বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১ জানুয়ারী ১৯৬৮
গল্প/কবিতা: ২টি

গর্ব (অক্টোবর ২০১১)

উচ্ছ্বাস কিংবা প্রাণের বিভাস

ইরতিয়ায দস্তগীর
comment ৩১  favorite ১০  import_contacts ৪০৭
আজকের এই চরাচরে পূর্ণিমার রাতে চাঁদ বুঝি ভীষণ লজ্জায়
মুখ লুকাতে আড়াল খোঁজে মেঘেদের আঁচলের ফাঁকে, ভূলুণ্ঠিত মানবতার হাহাকারে;
ভূমিতে যেখানে নিদারুণ উৎকণ্ঠায় পথ পানে বিছিয়ে দৃষ্টির ঊর্ণাজাল শঙ্কিত জননী
খোঁজেন আশ্রয় দুর্বিনীত সময়ের কাছে; যেন নিরাপদে ফিরে আসে নাড়ী-ছেঁড়া ধন।

একদা যেখানে বুকের আড়ালে নিয়ত স্পন্দিত হতো
ভালোবাসা আর স্বদেশের অপার মহিমা গাঁথা
যাঁরা আকাতরে বিলিয়ে দিয়েছে প্রাণের উচ্ছ্বাস
ভালোবেসে, আগামীর সবুজ ঘাসের গালিচায় কচি আর তুলতুলে পায়ে
কখনো এগিয়ে যাবে আমাদের এ প্রজন্ম;
যারা গর্ব ভরে করবে স্মরণ প্রপিতামহের কৃতকর্ম সেই ভরসায়।

পরপারে তারা আজ বিমুখ নতুন এ প্রজন্ম থেকে
অবহেলা আর উন্নাসিকতা যাদের অবলম্বন;
বিপন্নতা আর পরম বিষন্নতায় সমর্পিত যারা বিস্মৃতির কাছে; ভূলুণ্ঠিত
পূর্ব-পুরুষের শোণিত ধারায় গ্রথিত
অহংকার আর গর্বের পাঁচিল, আত্ম-পরিচয়।
দুর্বৃত্তের উন্মাতাল নৃত্যে পুরো লোকালয়;
যেন উট পাখি সাহারা অথবা গোবীর
নির্জন বালুকায় ডুবিয়েছে মুখ প্রবল ধূলির এলোমেলো ঝাপটায়।

উম্মূখ আমরা নিয়ত তাকিয়ে আছি সে দিনের প্রত্যাশায় যেদিন আবার দাঁড়াতে পারবে মাথা তুলে
মাস্তুলে টানানো হাওয়ার জোরে গর্বস্ফিত টানটান নৌকার পালের মতো চিতিয়ে বুকের পাটা
কৃষাণ-কৃষাণী; দিবারাত্রি খেটে খাওয়া মানুষ; কালো-আইন-বন্দুকবাজির কাছে
জিম্মি, আতঙ্কিত যারা; হেসে উঠবে বিগত কালের উচ্ছ্বাস, প্রাণের বিভাসে ফের।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন