বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ২১ সেপ্টেম্বর ১৯৬৫
গল্প/কবিতা: ৫৩টি

সমন্বিত স্কোর

৩.১৫

বিচারক স্কোরঃ ১.৩৫ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ১.৮ / ৩.০

কোথায় পাব তারে

প্রেম ফেব্রুয়ারী ২০১৭

সূতোর প’রে যে জীবন

আমার আমি অক্টোবর ২০১৬

ভালোবাসার অন্তরালে

ঘৃণা সেপ্টেম্বর ২০১৬

কবিতা - দ্বিধা (সেপ্টেম্বর ২০১৬)

মোট ভোট ২১ প্রাপ্ত পয়েন্ট ৩.১৫ মন দোলা

রীতা রায় মিঠু
comment ১৩  favorite ০  import_contacts ৭১৮
প্রথম দিনের কথা, কী এক ঘোরলাগা দৃষ্টিতে
আমার চোখ বরাবর তাকিয়েছিলে-
আমি কি মৃদু কেঁপে উঠেছিলাম
হয়তো হ্যাঁ হয়তো বা না!
কুড়ি বছরের যাপিত জীবনের সাথী
যে আমার দেহ নিয়ে উদ্দাম খেলা করেছে।
কখনও আমার চোখের দিকে তাকায়নি,
তাই বোধ হয় তোমার ঘোরলাগা দৃষ্টিতে
মৃদু কেঁপে উঠেছিলাম।

আরও একদিন, চোখে মুগ্ধতা কন্ঠে আকুলতা
বলেছিলে, “নীলাম্বরী শাড়িতে তুমি নিখাদ অপ্সরা্”!
সেদিন আর কেঁপে উঠিনি, তুলতুলে নরম আবেগে
গলে গেছিলাম!
কুড়ি বছরের যাপিত জীবন যার সাথে, যে কি না
তাকিয়ে দেখেনি আমার মোহময় সাজে সজ্জিত দেহবল্লরী।
সে শুধুই আমার দেহখানি নিয়ে উদ্দাম খেলা খেলেছে।
পুরুষের মুগ্ধতায় আমিতো আবেগে গলে নদী হবোয়া,
অস্ফুট স্বরে ফিসফিস সুরে বলেছিলাম, ‘তোমায় ভালোবাসি’!
হয়তো তুমি শুনতে পেয়েছিলে, হয়তো বা না।

তারপর সেদিন, মুঠোফোনে বার্তা পাঠালে,
“কুড়ি বছরের যাপিত জীবনের মায়া কাটিয়ে
চলে এসো অলকানন্দার তীরে, পরনে যেন থাকে
সেদিনের নীলাম্বরী শাড়ি, খোঁপায় চাই বেলফুলের মালা,
চোখ যেন আঁকা থাকে নীল মায়াকাজলের সরু টানে।
পায়ে নূপুর চাইই চাই, আলতা পরতেও পারো, নাও পারো
এটুকু তোমার স্বাধীনতা।
আমি তোমায় নিয়ে যাব স্বপ্নপুরে, অলকানন্দার তীর ঘেঁষে
স্বপ্নপুরের পথ। আমার হাত ধরতেও পারো,
দ্বিধা যদি থাকে তবে নাও ধরতে পারো!
আমি কিন্তু তোমার হাত ধরবো, শক্ত করে ধরবো
যেন হাত ফসকে ছুটে যেতে না পারো
কুড়ি বছরের যাপিত জীবনে।“

আজ সেইদিন, নীলাম্বরী পরেছি, চোখ নীল মায়াকাজলে এঁকেছি,
বেলফুলের মালা নিজ হাতে গেঁথেছি গত রাতে।
খোঁপা বাঁধা শেষ, মালা জড়াতে গিয়ে সূতো ছিঁড়ে গেলো
ছেঁড়া সূতোর প্রান্ত থেকে টুপ টুপ ঝরে পড়ছে ফুলগুলো!
এমনতো হওয়ার কথা ছিলনা,
পাশ দিয়ে যাচ্ছিল সে, কুড়ি বছরের যাপিত জীবনের সাথী,
যার সাথে চলেছে আমার দেহ দেহ খেলা। সে থমকালো,
নীচু হয়ে ফুলগুলো কুড়িয়ে আমার হাতে দিল
তবুও তাকালোনা আমার মায়াকাজল টানা চোখের দিকে
তাকালোনা আমার অপরূপ সাজশৈলীর দিকে
স্পষ্ট স্বরে বলল, “কোথাও কি বেরোচ্ছো, একা যাচ্ছো,
হারিয়ে যাবে না তো”!
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
  • কবি এবং হিমু
    কবি এবং হিমু নীলাম্বরী শাড়িতে তুমি নিখাদ অপ্সরা্”!
    সেদিন আর কেঁপে উঠিনি, তুলতুলে নরম আবেগে
    গলে গেছিলাম!___অসাধারন
    প্রত্যুত্তর . ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬
  • তানি হক
    তানি হক Didir gilpo pore mugdho hoyeche bohubar... Aj kobitay mugdho holam... Valobasa on dhonnobad roilo didi
    প্রত্যুত্তর . ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬
    • রীতা রায় মিঠু তানি, আমার ছোট বোন, নিজেই দারুণ কবি, সেই কবির কাছ থেকে এমন মন জাগানিয়া কমেন্ট পেয়ে ধন্য হলাম।
      প্রত্যুত্তর . ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬
  • মিলন  বনিক
    মিলন বনিক পেরেছিলে কি কুড়ি বছরের যাপিত জীবন ছেড়ে অলকানন্দার তীরে যেতে? যাওয়া কি যায়? অসাধারণ কবিতা....
    প্রত্যুত্তর . ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬