বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ৭ অক্টোবর ১৯৭৭
গল্প/কবিতা: ১২টি

সমন্বিত স্কোর

৩.৮৮

বিচারক স্কোরঃ ২.১২ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ১.৭৬ / ৩.০

একরাশ আঁধার

অন্ধকার জুন ২০১৩

দম্পতি

পরিবার এপ্রিল ২০১৩

একুশ মানে

বাংলা ভাষা ফেব্রুয়ারী ২০১৩

বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী (নভেম্বর ২০১২)

মোট ভোট ১২৯ প্রাপ্ত পয়েন্ট ৩.৮৮ বিজ্ঞানের চেতনা

আজিম হোসেন আকাশ
comment ৬৩  favorite ৮  import_contacts ৯৯৮
বিশ্ব সভ্যতার আদি থেকে সাম্প্রতিক অবধি
সৃষ্টির শ্রেষ্ঠত্বের দাবিদার হে মানবজাতি!
পৃথিবীর আলো-ছায়ার মাঝে চক্রাবত,
সভ্যতার পর সভ্যতার ক্রমশ বিবর্তনে-
আজ একুশ শতকের ভাঙ্গা-গড়ার জীবন
সেতো বিজ্ঞানেরই অনস্বীকার্য অবদান;
আজ এতটা ক্লান্তির পথ পেরিয়ে তবু
কেন মানব জাতিতে এতটা ব্যবধান?
উত্তর একটাই বিজ্ঞানের অতিদ্রুত অবদান;
তাই আজ জাতিতে জাতিতে এতটা ব্যবধান।
যুদ্ধ-বিগ্রহ আর ধ্বংস যজ্ঞে দিকবিদিক জ্বলছে;
বিশ্বের দখলবাজির তান্ডবলীলা এমনই চলছে।
বিজ্ঞান- এমনই এক প্রখর চিন্তা-চেতনার ফসল;
যা এনে দিতে পারে মুহুর্তেই গোটা বিশ্বের দখল।
তথ্য-প্রযুক্তির ঝড়ো বেগ নব নব বিবর্তনে-
আজি হাতের মুঠোয় তাবৎ বিশ্বের রাজত্ব;
তাই অনায়াশেই পৃথিবীটা করা যায় আয়ত্ব।
জগতের যা কিছু ক্রমে ক্রমে নব আবিষ্কৃত;
সবিই মানবের মঙ্গলের তরে, অনেক মেধা-
ক্ষয়ে ক্ষয়ে তবেই হয়েছে জাতিতে সমাদৃত।
মানবের মস্তিকের যা কিছু সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত-
ভালো কিংবা মন্দ-সবই যেন বিজ্ঞানের চেতনা;
তাইতো মানব মনে বিজ্ঞানকে নিয়ে এত ভাবনা।
পৃথিবীর তরে, মানবের সকল সুখ-শান্তির তরে
বিজ্ঞান যা কিছু রচিয়াছে সভ্যতার পর সভ্যতায়;
নিশ্চই মানবের মঙ্গল নিহিত তাতে, অনিষ্টের-
ভাবনায় বিজ্ঞানকে ব্যবহার করো না তবে নির্দ্বিধায়।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন