বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ২ এপ্রিল ১৯৮৭
গল্প/কবিতা: ১২টি

সমন্বিত স্কোর

৩.৬

বিচারক স্কোরঃ ১.৩৫ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ২.২৫ / ৩.০

চোর

অস্থিরতা জানুয়ারী ২০১৬

মূল্যবোধ

শিক্ষা / শিক্ষক নভেম্বর ২০১৫

মৃত্যুর কয়েক দিন আগে

দুঃখ অক্টোবর ২০১৫

কোমলতা (জুলাই ২০১৫)

মোট ভোট ১৫ প্রাপ্ত পয়েন্ট ৩.৬ খুব বেশী মনে পড়ে মাকে

ফয়সল সৈয়দ
comment ১২  favorite ০  import_contacts ৫৫৪
খুব বেশি মনে পড়ে মা কে
যখন মা কাছে থাকে না
মনে হয়
আমার মায়ের মুখের কাছে পৃথিবীর সব সরলতা নেতিয়ে পড়ে।

যখন খুব প্রয়োজনীয় কিছু খুঁজে পাইনা ।
তখন মনে হয় আমার প্রয়োজন টুকু আমার চেয়ে মায়ের-ই বেশি।
তন্নতন্ন করে খুঁজতে থাকে ড্রয়িং রুমে ,বেডরুমে ,আলমারির পিছনে ,খাটের উপরে-নীচে।

রেস্তোরায় ফাস্ট ফুড কিংবা চাইনিজ খেতে গেলে ভাবি।
মা এখানে আসলে কি করবে ? খাবে নাকি অর্নগল উপদেশের বাণী শুনাবে
আমাকে তুই কোথায় আনলি ? অসভ্যতারও সীমা আছে এখানেতো তাও দেখছি না,
তুই এখানে আরকয়বার এসেছিস ? কাকে বা সঙ্গে করে আনলি ইত্যাদি, ইত্যাদি।
সংসারে মায়ের আরেক নাম নিউক্লিয়াস।
স্ংসারের সব অয়োজনে মাকে চাই–চাই।

কর্ম ব্যস্ত জীবনে অনাকাঙ্খিত ভুলে আমসি হয়ে আছে মুখ
কি অদ্ভুত! কেউ টের না পেলেও
মা পাশে বসে নিরিবিলি জিজ্ঞেস করে, কিরে ফয়সল
তোকে এমন দেখাচ্ছে কেন?
অফিসে কি কোন সমস্যা হয়েছে।
অবাক হয়ে মায়ের দিকে তাকিয়ে থাকি আমি।
আমার আরেক সত্তার নাম কি মা !
অশরীরী শক্তির মতন যিনি পরমমমতায় জড়িয়ে রাখেন আমাকে, সারাক্ষণ।
আমার সমস্ত সুখ-দুঃখের নীরব সাক্ষি মা।
পৃথিবীর সমস্ত সৌন্দর্যে আমি মা কে খুঁজি।
তখন আমার খুব বেশি মনে পড়ে মা কে।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন