৭ অক্টোবর ১৯৭৭
গল্প/কবিতা: ১২টি

সমন্বিত স্কোর

৪.৮১

বিচারক স্কোরঃ ২.৮৭ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ১.৯৪ / ৩.০

একরাশ আঁধার

অন্ধকার জুন ২০১৩

দম্পতি

পরিবার এপ্রিল ২০১৩

একুশ মানে

বাংলা ভাষা ফেব্রুয়ারী ২০১৩

মুক্তিযোদ্ধা (ডিসেম্বর ২০১২)

মোট ভোট ৬৮ প্রাপ্ত পয়েন্ট ৪.৮১ ফেরা হলো না

আজিম হোসেন আকাশ
comment ৪৬  favorite ৩  import_contacts ৬৮২
আজো ফেরা হলো না মুক্তিযোদ্ধা খোকার,
৭১ এর রক্তিম সূর্যটা ছিনিয়ে আনবে বলে
সেই যে কবে বেড়িয়েছে ঘর থেকে,
তারপর দেখতে দেখতে একে একে
কেটে গেল তিন যুগ আর পাঁচ পাঁচটি বছর;
তবুও শেষ হয় না মায়ের, প্রতিক্ষার শেষ প্রহর।
আজো হদিস মিলেনি কোথাও তাঁর,
আজো আকাশ-বাতাস বয়ে বেড়ায় ৩০ লক্ষ -
শহীদের পঁচা-গলা লাশের থমথমে গন্ধ,
আজো প্রকৃতির কোলে নি:শব্দে-নিভৃতে বাঁজে
বুলেট-গ্রেনেডে ঝাঝড়ানো শহীদের আতœচিৎকার;
যেন কত-শত মায়ের বুক খালি করা শহীদের-
এক সাগর রক্তের বিনিময়ে স্বাধীনতার অধিকার।
শূণ্য আঁচল পূর্ণ করার প্রতিক্ষায় মা তাঁর
আজো পথপানে চেয়ে থাকে নিষ্পলক,
দু’চোখে যতটুকু ছিল নোনাজল তা আজ
ক্রমশ শুকিয়ে হয়েছে চৈত্রের দাবদাহ অনল।
তবুও আশায় বুক বেঁধে দিন কাটে স্বপ্নময়তায়
মেঘের আঁচল ভেদ করে হয়তো খোকা-
একদিন আসবে শূণ্য আঁচল পূর্ণ করতে;
৭১ এর সেই কালো রাতের বিভীষিকা খোকাকে-
ফিরিয়ে এনে, আজো পারেনি মায়ের স্বপ্ন গড়তে।
মায়ের মন তবুও গর্জে উঠে বুক ফাঁটা গর্বে-আনন্দে
জাতির জন্য খোকা দিয়েছে নিজের প্রাণ বিসর্জন;
এ যেন দামাল প্রাণের বিনিময়ে স্বাধীনতা অর্জন।
প্রতিনিয়ত জ্বলে-পুড়ে অঙ্গার হয়, মায়ের পোড়া মন-
জীবন যুঝায় নিজের সাথেই সংগ্রাম করেন আমরণ;
তবুও জাতির মুখে ফুঁটাতে একরাশ বিজয়ের হাসি
সন্তানহীনতায় দু:খকে করেছেন তিনি, সাদরে বরণ।
শত কষ্ট বুকে চেপে রেখে, খোকা আসবে ভেবে-
বেঁচে থেকেও যেন মা, আজ জীবন্মৃত এক শ্মশাণ;
যেন ইতিহাস খ্যাত আরেকটি জাহানারা ইমাম,
তাইতো তাদের ত্যাগের মহিমায়, আজো আমরা-
বিজয় দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলীর মাঝে, করি তাঁদের সন্মান।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন