বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১৪ জুলাই ১৯৬০
গল্প/কবিতা: ৩৫টি

সমন্বিত স্কোর

৩.৭৯

বিচারক স্কোরঃ ১.৫৯ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ২.২ / ৩.০

বিভীষিকার কালো ছায়া

রাত মে ২০১৪

বরফ চাপা ছাই

বাংলার রূপ এপ্রিল ২০১৪

স্বপ্ন, প্রত্যাশা ও বাস্তবতা

কৈশোর মার্চ ২০১৪

শুন্যতা (অক্টোবর ২০১৩)

মোট ভোট ৩৩ প্রাপ্ত পয়েন্ট ৩.৭৯ অশরিরী

বশির আহমেদ
comment ৯  favorite ১  import_contacts ৮৭৬
রাতে প্রায় সাড়ে বরোটা ফেবু নিয়ে নাড়চাড়া করছি কিছুতেই ঘুম আসছে না । ফেবুতে সময় দিতেও আর ভাল্লাগছে না । কি করা যায় কি করা যায় ভাবছি । ল্যাপটপ থেকে এয়ার ফোন লাগিয়ে হৈমন্তি শুক্লার গান শুনলে কেমন হয় । যেই বলা সেই কাজ । হৈমন্তি শুক্লার গানের ঝাপি খুলে বসলাম । কিছুক্ষন পর সোফায় গা এলিয়ে দিয়ে পা দুটো দুলিয়ে গান শুনতে থাকলাম ।
রাত তখন দুটো হঠাৎ শরীরে একটা মৃদু দোলনি অনুভব করলাম । কে যেন আমাকে জানালা গলিয়ে বাইরে খোলা হাওয়ায় নিয়ে এলো এবং উড়িয়ে নিয়ে চললো । বাইরে রাস্তার বাতিগুলো মিটমিট জ্বলা ছাড়া প্রায় সব অন্ধকার । উপরে আকাশে চাঁদের মিষ্টি নরম হাসি । বুঝা যাচ্ছে কারা যেন আমাকে নিয়ে হাসতে হাসতে উড়ে যাচ্ছে । সামনে একটা সুন্দর ঝিল চোখে পড়ছে । সুন্দর নিয়ন বাতির আলোতে চারদিক ঝলমল করছে । সবাই আমাকে নিয়ে হাতির ঝিলের পাড়ে এসে নামলো । সাদা পরীর মত এক দল ছায়া মূর্তি আমার সামনে হাসি ঠাট্টায় মেতে উঠলো । তাদের পেয়ে যেন হাতির ঝিল আরও আলো ঝলমলে হয়ে উঠছে । চারি দিক নীরব নিস্তব্দ মাঝে মাঝে নিশি শিকারীদের দু একটি গাড়ী ফুড়ুত ফারুত করে এদিক থেকে ওদিক ছুটে যাচ্ছে । আমায় নিয়ে তারা ঝিলের স্বচ্চ পানিতে জল কেলিতে মেতে উঠলো । আমি তাদের হাতে টেবিল টেনিস বলের মত একবার এদিক আর একবার ওদিক ছিটকে পড়ছি । আমার যত কান্না পাচ্ছে তাদের তত হাসির ফোয়ারা ছুটছে ।
জলকেলি শেষে আবার উড়ে চললো অল্প কিছুক্ষন পরই সংসদ ভবনের খোলা চত্তরে এসে নামলো । সবাই হাত ধরে নেচে গেয়ে গেয়ে চন্দ্রিমা উদ্যানে ঢুকলো । সেখানে ঢুকতেই একদল নিশি কন্যা ও তাদের কয়েকজন খদ্দেরকে দেখতে পেয়ে আমায় নিয়ে আবার আকাশে উড়াল দিল । উত্তর দিকে কিছুদুর গিয়ে বোটানীক্যাল গার্ডেনে এসে চক্কর দিয়ে পদ্মপুকুর পাড়ে এসে নামলো । পদ্ম পুকুর পাড়ে গোল হয়ে জলে পা ডুবিয়ে বসে বসে চাঁদের মিষ্টি আলোয় পদ্মফুলের সাথে খুশ গল্পে মেতে উঠলো । আমি তাদের গল্পের ভাষা কিছুই বুঝতে পারলাম না । তবে তাদের হাসির ফোয়ারা দেখে বুঝেছি তারা বেশ আনন্দে সময় কাটাচ্ছে । তাদের আনন্দ দেখে আমিও আমার নিজের সম্পর্কে সব কিছু ভুলে বসে আছি । আমিও তাদের সাথে চাঁদের আলোয় পদ্ম ফুলের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে গেলাম । সেখান থেকে আবার তারা আমায় পাখায় উঠিয়ে নিয়ে উড়াল দিয়ে পুরো গার্ডেন চক্কর দিয়ে কিছু ফুলের সৌরভ সাথে করে নিয়ে পশিচম মুখী উড়ে চললো ।
যাচ্ছে তো যাচ্ছে আর থামার নাম গন্ধ নেই । এক সময় দেখলাম বনলতা সেনের দেশ নাটোরের দিঘাপাতিয়া রাজবাড়ীর সামনে এসে থামলো । বাড়ীটির সামনে ফুলে ফুলে ছেয়ে আছে । বাগানে নেমেই তাদের সে কি আনন্দ । ফুলের মৌ মৌ গন্ধে মোহিত পুরো রাজবাড়ী । ভেতরে প্রবেশ করতেই চোখে পড়লো ছয় ছযটি বিরাট পুকুর । পুকুর পাড়ে অসংখ্য বনজ ও ফলজ গাছ, গাছে গাছে হাজারো নাম না জানা পাখপাখালীর বাসা । বাড়ীর ছাদে উঠে চাঁদের আলোয় পুরো রাজবাড়ীর সৌন্দর্য অবগাহন করে নিচে নেমে মার্বেল পাথরের সজ্জিত জলের ফোয়ারায় রক্ষিত শ্বেত পাথরের মূর্তির গায়ে আলতো হাত বুলিযে আবার উড়ে চললো পুবের দিকে ।
নিচে তাকিয়ে দেখি বিশাল বিস্তৃত এক জল রাশি । হাজার হাজার শাপলা, শালুক আর কচুরীপানা ফুল ফুটে আছে । কোথাও অথৈ পানি থৈ থৈ করছে আবার কোথাও বা ডুবু চর, তার মাঝে দু একটি বাড়ী, গাছগাছালী, ঝোড় জঙ্গল । কিছুদুর যেতেই দেখা গেলো বিরাট এক নদী, যমুনা । নদীর মাঝে মাঝে ডুবুচর বালির বালিয়ারী । এক সময় যমুনা নদী পেরিয়ে শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতি নামক গজনী অবকাশ কেন্দ্রে এসে নামলো । সীমান্তবর্তী গারো পাহাড়ের পাদদেশে এটির অবস্থান । গারো পাহাড়ের ছোট্ট একটি টিলার নাম গজনী । শাল,সেগুন, আকাশমনী, মহুয়া আর গজারী বনের পাতার মড় মড় ধ্বনি, পাখপাখালীর কিচির মিচির, চির সবুজ বনবিথীর ঠাসবুনোট, ঝরনার কলকল, ছলছলাৎ ধ্বনি শুনতে শুনতে আমার চোখে তন্দ্রা এসে যাচ্ছে । ঝুলন্ত ব্রিজে চড়ে হ্রদ থেকে হ্রদে রোমাঞ্চকর ভৌতিক পথ পাড়ি দিতে ভয়ে তন্দ্রা টুটে গেল । লতানো সিড়ি বেয়ে কবিতাবাগ নামক বাগানে এসে নামলাম সবাই । দেশ বিদেশের বিখ্যাত বিখ্যাত কবিদের নামকরা সব কবিতার চরন দিয়ে ভরিয়ে তোলা হয়েছে কবিতাবাগ । গহন গভীর জঙ্গলে যেতেই এক দল বুনা হাতি তারা করলো আমাদের দলকে । দ্রুত উড়ে চললো আরও পুব দিকে নলিতাবাড়ী মধুটিলা ইকো পার্কে । টিলায় পর্যবেক্ষন টাওয়ারে দাড়িয়ে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের তুরা পাহাড়ের দৃশ্য যেন চাঁদের বুড়ি চড়কা কাটার দৃশ্যের মত মনে হচ্ছে । মেঘের জল কণা আর চাঁদের আলোয় মায়াবী পরিবেশ সৃষ্টি হয়ে আছে চারিদিকে । স্টার ব্রিজে দাড়িয়ে বেশ কিছুক্ষন তারা গল্প করে আকাবাকা পথে ঘুরে ফিরে অবার উড়ে চললো দখিন মুখী ।
এবার চলছে তো চলছে থামার নামগন্ধ নেই । অনেক উপরে মেঘের রাজ্যে মেঘের ভেলায় ভেসে বেড়াচ্ছি আমরা । উপরে হাজারো তারার মেলা যেন ফুলবাগানে হাজারো রকমের ফুল ফোটে আছে থরেথরে । নিচে মেঘ উপরে রকমারী ফুলের আচ্ছাদন । মেঘ কেটে কেটে আমরা এগিয়ে চলছি । হিম হিম ঠান্ডায় আমার গায়ে কাপন ধরেছে । আমি ঠকঠকিয়ে কাপছি দেখে কে একজন আমায় পরম মমতায় বুকে জড়িয়ে নিয়ে গরম উষ্ণতায় ওম দিয়ে যাচ্ছে । আমি উষ্ণতার লোভে নিজকে সম্পূর্ন ভাবে সপে দিয়ে চোখ বন্ধ করলাম । মনে হচ্ছে কাস্মীরী মখমলের মাঝে আমি পরম নিশ্চিন্তে শুয়ে আছি ।এক সময় দলটি একটি বিশাল পাহাড়ী লেকে এসে নেমে পড়লো । আমিও ইতোমধ্যে ঘেমে উঠেছি প্রায় । লেকের জলে আমাকেও নামিয়ে দিল । আমি স্ফটিকের মত স্বচ্ছ জলে সাতার কাটতে শুরু করলাম । তারা জল ছিটিয়ে আনন্দে মেতে উঠলো । আমাকেও জল ছিটিয়ে হাসি ঠাট্টায় শরিক করে নিল । এদিকে পুবাকাশ ফর্সা হয়ে উঠছে । দ্রুত পাহাড়ের খাজকাটা সিড়ি বেয়ে পাহাড়ের চুড়ায় উঠে বুঝতে পারলাম আমরা এখন ফয়সলেকে আছি । তারা আমায় নিয়ে বঙ্গোপ সাগরের দৃশ্য দেখতে দেখতে আরও দক্ষিন মুখী উড়ে চললো ।
আকাশের কুল বেয়ে লাল আভা উকি দিচ্ছে । আমার সাথীদের পাখায় সোনালী রোদ পড়ে তা চিকচিক করে উঠছে । কিছুক্ষন চলার পর রোদ্রের তাপ বাড়তে থাকায় তাপ আর সইতে না পেরে চিম্ভুক পাহাড়ে নীলগিরি নামক মেঘের ছাদে এসে আমায় নামিয়ে দিয়ে বলল, হে মনুষ্য বন্ধু আজ আর তোমাকে নিতে পারলাম না তাই তোমাকে এখানে রেখেই আমরা আমাদের রাজ্যে ফিরে যাচ্ছি । তোমাকে আমাদের সবার খুব মনে ধরেছে । আগামী বার তোমাকে কিন্তু আমরা আর ফেলে যাবো না । বন্ধু তুমি তৈরী থেকো আমরা শিঘ্রিই আসছি সেদিন তোমাকে আমাদের রাজ্যে নিয়ে তবেই ফিরবো ।
আমি বললাম তোমরা কারা তাতো বললে না, তোমরা পরী না জীন ? সে যাই হোক তোমরা যেই হও আমিতো মানুষ আমাকে নিয়ে তোমাদের কি লাভ ? আমিতো আর তোমাদের মত আকাশে উড়তে পারি না । তারা জানাল তোমাকে উড়তে হবে না আজকের মত আমরাই তোমাকে উড়িয়ে নিয়ে যাবো যখন যেখানে যেতে মন চায় । আমরা তোমাকে আদর সোহাগ ভালবাসা সব কিছু দেবো যা তুমি কামনা কর ।
আমিতো এক জন কে ভাল বাসি আর তোমরা তো অশরিরী । তোমাদের কে শুধূ অনুভব করা যায় স্পর্শ করতে গেলে কেবলই শুন্যতা, কাম গন্ধহীন । আমিতো আমার ভালবাসার মানুষটিকে কাছে পেতে চাই কেবল তাকেই ভালবাসতে চাই । আমরা তোমার মনের সব খবর জানি । কিন্তু তুমি কি জান যার জন্য তোমার এত ভালবাসা এত রাগ অনুরাগ, সে আদৌ তোমায় ভালবাসে কি না ? তোমাকে তোমার মত কাছে পেতে চায় কি না ?
না তা অবশ্য জানিনা কখনো তাকে জিজ্ঞেস করা হয়নি ।
আমরা সব জানি । আমরা এও জানি তোমাদের মনুষ্য জাতির মধ্যে নিখাদ ভালবাসা খুব কমই পাওয়া যায় । ভালবাসার নামে তোমরা খালি প্রতারনা কর তোমাদের রাজনীতিবিদদের মত । তোমাদের মেয়েরা পুরুষদের সাথে ভালবাসার অভিনয় করে কেবল অর্থবিত্ত আর সামাজিক স্ট্যটাস বিবেচনায় যাতে ভবিষ্যতে সংসার জীবন যাপন নিরাপদ ও মসৃন থাকে । আর তোমাদের পুরুষরা ভালবাস দৈহিক সৌন্দর্য দেখে সাময়িক মোহে, জৈবিক চাহিদা মেটাবার তৃষ্ণায় । তৃষ্ণা শেষ তো ভালবাসা শেষ । তখন আখের ছোবরার মত ছুড়ে ফেলে দিয়ে নতুন করে আর এক জনের মোহে মজে ভালবাসার অভিনয় করে যাও । আমরা সহজে কাউকে ভালবাসি না আর একবার ভালবেসে ফেললে তাকে চিরদিন আর ছাড়তে পারি না । আমরা সবাই তোমাকে ভালবেসে ফেলেছি তাই তোমার মত গান পাগল সত্যিকারের প্রেমিক মানুষকে কে আমরা ব্যর্থ হতে দিতে পারি না । এমন একজন প্রেমিক পুরুষ আমাদের রাজ্যে খুব প্রয়োজন । তাইতো তোমাকে আমরা নিয়ে গিয়ে চিরজীবি করে তুলবো ।
কেন তোমাদের রাজ্যে কি প্রেমিক পুরুষ নেই ? সবাই হো হো করে হেসে উঠলো । আমি আবার বললাম তোমরা হাসছ কেন ? আমি কি ভুল বললাম ।
না মনুষ তুমি ভুল কিছু বলনি তুমি হয়তো জান না আমরা পরী । আমাদের কোন পুরুষ নেই । আমাদের রাজ্য নারী রাজ্য । এখানে রাজা নেই রাণীই সব । তোমাকে নিয়ে গেলে তুমিই হবে এক মাত্র পুরুষ । প্রথম প্রথম কয়েক দিন তোমাকে লুকিয়ে থাকতে হবে কারন তোমাকে আমরা রানীমাতার অনুমতি ছাড়াই নিয়ে যাবো তাই । পরে কোন এক সময় তোমাকে আমরা রানী মাতার দরবারে হাজির করে ক্ষমা চেয়ে নেবো ।
আমাকে লুকিয়ে নেবে কেন ? রানী মাতাকে বলে নিতে দোষ কোথায় ?
আগে বলতে গেলে রানী মাতা কখনো কোন মনুষ্য জাতিকে রাজ্যে প্রবেশ করতে দিবে না । সে পুরুষ কিংবা নারী । আর পুরুষ হলেতো প্রবেশ করতে দেওয়ার প্রশ্নই উঠে না ।
আজ আর অপেক্ষা করতে পারছি না । রোদের তেজ ক্রমেই বাড়ছে আর কিছুক্ষন অপেক্ষা করলে আমাদের পাখা রোদের আলোতে পুড়ে ছাই হয়ে যাবে । তখন রাজ্যে ফেরা মুশকিল হয়ে যাবে ।
নাই বা গেলে ! আমাদের রাজ্যে থেকে যাও চির দিনের জন্যে ।
তা সম্ভব না । কারন তোমাদের রাজ্য সুন্দর হলেও তোমাদের মনুষ্য জাতির মাঝে হিংসা , হানা-হানি, লোভ-লালসা, ঘৃনা-বিদ্ধেষ, জিঘাংষা এতই প্রকট যা দেখে মাঝে মাঝে আমরাও লজ্ঝায় মরে যাই । তোমাদের মাঝে ক্ষমতার লোভ তোমাদের কে পশুর চেয়েও অধম করে তোলে । কিন্তু এতে তোমাদের কোন লাজ লজ্জা বা ঘৃনার উদ্রেক হতে দেখা যায় না । বাই, চললাম! আগামীতে তৈরী থেকো । আমাদের রাজ্যে নিয়ে গিয়ে তোমাকে শুধূ হৈমন্তি শুক্লার গান নয় আধুনি ভারতীয় গানের সেনসেসন শ্রেয়া ঘোষাল সহ ইন্ডিয়ান আইডল জুনিয়ার খ্যাত দেবাঞ্জনার গানও শোনাবো । সেই সাথে তোমাকে নিয়ে ঘুরে বেড়াবো দেশ দেশান্তরে যা তোমার অবচেতন মন কামনা করে ।
চোখ খুলে দেখি বেলা প্রায় দশটা বেজে গেছে । রোদের একটা তীর্যক আলো চোখে পড়ায় চোখটা জ্বলছে । ল্যাপটপে হৈমন্তি শুক্লার গান রিপিট বেজেই চলছে । “আমার বলার কিছু ছিল না নাগো আমার বলার কিছু ছিল না । চেয়ে চেয়ে দেখলাম তুমি চলে গেলে । সব কিছু নিয়ে গেলে যা দিয়ে ছিলে আনন্দ হাসি গান সব তুমি নিলে । যাবার বেলায় শুধু নিজেরই অজান্তে স্মৃতিটাই গেলে তুমি ফেলে -------------------।;
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন