বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
গল্প/কবিতা: ৮৮টি

সমন্বিত স্কোর

১.৬১

বিচারক স্কোরঃ ০ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ১.৬১ / ৩.০

অনুভবে অনুরণন

প্রেম ফেব্রুয়ারী ২০১৭

অদৃশ্য অবান্তর

কি যেন একটা জানুয়ারী ২০১৭

ভেঙে যায় খেলাঘর

আমার স্বপ্ন ডিসেম্বর ২০১৬

বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী (নভেম্বর ২০১২)

মোট ভোট ৫৯ প্রাপ্ত পয়েন্ট ১.৬১ ধৃষ্টতা, নাকি অদৃষ্টের লেখা !

সেলিনা ইসলাম
comment ৩৩  favorite ০  import_contacts ৮২৪
পৃথিবী ধ্বংসের পরে এর উত্তপ্ত বুকে প্রথম প্রাণের স্পর্শ...এক্সের বড় নাতনী শাক্স। দাদুর শেষ ইচ্ছা পূরণে একবারটি এসেছে সেই আদ্যিকালে ধ্বংস হয়ে যাওয়া একটা গ্রহে। যেখানে কোন একজন মহান মানুষ ছিলেন যার রুটস বাংলাদেশ নামক একটা সবুজ শ্যামলে ঘেরা সুন্দর দেশে। “বাংলাদেশ”! যে দেশের মানুষ গর্ব করে নিজেদের ভাষার জন্য। যে দেশের মানুষ দেশের জন্য নিজের রক্ত দিয়ে পরিণত করতে পারে একটি সাগরে। সেই দেশের মাটিতে গড়া মানুষটার পবিত্র মন ও হাতের ছোয়ার জাদুতে অনিচ্ছাকৃতভাবেই এক্স তাদের গ্রহ উপগ্রহের রোটেশন প্রথা অমান্য করে নিজের পরিবারকে চরম বিপদের মাঝে ফেলে দিয়েছিলেন। আর অলৌকিকভাবে এই মানুষটি এবং তার সহযোগীর সহায়তায় সে যাত্রা নিরাপদে ফিরতে পেরেছিলেন। কিন্তু যখন এক্স এই গ্রহে সেই দানবদের দেখা পেলেও পায়নি সেই শ্রদ্ধাভাজন বীরদের দেখা তখন কিছুটা হলেও অবাক হয়েছেন! শতচেষ্টায়ও জানতে পারেনি কেন তারা আসেনি? এক্স তার কথা রক্ষার্থে স্বাধীনভাবে থাকার জন্য তিনটা বড় এস্টেট দিয়েছেন তাদেরকে। আর সেই সুন্দর মনের মানুষের খবরের সন্ধানে আজ বৈজ্ঞানিক শাক্স এসেছে এই গ্রহে। যদি কোন তথ্য পাওয়া যায় সেই আশায়।
-ধেৎ এই পুঁড়া গ্রহে কি কিছু পাওয়া যাবে? কেন যে বুড়ো দাদুটা এতো জেদ ধরে গো করে বসে থাকল? আর দাদুকে খুশি করতে শাক্সও কিছু না ভেবেই চলে এল। সত্যি কি কিছু পাবে সে?

হাজারো কথা ভাবতে ভাবতে শাক্স ডিটেক্টর যন্ত্র নিয়ে নেমে আসে... কিন্তু কি অদ্ভুত প্রথম যে সার্চ অ্যাকটিভ করলো তাতেই ব্লিপ,ব্লিপ শব্দ! সার্চ পার্টি রোবটদেরকে নামিয়ে জ্বলজ্বলে চোখে অনেক আগ্রহ নিয়ে তাকিয়ে থাকে শাক্স। কিছুক্ষণ পর রোবট ফেরত আসে কালো ছাইমাখা ছোট্ট একটা বস্তু হাতে নিয়ে। এতোকিছুর পরেও বস্তুটা অক্ষত আছে দেখে কিছুটা আশ্চর্য হল শাক্স। তারপর কিছুক্ষন এদিক সেদিক খুঁজে কিছু না পেয়ে আনন্দ সহকারে ফিরে যায় নিজের দেশে,প্রিয় দাদু এক্সের কাছে। কিছুটা সময় ধরে এনার্জি চার্জ দিতেই সচল হল ছোট্ট বস্তুটি। একটা ফাইল ওপেন করতেই ভেসে উঠল কিছু লেখা।–‘আরে এতো দেখি একটা গল্প মনে হচ্ছে !’ শাক্স সবকিছু পরিক্ষা নিরিক্ষা করে নিজেই একটা রিপোর্ট সাবমিট করল গল্পের মত করে । বস্তুটা সবাইকে দেখিয়ে বলল-
-এর নাম ড্রেগোপড।
সবাই আগ্রহ নিয়ে বসে আছে । গলায় খাঁকারি দিয়ে রিপোর্টটা পড়া শুরু করল। সবাই মগ্ন হয়ে শুনছে –

আজ থেকে ১০০ বছর আগে মিঃবি.ডাল্টন নামে একজন বৈজ্ঞানীকের সৃষ্টি ইয়ার্কস বিভিন্ন হাত ঘুরে ঘুরে আজ ক্যালিফোর্নিয়ার একটি ল্যাবে নিষ্ঠার সাথে দীর্ঘ ৩৫ বছর যাবত কাজ করে যাচ্ছে এম এস আই-এর সাথে। তিনিই এক্সের স্পেসসসার আনতে সক্ষম হয়েছিলেন এবং এক্সের কোম্পানির সাথে একটা ডিল করেছিলেন যখন প্রয়োজন পড়বে পৃথিবীর মানুষকে তারা সানন্দেই নিজেদের দেশে আশ্রয় দিবেন। বিশ্বের সবাই যখন উড়ন্ত সসারের আগমন ঘটাবার আশা একেবারেই ছেড়ে দিয়েছিলেন তখন একমাত্র এম এস আই আরো বেশী আত্মবিশ্বাসী হয়ে গবেষণার কাজে নিজেকে সম্পৃক্ত করেছিলেন। রাতদিন ২৪ ঘন্টা খেঁটে তিনি বিশ্বকে দেখিয়ে দিয়েছিলেন অসম্ভবকে সম্ভব করে! আর এই কৃতিত্বের জন্য এম এস আই পেয়েছিলেন নিদারুণ যন্ত্রণা। আমেরিকান সাইন্টিস্টরা সবাই মিলে এক্স ও তার পরিবারকে সসারটিসহ বন্দী করতে চাইলেন। কারন সব জল্পনা কল্পনাকে ধুলিস্যাৎ করে দিয়ে দেখা গেল এদের ছোটখাট হিউম্যনয়েড বডি এবং মুখের ও মাথার আকৃতি বিস্টের মত। আর তাই তারা প্রতিটা সদস্যকে নিয়ে রিসার্চ করতে চাইলেন। এতে করে শান্ত স্বভাবের এক্স পরিবার ভীষণভাবে ভয় পেয়ে চিৎকার জুড়ে দিলেও সাইন্টিস্টদের কারো মনেই দয়া জন্মালো না। এদিকে পরিবারের কথা চিন্তা করে মুষড়ে পড়েছে এক্স। আর সবার এই আকস্মিক ব্যবহারে ইয়ার্কস আর এম এস আই হতবিহ্বল হয়ে গেলেন।
এক্স উপায়ন্তর না দেখে এম এস আই -এর কানে কানে কিছু একটা বলতেই তার মুখ উজ্জ্বল হয়ে উঠল। তিনি হাসি হাসি মুখ করে বললেন-
-আপনারা এদেরকে সসম্মানে তাদের দেশে যেতে দিন। বিনিময়ে ওরা আপনাদেরকে, মানে মানব জাতীকে কিভাবে ওদের দেশে যাওয়া যাবে এবং আশ্রয় পেয়ে সুন্দর জীবনযাপন করা যাবে তার সব ব্যাবস্থা এক্স নিজেই করবে। এক্সের কোম্পানী তাদের দেশের সব রকম বৈধতা এই গ্রহের মানুষদেরকে দিবে।
কথাটা শুনে মিঃ ডেভিড মোটা গোঁফে হাত বুলিয়ে বললেন-
-শাটআপ ইউ ব্লাডি এম এস আই জাস্ট শাট আপ।
এবার স্টিফেন্স বলে উঠে-
-স্টপ টকিং বুলশিট গেট আউট অফ হিয়ার...একটা ধাক্কা মেরে এম এস আই -কে সরিয়ে দিলেন। সাথে সাথে ইয়ার্কসের মাথায় খুন চেপে বসল কিন্তু কিছু বলল না মনিবের কথা ভেবেই। তবে সে যা করল তাতে ল্যাব রুমের সবাই স্তম্ভিত হয়ে গেল। রুমের ভীতরে স্মোক বোম্ব ফাটিয়ে দিয়ে সমস্ত ঘর ধোঁয়া ধোঁয়া করে ফেলল। মাত্র কয়েক সেকেন্ড রুমের সবাই কাশি হাঁচি দিয়ে একটু শান্ত হতে দেখে সবাই জায়গামত আছে শুধু এক্স ফ্যামিলী নেই। দৌড়ে সবাই বাইরে বের হয়ে দেখে ফ্লাইং সসারটিও চলে গেছে নীল একটা গর্তচিহ্ন রেখে। সমস্ত রাগ গিয়ে পড়ল এম এস আই এর উপরে এবং তাকে শাস্তি স্বরূপ গৃহবন্দী করে আবার সসারটি ফেরত আনার কাজে জোর করা হল। যদিও এম এস আই ইয়ার্কসের উপর ভীষণভাবে খুশী হলেন। ইচ্ছার বিরুদ্ধেই একের পর এক ম্যাসেজ দিয়ে যাচ্ছে ওদেরকে ফিরিয়ে আনার জন্য কিন্তু এতে করে কোনই কাজ হচ্ছেনা। এম এস আই-এর উপর অত্যচারটা এতো বেশী হয়ে গেল যে তিনি ল্যাব রুমেই চীরতরে ঘুমিয়ে গেলেন।
************************************************************************
আকাশটা আগুনের মত লাল হয়ে আছে। ফোঁটা ফোঁটা বর্ষার তীক্ষ্ণতায় মাটির প্রতিটা কণা এসিডের তীব্রতায় জ্বলে পুড়ে যাচ্ছে। ক্ষণিকের এই বর্ষণ সবাইকে জানিয়ে দিচ্ছে সময় খুব কম তোমাদের হাতে। আর মাত্র কিছুক্ষণ তারপর ইতিহাসের পাতায় জ্বলজ্বল করবে “পৃথিবী” নামে একটি গ্রহের নাম। চাঁদ, সূর্য, আলো,বাতাস এসব কিছুই গত হয়েছে তিনদিন হয়ে গেল। চারিদিকে শুধুই অন্ধকার বিরাজ করছে। ইয়ার্কস এই অন্ধকারেও দিব্যি দেখতে পাচ্ছে সবকিছুই। এই মুহূর্তে সে কি করবে তারই একটা সাবরুটিন এক্টিভেট করে নিল মস্তিষ্কের মাঝে। যদিও মাঝে মাঝেই নিজের মস্তিষ্ককেই ইডিয়েট বলে গালিগালাজ করছে। ঠিকমত কাজ করছে না বলে। এইতো কিছুক্ষন আগে কিছু মোমবাতি বানাতে চাইল। নিজের জন্য না এম জে আই -এর জন্য। ওকে জন্ম দিতে গিয়ে যেদিন ওর মা মারা গিয়েছিল সেদিন ইয়ার্কস নিজেই ওকে বুকে তুলে নিয়েছিল। আজ এই ছোট্ট দুই বছরের এম জে আই -কে বাঁচানোর জন্যই তার সব আয়োজন। বাচ্চাটা অন্ধকারকে ভয় পাচ্ছে । পানির পিপাসায় ছটফট করছে। ইয়ার্কস ভেবে পাচ্ছে না কি করবে সে? পানির ট্যাপ থেকে বের হচ্ছে বিষাক্ত অয়েল। একফোঁটা খাবার পানি কোথাও নেই। “টবিয়াস”নামে একধরণের মেডিসিন আছে যা খেলে ১২ ঘন্টা ক্ষুধা এবং পিপাসা লাগবে না।কিন্তু এই ওষুধ খাওয়ার ফলে শরীর দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। ছোট্ট এম জে আই খেলাধুলাও করছে না। ইয়ার্কস যেভাবেই হোক এই ছোট্ট শিশুটাকে শেষ হতে দেবে না। কেমন করে সে দেখবে তাকে শেষ হতে? যেভাবেই হোক এক্সের কাছে পাঠিয়ে দিতে হবে তাকে!

একফোঁটা অক্সিজেন নেই কোথাও। নদী সাগরের পানি পাঁথর হয়ে পাহাড়ের রূপ নিয়েছে। চারীদিকে আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত। লাভা ছুটে আসছে সবকিছুকে গ্রাস করতে। ধনী ব্যাক্তিদের নিয়ে প্রতিদিন স্পেসশীপ যাচ্ছে এক্সের দেশে। এক্স সবাইকে কেমন অভ্যর্থনা জানাচ্ছে তা না জানলেও যারাই যাচ্ছে তারা ফিরে আসছে না। যাদেরকে স্পেসশীপে যাবার অনুমতি দেয়া হয়েছে তাদের সবাইকেই বার্থ সার্টিফিকেট এবং ছবি জমা দিতে হবে। একদল বিশ্বস্ত রোবেথেস্পিয়ান নিষ্ঠার সাথে এ কাজ করে যাচ্ছে। যেহেতু বাসার সাথেই এই স্পেসশীপ ল্যান্ডিঙের ব্যবস্থা করা হয়েছে তাই ইয়ার্কস আজ আবার এম জে আই -কে নিয়ে হাজির হল। নভোচারীরা আই এস এস এর মধ্যে যে ধরনের কাপড় পড়ে আর যখন বাহিরে গিয়ে কাজ করে তখন এর সাথে বিশেষ হেলমেট পড়ে ঠিক তেমনি পোশাক ও হেলমেট ইয়ার্কস নিজে তৈরী করেছে এম জে আই-এর জন্য । ইয়ার্কসকে দেখে স্বজাতি অ্যানড্রয়েড রোবট রোবেথেস্পিয়ান বেশ খুশী হল এবং কুশলাদি বিনিময় করল। ইয়ার্কস ছোট্ট তুলতুলে এম জে আই-কে এবং তার ছবি ও বার্থ সার্টিফিকেট বসের হাতে তুলে দিলেন। বস এরিক ছবি দেখে অনেক খুশী হলেন এবং এম জে আই-কে কোলে তুলে অনেক আদর করলেন। ইয়ার্কসকে বকা দিলেন কেন এতো দেরী করে আনা হল এই শিশুটিকে? কারন প্রথম স্পেসশীপ গুলিতে আগে শিশুদেরকে পাঠানো হয়েছে। ইয়ার্কস বললেন না যে এই কাজটি করতে আগেও তিনি ব্যর্থ হয়েছেন। মনে মনে বিপদের সময়ে মনিব এম জে আই-এর শেখানো দোয়া আওড়াতে লাগলেন-“ইয়া মুকাদ্দিমু, ইয়া মুকাদ্দিমু,ইয়া মুকাদ্দিমু”যা পড়ে বিপদ থেকে উদ্ধার পাওয়া যায়। এবার বস এরিক বার্থ সার্টিফিকেট দেখলেন
নাম-মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম পিতার নাম-মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম জন্ম তারিখ-২/১২/৩০৩৪ জন্মস্থান-ক্যালিফোর্নিয়া সাইন্টিস্ট কলোনি হসপিটাল।
এরিক মুহূর্তেই গম্ভীর হয়ে কোল থেকে এম জে আই -এর নিভু নিভু দেহটা ইয়ার্কসের কোলে তুলে দিলেন। কিছু বললেন না হঠাৎ বেশ ব্যস্ত হয়ে পড়লেন স্পেসশীপ ছেড়ে দেবার জন্য। হাঁস মুরগী থেকে শুরু করে একজোড়া করে শুয়ারও নিয়ে নিলেন।
সমস্ত পৃথিবীটাকে একটা ঝাঁকি দিয়ে টকটকে লাল মেঘের মাঝে মিলিয়ে গেল শিপটি । ইয়ার্কস দেখতে পাচ্ছে অরেঞ্জ কালারের ঘন তরল কিছু ঠিক তার পায়ের গোড়ালীর কাছে চলে এসেছে! মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলামকে বুকে জড়িয়ে ধরে ইয়ার্কস কাঁপা কাঁপা হাতে লেখাটা শেষ করে সেভ করে রেখে গেলেন মানবরুপী কিছু পিশাচের কাহিনী। যারা সারাবিশ্ব জুড়ে শ্রেষ্ঠ মানবিকতার জীব বলে নিজেদেরকে দাবী করে শান্তি প্রতিষ্ঠার নামে অরাজকতার সৃষ্টি করে এসেছিল।

বিজ্ঞান গবেষনাগারের কনফারেন্স রুমে পিন পতন নিরবতা... শেষের দিকে অক্ষরগুলো ঝাপসা লাগে,গলা ধরে আসে পড়তে গিয়ে। বিজ্ঞানী শাক্সসহ এলিয়েন পরিবারের সবাই হু হু করে কেঁদে যায়... হাজার বছর পূর্বের হারিয়ে যাওয়া এক সভ্যতার জন্য। যেখানে স্বার্থপরতা ও দাম্ভিকতার প্রলেপে জন্ম দিয়েছিল ক্ষমতালোভী কিছু অসভ্য জাতি..যাদের মন ছোট্ট একটা শিশুও জয় করতে পারেনি। যার নামের প্রথম ও শেষের শব্দগুলির সম্পৃক্ততায় বেঁচে থাকার সব চেয়ে বড় অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছিল!
“ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন” এক্সের কথায় সবাই সম্বিত ফিরে পেয়ে দুহাত উপরে তুলে জোরে জোরে দোয়া পাঠ করতে থাকে...।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন