বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ৬ জানুয়ারী ১৯৬০
গল্প/কবিতা: ১০টি

সমন্বিত স্কোর

৪.৩৫

বিচারক স্কোরঃ ২.১৭ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ২.১৮ / ৩.০

আমি ধুলো হবো এই পৃথিবীর

সরলতা অক্টোবর ২০১২

কষ্ট-১

সবুজ জুলাই ২০১২

কিছু কষ্ট কিছু স্মৃতি

বাবা জুন ২০১২

শৈশব (সেপ্টেম্বর ২০১৩)

মোট ভোট ২৯ প্রাপ্ত পয়েন্ট ৪.৩৫ শৈশবের গল্প

নাসির আহমেদ কাবুল
comment ২৫  favorite ১  import_contacts ৫৬৬
বাড়ি থেকে সিকি মাইল দূরে
জমিদারদের পোড়ো বাড়ি, তারই পাশে বটদীঘি-
প্রকান্ড বটগাছ; তার কোল ঘেঁষে আরও একটি পুকুর,
অদূরে নাপিত বাড়ি। ছনের নয়, গোলপাতার নয়-
টিনেরও নয়- প্রাসাদতুল্য অট্টালিকা সেটি!
এগুলো দেখতে দেখতেই স্কুলের পথ ফুড়াতো আমার।
আবার সেই পথটায় বাড়ি ফিরতে বকুল গাছের নীচে
কিছুটা আড্ডা- কিছুটা ফুল কুড়ানোর উৎসব।
এ সবই আমার শৈশবের গল্প ...

আমাদের বাড়ির সামনে দিগন্ত ছোঁয়া ধান ক্ষেত
মেঠো পথ আঁকাবাঁকা, সে পথে বৃষ্টিতে ভিজে
ডাক নিয়ে আসতো ত্রিশূল হাতে রানার মহব্বত।
আমাদের বাড়ির পোস্ট অফিসে বসে
মহব্বতের কাছে ওর গল্প শুনেছি দু:খের-বেদনার,
আমার শৈশব মহব্বতকে খুঁজে ফেরে এখনও!

বাড়ির পাশেই ছোট্ট নদী-খাল,
ঘাটে বাধা থাকতো জব্বার মাঝির পানসি নৌকা,
আমাদেরর ডিঙি ছিল ছোট একটি।
চাঁদনী রাতে বাবার সাথে জাল ফেলে মাছ ধরার
উৎসবে মেতেছি কত দিন! সে সব এখন
চোখের জলে ভেসে যায় মসজিদের পাশে
বাবার জীর্ণ কবর দেখে দেখে!

আমার শৈশব এখন ঠায় দাঁড়িয়ে থাকে বেতস বনে
নিকানো উঠানে, বটের ছায়ায়
পাখির ডানায় সোনালী রোদের ঝিলিকে;
ঝাউবনে জোনাকি পোকার উৎসবে।
কাজে-অকাজে, দ্রোহ আর ভালোবাসার জমিনে।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন