বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১৭ আগস্ট ১৯৭০
গল্প/কবিতা: ৫টি

সমন্বিত স্কোর

২.১২

বিচারক স্কোরঃ ০ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ২.১২ / ৩.০

একটি অসমাপ্ত প্রেমের কাহিনী [শেষ পর্ব]

সরলতা অক্টোবর ২০১২

উসুপুসু উসুপুসু

২১শে ফেব্রুয়ারী ফেব্রুয়ারী ২০১২

দেশপ্রেম বলে কিছু নেই

দেশপ্রেম ডিসেম্বর ২০১১

শাড়ী (সেপ্টেম্বর ২০১২)

মোট ভোট ৪৬ প্রাপ্ত পয়েন্ট ২.১২ একটি অসমাপ্ত প্রেমের কাহিনী [১ম পর্ব]

ধুমকেতু
comment ২০  favorite ০  import_contacts ২,০৭৯
আমার কথাঃ

তান্নির জন্য অপেক্ষা করতে করতে স্টার মুভিজের একটি অবিরাম একশন মুভি দেখে ফেললাম। শুয়ে শুয়ে দেখলাম, তারপরও ঘুম আসছে না চোখে। তান্নি পাশে এসে না শোয়া পর্যন্ত ঘুম আসবে বলে মনেও হয় না।
আমাদের দাম্পত্য জীবনের এক যুগ পার হলেও আজকের মতো করে কখনো তাকে শাড়ি পড়তে দেখি নি। ভীষণ সেক্সি স্টাইলে শাড়ী পড়েছে, যা তার স্বভাব বিরুদ্ধ। এমনিতে খুব ধার্মিক তান্নি। খুব কড়া পর্দা মেনে চলে। বাইরে বেরুলে নাক-মুখ ঢাকা বোরকা পড়বে। আমার কিশোর ভাতিজা-ভাগ্নেদের দেখা দেবে না, ইত্যাদি ইত্যাদি। সেই পর্দানশীন মহিলা যদি এমন সেক্সি স্টাইলে শাড়ি পড়ে তাহলে তার স্বামীর মাথা খারাপ হবে না তো কার হবে? বাসায় বাচ্চারা থাকলে অবশ্য এমনটি করতো কিনা কে জানে। মনে হয় করতো না। এখন বাসায় আমরা দু’জন ছাড়া আর কেউ নেই। ঈদের ছুটিতে বাচ্চারা নানাবাড়ি বেড়াতে গেছে দুপুরে। নানাবাড়ী খুব কাছে, তাই রিক্সায় তুলে দিলেই হয় তাদের। ওরা আসবে আগামীকাল।
ঘড়ির দিকে তাকালাম, এগারোটা বাজে। ওরেব্বাশ, টানা দু’ঘন্টা এভাবে শুয়ে আছি! চটজলদি উঠে পড়ে বাথরুম সারলাম। বাথরুম থেকে বের হয়ে আরো অবাক হবার পালা। নয়নাভিরাম ভঙ্গিমায় বিছানার পাশে দাঁড়িয়ে আমার অপেক্ষা করছে মোহিনী বালা। নাচের মুদ্রার ভঙ্গিতে কোমর বাঁকিয়ে দাঁড়িয়ে আছে তান্নি, ডান হাতে ধুমায়িত চা। ঘুমানোর পূর্বে যা আমার একান্ত কাম্য। অনেকের শুনেছি চা পানে ঘুম কাটে এবং অনেকের নাকি রাতে ঘুমই হয় না। কিন্তু আমার ব্যাপারটা ঠিক উল্টো। ঘুমানোর আগে এক কাপ চা খেলে খুব প্রশান্তির ঘুম হয়। অবশ্য চাইলে চা পানে ঘুম দূর করার ইচ্ছা করলেই আমার ঘুমও দূর হয়ে যায়। তবে বিছানায়া যাবার আগের চা আমাকে ঘুমাতেই উদ্দীপ্ত করে বেশী।
আমি তান্নির মুখোমুখি হই, কি ব্যাপার, খুব রং লেগেছে মনে হয়? ঘটনাটা কি বলতো দেখি?
তান্নি হাসি হাসি মুখে উত্তর দেয়, কই কি হয়েছে? নাও তোমার চা নাও।
আমি চা নিতে নিতে বলি, এই চা কি ঘুম দূর করার না ঘুমাবার চা?
তোমার যেমন খুশি, চাইলে ঘুমাতেও পারো, চাইলে সজাগ থাকতেও পারো।
ঘুমালে তো ঘুমিয়েই গেলাম। সজাগ থাকলে কি উপকার হবে শুনি?
বা...রে আমি কি তোমাকে সজাগ থাকতে বলেছি নাকি? যাও যাও ঘুমাও ঘুমাও।
তান্নি নিজেকে লুকাতে চায়। তার ভেতর কিছু একটা ঘটেছে, কিন্তু কি ঘটেছে কে জানে? নিজেকে লুকাতে চাচ্ছে কেন সে? নাকি আমার কাছে বিশেষ কিছু চাওয়ার আছে তার? আমি ঠিক বুঝে উঠতে পারি না। চা খেতে খেতেই জিজ্ঞেস করি, আচ্ছা তুমি আজকে এভাবে শাড়ী পড়েছ কেন?
কই, কিভাবে শাড়ী পড়লাম?
এই যে একেবারে অজন্তা স্টাইলে, মাইরী যা দারুণ লাগছে না তোমাকে...।
লাগলেই বা লাভ কি, তোমার তো মন নাই আমার দিকে।
কি যে বলো না তুমি। তুমি ছাড়া আমার আর আছেই বা কে?
কথাটি বলেই আমি স্ত্রীকে আকর্ষণ করি নিজের দিকে, স্ত্রী লাউ ডগার মতো ঢলে পড়ে।

আমাদের দু’জনের ঘুম দূর হয়ে যায়। আমরা গল্প করতে থাকি নানা বিষয় নিয়ে। হঠাৎ প্রশ্ন করে বসে তান্নি, আচ্ছা আমাকে যদি কেউ ভালোবেসে ফেলে তাহলে কি করবে তুমি? তাকে মেরে ফেলবে?
আমি তান্নির প্রশ্নের কোন আগামাথা খুঁজে পাই না। সে কেন এ ধরণের উল্টাপাল্টা প্রশ্ন করছে? বুঝি না তান্নিকে। তারপরও জিজ্ঞেস করি, হঠাৎ করে এ রকম প্রশ্ন কেন?
ও কিছু না, তুমি বলই না কি করবে তুমি?
আমি, উ.... আমি তোমাকে স্বাধীনতা দিয়ে দেব। তুমি ইচ্ছা করলে আমার কাছ থেকে ছুট্টি নিয়ে নিতে পার। তাহলে সেই প্রেমিক প্রবরকে বিয়ে করতে আর কোন বাধাই থাকবে না।
আমার কথায় আহ্লাদিত হয় তান্নি, ডিম লাইটের মৃদু আলোয়ও দেখি তার চেহারা ঝলমল করে ওঠে। আমার বুকে মুখ ঘষে আবারো জিজ্ঞেস করে, তুমি সত্যি সত্যি তাই করবে?
আমি নির্মোহ ভঙ্গিতে বললাম, হ্যা, সমস্যা কি? কেউ যদি তোমার মন ছুঁয়ে ফেলে তাহলে তো আমার ওই কর্মটি ছাড়া আর কিছু করার নেই।
আমার উত্তরে তান্নি বেশ খুশি হয়। আবারো আমার বুকে মুখ ঘষতে ঘষতে বলে, তুমি সত্যিই খুব ভালো, খুব খুব।

সকালে ঘুম থেকে উঠেই আমার তান্নি আবার প্রতিদিনের তান্নি হয়ে যায়। খুব স্বাভাবিক ভাবেই শুরু করে দেয় তার নিত্যদিনের কর্ম। কিন্তু আমি একটু অস্বাভাবিক হয়ে পড়ি। তান্নির করা রাতের প্রশ্নের পেছনে কোন গূঢ় রহস্য আছে কি না তা ভাবতে চেষ্টা করি। আমি কোন কিছু খুঁজে পাই না। তবু আমার মনের ভেতর কেবল খচ্ খচ্ করতে থাকে। তাহলে কি কোন গড়বড় হয়েছে কোথাও? আবার ভাবি, নাহ্, আমি খামোখাই এইসব আজেবাজে কথা ভাবছি। ও কিছু না, তান্নি হয়তো এমনিতেই মজা করার জন্য এমন প্রশ্ন করেছে?
এমনতরো ভাবনায় কি অসহনীয় যন্ত্রণা তা বলে বোঝানো মুশকিল। সকাল গড়িয়ে দুপুর, দুপুর গড়িয়ে বিকেল হয়ে যায়। আমার ভেতর কেবল একটি প্রশ্ন গুমরে গুমরে ওঠে, কোথাও কোন গড়বড় হলো না তো? আমার বিবাহিত জীবনের বার বৎসর কেটে গেলো, কখনো তো এমন মনে হয় নি কখনো। আর কখনো তো এমন প্রশ্ন সেও করে নি কোনদিন। তাহলে কেন হঠাৎ করে কাল রাতে এমন অযাচিত প্রশ্ন করে বসলো সে?
আমার বিয়ের দিনটির কথা মনে পড়ে যায়। আমার বিয়ের দিনক্ষণ ঠিক হওয়ার পর বিরোধী দলের লাগাতার হরতাল শুরু হয়। সে কি ধুন্দুমার হরতাল। রিক্সা ছাড়া কোন গাড়ি রাস্তায় চলছে না। ওদিকে আমার বিয়ের দিনও ঘনিয়ে আসছে। সেদিনও যদি হরতাল থাকে তাহলে তো মহা মুশকিল। সে যাই হোকে বিয়ের দিনও হরতাল যথারীতি চলতে থাকে। আমি সহ আমার বন্ধুরা সবাই একটা গাড়ী ম্যানেজ করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হলাম। বিয়ের অনুষ্ঠান আমার বাড়ি থেকে দেড়-দুই কিলোর ভিতরে। কিন্তু কেউ গাড়ী দিতে রাজী নয়। যদি হরতালের ভাংচুরে পড়ে তাহলে আর রক্ষা নেই। আমার খুবই ঘনিষ্ঠ এক বন্ধুর প্রাইভেট কার ছিলো। তার বাবাকে বলে-কয়েও রাজী করানো গেলো না। শেষাবধি একটা স্কুটার আর অনেকগুলো রিক্সার ব্যবস্থা করা হলো। স্কুটারে করে আমি গেলাম, আর রিক্সায় সমস্ত বরযাত্রা।
বিয়ের ঝামেলা শেষ করে পড়ন্ত বিকেলে নববধু নিয়ে বাড়ী পৌঁছলাম। নববধুকে নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়লো বাড়ীর সবাই। আমি বন্ধুদের নিয়ে বাড়ীর পশ্চিম পাশের উন্মুক্ত স্থানে আড্ডায় বসে গেলাম। এ সময়ই আমার এক বন্ধু আমাকে আড়ালে ডেকে নিয়ে জিজ্ঞেস করলো, তুই যে বিয়া করলি- বউয়ের ব্যাপারে খোঁজখবর নিছিলি ঠিকঠাক মত?
আমি বন্ধুর কথা শুনে হকচকিয়ে গেলাম। আমার বাসর ঘর ওরাই সাজিয়েছিল পরম মমতায়। ওরা নিঃসন্দেহে আমার শুভাকাংখী। আমি কিছুটা অপ্রস্ত্তত হয়েই জিজ্ঞেস করলাম, তার মানে কি? কি বলতে চাস সোজাসুজি বল, আমি যে কোন কিছু শুনতে প্রস্ত্তত।
আমার বন্ধুটি এবার আমাকে সান্তনা দেয়ার জন্য বললো, আরে ধুর বোকা যা হওয়ার তা তো হয়েই গেছে। কিন্তু তোর তো বিষয়টা ভালো করে জানা দরকার।
আমি বোকা হয়ে গেলাম। তা হলে কি আমি কোন ভুল করলাম? আমার নবপরিনীতা স্ত্রীর সাথে কি তাহলে কারো কোন সম্পর্ক ছিল, যা আমি জানি না? কি জানি হতেও পারে। মনটা মুহূর্তেই ভেঙ্গে গেলো। তারপরও মনকে শক্ত করে জিজ্ঞেস করলাম, কেন কি হয়েছে, তুই কি কিছু জানিস?
আমার বন্ধুটি তার পকেট থেকে তান্নির একটি স্কুল ড্রেস পরিহিত ছবি বের করল। আমাকে দেখিয়ে বললো, দেখ তো এই মেয়েটিকে চিনিস নাকি?
পাত্রী পছন্দের সময় আমার কাছে যে ছবিগুলো পাঠানো হয়েছিল এটি সেগুলোর একটি। ছবিটি দেখে আমি হকচকিয়ে গেলাম। ছোঁ মেরে তার হাত থেকে ছবিটা নিয়ে ভালো করে নিরীক্ষণ করা শুরু করলাম। এই ফাঁকে আমার বন্ধুটি কেটে পড়লো আমার পাশ থেকে। আমার ভেতরটা নড়ে উঠলো, তাহলে কি বিয়েটা আমার ভুল জায়গায় হলো? এ-ও কি সম্ভব? আমি যতটুকু খোঁজখবর নিয়েছি তাতে এ রকম কিছু একটা অসম্ভব ব্যাপার। কিন্তু এ ছবি যদি অন্য কারো কাছে থাকে তাহলে তো অবশ্যই কোথাও কোন কিন্তু রয়ে গেছে। সেটা কি? তাহলে কি আমি ভুল করলাম? ওহ খোদা তুমি এ কোন খেলা শুরু করলে আমার সাথে? আমি বেদনায় মুষড়ে পড়ি আর সেই উন্মুক্ত স্থানেই বসে থাকি। আসর থেকে মাগরিব পার হয়ে এশার সময় হয়ে যায়। আমাকে ভিতরে যাওয়ার জন্য ডাকাডাকি করতে থাকে সবাই। আমি নিশ্চুপ বসে থাকি একা একা। ভেতরে যেতে ইচ্ছা করে না। একটা ভুল শোধরানোর উপায় খুঁজতে থাকি। কিন্তু কি করে সেটা সম্ভব? ভাবতে ভাবতে আমার কান্না চলে আসে। অন্ধকারে বসে দু’হাতে মুখ ঢেকে কান্না শুরু করি। এমন সময় আমার বন্ধুরা এসে আমাকে ঘিরে ধরে। আমার সেই বন্ধুটি আমার হাতে একটা কাগজের প্যাকেট ধরিয়ে দিয়ে বলে, আরে বলদ নে সবগুলাই তরে দিয়া দিলাম। এইবার ঘরে যা।
আমি হা হয়ে দেখি, আমার তান্নির সবগুলো ছবি সেই প্যাকেটে ভিতর। এই ছবিগুলোই আমাকে পাঠানো হয়েছিল। আমি কিছু বুঝে উঠতে না পেরে বন্ধুদের দিকে তাকাই ফ্যাল ফ্যাল করে। এক বন্ধুর মায়া হয় আমার জন্য। সে আমাকে জোর করে দাঁড় করিয়ে জড়িয়ে ধরে, আরে পাগল কিচ্ছু হয় নাই, কিচ্ছু হয় নাই। ভালো কইরা দেখ, এই ছবিগুলা তোর রুম থেকেই নেওয়া হইছে। আমরা একটু মজা করলাম তোর সাথে। তুই যা ভাবতাছস ওইসব কিছু না। যা এইবার ঘরে যা, আমরা বিদায় হই।
আমার বুক ফেটে কান্না আসে। এমন মজাও কেউ কারো সাথে করে! আমি বন্ধুটিকে জড়িয়ে ধরে হু হু করে কেঁদে ফেলি। বন্ধুটি আমাকে জড়িয়ে ধরেই বলে, তুই খুব ভাগ্যবান রে দোস্ত, অনেক ভালো মাইয়া পাইছস। আমরা সব খোঁজ-খবর নিছি, তোর শ্বশুর বাড়ির এলাকায় এমন ভালো মাইয়া আর দুইচারটা নাই। যা এইবার ঘরে যা।
আমার মনটা শান্ত হয়। আমি ফিক করে হেসে দিয়ে আমার সেই বন্ধুটির দিকে তেড়ে যাই। আর সবাই হো হো করে হেসে ওঠে।

তান্নির সাথে আমার দিনগুলো ভালোই কাটছে। এখনো কোন ঝামেলা হয় নি। টুকটাক সাংসারিক খুনসুটি ছাড়া আমরা বেশ ভালো আছি। তান্নির ব্যক্তিত্ব মুগ্ধ করার মতো। বিয়ের সময় অনার্স পরীক্ষা দিচ্ছিল। বিয়ের পর সন্তানের ঝামেলা নিয়েই মাস্টার্স পাশ করলো। তারপর চাকুরী করতে চাইলে আমি মানা করলাম। ভাবলাম, দু’জনেই চাকুরী করলে বাচ্চাদের মানুষ করবে কে? সে আমার যুক্তি মেনে নিলো। আমি টানা আট বছর বিভিন্ন নামী-দামী প্রতিষ্ঠানে ভালো পদ এবং ভালো বেতনে চাকুরী করলাম। তারপর একদিন হুট চাকুরী ছেড়ে দিয়ে ব্যবসা শুরু করলাম। সে-ও প্রায় বছর চারেক হয়ে গেল। এত কিছুর মধ্যেও কখনো কোন ঝামেলা হয় নি। কিন্তু গতকাল রাতে করা তার প্রশ্নটিই আমাকে ভাবিয়ে তুলছে। তাহলে এতদিনেও আমি আমার স্ত্রীকে চিনতে পারি নি? নাকি কোথাও কোন ভুল হচ্ছে? কে জানে? আমি ভাবনার অথৈ সমুদ্র মাথায় নিয়ে দিন কাটাতে লাগলাম। ...... [চলবে]
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
  • জালাল উদ্দিন  মুহম্মদ
    জালাল উদ্দিন মুহম্মদ চমতকার ! জমে উঠেছে বেশ। বাকীটুকুর জন্য অপেক্ষায় থাকলাম।
    প্রত্যুত্তর . ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১২
  • নিরব নিশাচর
    নিরব নিশাচর মামনি দেখি তার বাপকেও ছাড়িয়ে যাবে... ওয়াহিদ ভাইয়ের মত আমিও বলছি - টক, মিষ্টি ঝাল...
    প্রত্যুত্তর . ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১২
  • জাকিয়া জেসমিন যূথী
    জাকিয়া জেসমিন যূথী গল্পটার দ্বিতীয় পর্ব কিভাবে দেবেন? পরের মাসে যেই বিষয় দেবে সেই বিষয়েই তো দিতে হবে তাইনা? গল্প ভালো লাগলো।
    প্রত্যুত্তর . ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১২
    • সালেহ মাহমুদ ভোটের ব্যাপার আমার কাছে গেৌণ, তাই ওই ব্যাপারটি নিয়ে আমার কোন মাথাব্যথা নেই। একটা কিছু তো লেখা হচ্ছে নাকি? কি বলেন আপনি?
      প্রত্যুত্তর . ১ অক্টোবর, ২০১২
    • সালেহ মাহমুদ আমার মনে হয় ধুমকেতু তেমনিটই চিন্তাভাবনা করছেন। নাকি ভুল বললাম ধুমকেতু?
      প্রত্যুত্তর . ১ অক্টোবর, ২০১২
    • ধুমকেতু ধন্যবাদ জুঁইফুল এবং সালেহ মাহমুদ। সালেহ মাহমুদ দেখি আমার মনের কথাটিই বলে ফেললেন, খুব ভালো লাগলো। আসলেও ভোট নিয়ে মাথা ঘামানোর কোন কারণই দেখি না। ভোটিং অপশনটা বন্ধই করে দিতে ইচ্ছে করে মাঝে মাঝে। কিন্তু নিজের মাঝে অহংবোধের জন্ম নেয় কি না সে জন্যই বন্ধ করি না। আছে থাক, কেউ ভোট দিলে দিক না দিলে না দিক। কাটা কাটা মন্তব্য পেলেই যুৎসই লাগে আমার কাছে। ধন্যবাদ সবাইকে।
      প্রত্যুত্তর . ১ অক্টোবর, ২০১২
    • জাকিয়া জেসমিন যূথী হ্যাঁ, ভোট তো অবশ্যই গৌণ। গল্পকবিতায় আমিও মূলত গল্প দেই, এইখানে নির্দিষ্ট বিষয়ের উপরে লিখতে গিয়ে একটি মানসম্মত গল্পের জন্ম হয় বলে।
      প্রত্যুত্তর . ১ অক্টোবর, ২০১২