বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ২৬ মার্চ ১৯৮৪
গল্প/কবিতা: ১৫টি

প্রাপ্ত পয়েন্ট

৫৬

অপলাপ বা নিছক বাস্তবতা

বাংলা ভাষা ফেব্রুয়ারী ২০১৩

অমীমাংসিত গল্প

ঈর্ষা জানুয়ারী ২০১৩

দ্বিচারী

ঈর্ষা জানুয়ারী ২০১৩

প্রিয়ার চাহনি (মে ২০১২)

মোট ভোট ৫৬ বিষাদের চিঠি অথবা নেতিবাচক প্রেম পত্র

সাইফুল করীম
comment ৩৭  favorite ০  import_contacts ৩,৫২৫
অনেক কেঁদেছি আমি। সাক্ষী চাঁদ, আঁধারের রাত
হু হু বাতাসের যত জোনাকি। ভীষণ চেয়েছি তাকে
সাপে কাটা নীল বুকটা যেন মমি করে রেখেছে।
অনেক কবিতা লিখেছি। খেয়েছি লক্ষ লক্ষ সিগারেট
বিরহ-পাতার মত ঝরে গেছি কত খাঁ খাঁ শ্মশানে
হায় এ শহরে, মেয়ে, তোমার কি তা জানা আছে?

অনেক পুড়েছি আমি। নদের চাঁদ হয়ে বেড়িয়েছি ঘুরে
বন-বনান্তে কতবার অনন্য স্বস্তির সেই মহুয়ার খোঁজে-
পাইনি বলে ব্যাবিলনের চৌকাঠেই আজ জায়গা হয়েছে।
অনেক ক্ষয়েছি আমি। কত প্রহর, আবাদি মাঠ গেছে
ডুবে প্যাসিফিক আকুলতা ভরা অক্ষম নির্মম তোড়ে
জানলে কি মেয়ে দিতে সাড়া, একটু ডাকতে কাছে?

অনেক শিখেছি আমি। হইনি মরুভূমি তবু বলি চাইনা
ঐ পিটুইটারিয় ঘোড়া যে ভেঙ্গে দেবে সাজানো তোড়া
ফুলদানি বিষণ্ণ আবারো। জেনেছি দ্বৈত-স্বপ্ন মায়া পুরোটা।
অনেক পেয়েছি আমি। এর চেয়ে বেশি ব্যথা মেলে না
অতীতের এই আন-স্মার্ট, মূর্খ, চাষা হবে না যন্ত্রণা
তোমার আর খামোকা ডাকবেনা। চাতকের এই-ই কামনা।

অনেক হেরেছি আমি। চিনেছি অবশেষে -বাঁচবার প্রতীতি-
আর নয় কোন বেদনা-এলিজি, নয় ক্ষেদ নিষ্ফল আকুতি
একাকী রেহেল আজ তৃপ্ত-সুখী, বোধে জ্বালিয়েছে শত বাতি।
অনেক সয়েছি আমি। গিলেছে মিনোতাউর তবু কিছু বলি নি
কিন্তু আর নয় নারী-আজো কুহকে দেখি দুর্বাসার হাতে ছুরি-
রক্তে ভাসো তুমি। পুলকিত হই-‘ভালোবাসা’ তোমাকে ভুলি নি।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন