বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ২ সেপ্টেম্বর ২০২০
গল্প/কবিতা: ৪২টি

সমন্বিত স্কোর

৪.২৭

বিচারক স্কোরঃ ২.৯২ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ১.৩৫ / ৩.০

অঙ্গিকার

দুঃখ অক্টোবর ২০১৫

নৌকার অরণ্যে ফিরে আসা

গভীরতা সেপ্টেম্বর ২০১৫

একাত্তরের মেরী তিনি

ঘৃনা আগস্ট ২০১৫

কোমলতা (জুলাই ২০১৫)

মোট ভোট ৩৬ প্রাপ্ত পয়েন্ট ৪.২৭ ঘাসের সিন্ধু

খন্দকার আনিসুর রহমান জ্যোতি
comment ২২  favorite ০  import_contacts ৭৩২
এক পশলা বৃষ্টির নির্ঝর
একান্তে ঝরে গেলো কিছুটা সময়
ধুয়ে গেলো দৃষ্টতঃ পৃথিবীর বাকল
রঙধনু দুপুরে ভেজা পাতার আয়নায়
নিসর্গ ফিরে পেলো হারানো যৌবন।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার ইতি টেনে
অজল মরুতে ঝরালে অকাল বর্ষণ
রেণু রেণু অগ্নিস্নানের অসীমে পুড়ে
পায়ে ডলা ঘাসফুল চোখ মেলে চায়
চারদিকে তার থৈ থৈ জলের ছিটমহল।

ঝিমিয়ে পড়া তৃষ্ণার্ত মহাকাল
ক্ষয়ে যাওয়া সময়ের খিড়কি খুলে
খুঁজে পেলো বেঁচে থাকার সুঘ্রাণ,
বিদগ্ধ ধমনীর নিরস কলিজায়
শুষে নেয়া চাই সবটুকু জলের বিন্দু
অথচ নিঃশেষ হতে থাকে ঘাসের সিন্ধু
বয়ে যায় অবগাহনের সরস সময়।



উড়ে আসে কাক, খুবচেনা পাখিরা
অনাহুত এক হড়কাবানের তোড়ে
ভেঙ্গে গেলো ঘাসফড়িঙের স্বপ্নডানা
ঝিঝি পোকার অন্তরে জাগে ভয়,
দালানের কার্নিশে এক-ঝাঁক চড়ুই
কর্নিয়ার ক্যানভাসে জলছবি আঁকে
অপেক্ষার পালা বুঝি শেষ হয়ে যায়
আসে কিছু যুবতী শালিকের মেয়ে
হাঁটুজলে নেমে ঝটপট নেয় নেয়ে
কোমল পালক ধোয় জলঘাসের ভেতর।

ছুটে চলে দুরন্ত কৈশর
বৃষ্টিতে ভিজে কোমলমনা শিশুরা
ছোপ ছোপ জলে লুটোপুটি খায়
আদুল গায়ে ভেজা ঘাসের গন্ধ মাখে
গড়াগড়ি করে নিপাট জলের বিছানায়

কপালের ধূলী মুছে কচি-পাতা বউ
ফিরে যায় আদিম অরণ্যের টানে
অবগুন্ঠন খুলে আবার বন্য হয়ে ওঠে
ভেজা পাতার নিকানো উঠানে
সোনাপাতা মঞ্জুরী সোনালু কিশোরী
কণা কণা বৃষ্টির সোনা মেখে
কেনো যে আরও পরিণেয় হতে চায়
তুমি রাধাচূড়ার কাছে তা জেনে নিও

কোমল মনে তোমার মেঘ জমেছে যতো
অসময় ঝরে গেলে কষ্ট পাবে নাতো?
আমার ছবি তোমার জলে দেখে
সব ব্যথা ভুলে যাবো চিরদিনের মতো।





আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন