বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ২ জুলাই ২০১৯
গল্প/কবিতা: ২৮টি

প্রাপ্ত পয়েন্ট

৪৯

অতৃপ্ত মায়ের কান্না

ভালোবাসা / ফাল্গুন ফেব্রুয়ারী ২০১৫

ফাগুনের দ্বিপদী

ভালোবাসা / ফাল্গুন ফেব্রুয়ারী ২০১৫

অদৃশ্য কন্ঠ বলেছিল আয়ু মাত্র...

ভৌতিক নভেম্বর ২০১৪

গ্রাম-বাংলা (নভেম্বর ২০১১)

মোট ভোট ৪৯ তাহেরা বেগমের স্বপ্ন

আফরোজা অদিতি
comment ২৩  favorite ৪  import_contacts ৪৯৮
বুকের মধ্যে চিনচিন ব্যথা করছে তাহেরা বেগমের। এরকম প্রায়ই হচ্ছে। এতোদিন বুকের এই ব্যথা আমলে আনেন নি তিনি। কিন্তু আজ অসহ্য লাগছে। বুকের ব্যথার সঙ্গে সঙ্গে বাঁ হাত ঝিম ধরে আছে। শুয়ে আছেন তিনি। কপালে অল্প অল্প ঘাম দেখা দিয়েছে। পিপাসা পেয়েছে। মাথার কাছে রাখা বোতল থেকে এক ঢোক পানি খেয়ে শুয়ে পড়লেন আবার। মনের ভেতর অশান্তি হচ্ছে তার। ধারে কাছে কেউ নেই। থাকার কথাও নয়। এই বাড়ি শূন্য অনেকদিন। অথচ একদিন এখানেই ছিলো রৌদ্র-জোছনার ঝিলিমিলি। ফুলের মেলায় ভরভরন্ত ছিলো ঘরদোর উঠান। নক্ষত্র ছুটে বেড়াতো বাড়ির উঠানে। জোনাকির ঝিকিমিকি ছিলো জীবন।

সেই ১৫ তে এসেছিলেন এই বাড়িতে। জমজমাট ছিলো সব। একান্নবর্তী পরিবারের এই বাড়িটার প্রতিটা ঘর গমগম করতো ছোট বড়ো বিশজনের হাসি-কান্না-কথায়। তখন এই বাড়ির জানালা-দরোজা, এমনকি বাড়ির আসবাব, সবই যেন কথা বলতো, হাসতো। তাহের বেগম সারাদিন বাড়ির কাজে ব্যস্ত থাকতেন। সেই পাশের মসজিদে আজান দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উঠতেন,নামাজ শেষে শুরু করতেন কাজ,তারপর শেষ হতে হতে সেই রাত বারোটা। এতো খাটাখাটনি তবুও সুখ ছিলো তার মনে।

এ-বাড়িতে আসার প্রথম রাতে স্বামীর সঙ্গে বারান্দায় বসে যখন দেখেছেন আকাশের কোলে গোল চাঁদ, চাঁদকে ঘিরে অসংখ্য নক্ষত্র। মিষ্টি হাওয়ায় ঝিরিঝিরি বাঁশপাতার শব্দ, তারায় ঝলমল আকাশের গা বেয়ে ঝরে পড়া জোছনায় মাখামাখি এই গ্রামটাকে তখনই ভালো লেগেছিলো তার। আর সেই মুহূর্তেই তিনি, তার স্বামীকে ভালোবাসার আগেই ভালোবেসেছিলেন এই গ্রাম।

আজ ৬৫’তে এসেও তিনি সেই ১৫তেই আছেন। এখন এই পড়ন্ত বয়সে এসে শুধু তার ভালবাসার সঙ্গে যোগ হয়েছে একটি স্বপ্ন, যা তিনি নিরন্তর দেখে চলেছেন। বাড়ির দক্ষিণে বাঁশবাগানের ছায়ায়, কামিনী আর শিউলি গাছের তলায় তার নিজ ঠিকানার স্বপ্ন দেখছেন তিনি। ওখানেই হবে তার একান্ত নিজের বাড়ি। বাড়ির ওপর বাঁশবাগানের ছায়া পড়বে, সেই ছায়ায় শান্তির ঘুম, ঘুমিয়ে থাকবেন তিনি, তার বুকের ওপর ঝরবে বর্ষায় কামিনী, আর শরতে শিউলি। আহা! আজ তিনি তার এই স্বপ্নের ভাবনায় খুবই মোহিত হলেন।

তিনি, তার বয়সি শরীরের ভেতরের কিশোরী মনটাকে জানালার বাইরের আকাশে উড়িয়ে দিলেন। শরতের নীলাকাশ। খুব নীল। তিনি তাকিয়ে দেখলেন নীলাকাশের নিচে সাদা সাদা মেঘ উড়ছে, সেই মেঘের নিচে উড়ছে একটা পাখি। পাখিটা দুই পাখা দু’দিকে মেলে দিয়ে উড়ছে, একবার উড়ে উড়ে যাচ্ছে মেঘের কাছাকাছি, আবার নেমে আসছে নিচে। তিনি অনেকক্ষণ ওই পাখিটার দিকে তাকিয়ে রইলেন। তার মনে হলো ওই পাখিটা, পাখি নয়, পাখির রূপে তিনি। তিনিই উড়ছেন, বাধাবন্ধনহীন।

তার এক ছেলে এক মেয়ে। মেয়ে,নিশি স্বামীর সঙ্গে ঢাকায় থাকে। জামাই, রঞ্জন ব্যাংকে আছে। মেয়ে স্কুলে। ছেলে, নিলয় আমেরিকাতেই সেটেল্ড হয়েছে। পি.এইচ.ডি. করতে গিয়ে আর ফিরে আসে নি। ছেলের বউ বিদেশী। ৩ বছর আগে দেশে এসেছিলো ছেলে, এরপর আর আসার সময় হয়ে ওঠে নি তার। মেয়েও আসার সময় পায় না তেমন। তিনিই মাঝেসাঝে মেয়ের কাছে গিয়ে থেকে আসেন। চঞ্চল নাতি, জামাই, মেয়ে সবার সঙ্গে কাটাতে ভালো লাগে তার, তবুও চার দেয়ালের ওই দরোজা বন্ধ ফ্ল্যাটে সপ্তাহের বেশী থাকতে ভালো লাগে না তার। সুখ পান না তিনি। দম বন্ধ হয়ে আসে তার। তিনি আকাশ খোঁজেন, খোঁজেন আকাশের তারা। থই থই জোছনায় খোঁজেন মিষ্টি মধুর সবুজ হাওয়া। যা পান না তিনি ওই ফ্ল্যাটের একটুকরা আকাশে।

ফ্ল্যাটের জানালায় এক টুকরা আকাশ দেখা যায়, হাওয়াও আসে কিন্তু গ্রামের মতো মিষ্টতা নেই তাতে। তিনি হাঁপিয়ে ওঠেন, চলে আসেন তার পরিচিত জায়গায়। তার এই বাড়ির বারান্দায় বসলেই তিনি পরম শান্তি পান। মন প্রাণ জুড়িয়ে যায় তার। এখানে বসলেই তিনি পঞ্চাশ বছর আগের নদীর কলতান শুনতে পান। শুনতে পান ভাটিয়ালীর মিষ্টি সুর। চোখের স্মৃতিতে ভেসে ওঠে পাল তোলা নৌকায় নোলক পরা নতুন বউ। তিনিও ওই নদীতে ভেসেই এসেছিলেন এ বাড়িতে।

তার বাড়ির কিছু দূরেই বড়ো রাস্তা। সেই রাস্তা ছিলো মাটির। এখন কংক্রিটের। ওই রাস্তার ওপারে ছিলো নদী। একাত্তরের যুদ্ধে ওই নদীতেই অজানা গন্তব্যে নৌকা ভাসিয়েছিলেন তিনি। স্বামী গিয়েছিলেন যুদ্ধে আর ছেলেমেয়ে নিয়ে একবার এখানে তো আরেকবার ওখানে করে পার করেছিলেন নয়টা মাস। পরিবারের সদস্যদের ওই সময়টা একসঙ্গে থাকা হয়ে ওঠে নি। পরিস্থিতিও ছিলো না। মানুষ অভ্যাসের দাস। যুদ্ধের ওই নয় মাসে সবারই যার যার পরিবারের সঙ্গে থাকার অভ্যাস হয়ে গিয়েছিলো। তাহেরা বেগমদের একান্নবর্তী পরিবার ভেঙে গিয়ে অণু পরিবারে রূপান্তরিত হয়ে গেলো। যুদ্ধ শেষে ওরা ছাড়া স্বামীর ভাই-বোনেরা কেউ আর গ্রামে ফিরে আসে নি।

যুদ্ধ শেষে, স্বামী বিজয় নিয়ে ফিরে এসেছিলো গ্রামে। এখানে এসে আগুনে নিশ্চিহ্ন বাড়ি আবার গুছিয়ে তুলেছিলেন তারা, স্বামী স্ত্রী দু’জনে মিলে। তারপর কেটে গিয়েছে অনেক গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, বসন্ত। কেটে গিয়েছে কতো আনন্দ বেদনার দিন। এই আনন্দ বেদনার মধ্যেই লক্ষ্য করলেন গ্রামের পরিবর্তন। সূক্ষ্ম থেকে সূক্ষ্ম পরিবর্তন দেখলেন তার নিজের চোখে। তার ভালোবাসার গ্রাম কেমন আস্তে আস্তে শহরতলী হয়ে উঠলো তার চোখের সামনে। আর গ্রামের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে পরিবর্তন হলো তার জীবনেরও। ছেলে-মেয়ে বড়ো হলো, তাদের বিয়ে হলো। তারা চলে গেলো দূর হতে দূরে। তার ভালোবাসার মানুষটাও চলে গেলো না-ফেরার দেশে। আর এ-বাড়িতে তিনিও হয়ে গেলেন একা।

না, ছেলে তার কোন অভাব রাখে নি। এই গ্রামেও অভাব রাখে নি বিলাস-ব্যসনের। অভাব নেই তার খাদ্য-খাবারের, পোশাকআশাকের। গ্রামে বিদ্যুৎ আছে। বিদ্যুতের কল্যাণে আছে ফ্রিজ, টেলিভিশন। আছে ডিশ। শুধু বাংলাদেশ টেলিভিশন নয়, বাংলাদেশ, ভারতের সব চ্যানেল দেখতে পারেন তিনি, দেখতে পারেন বিবিসি এবং অন্যান্য চ্যানেল। কিন্তু অতোশতো দেখার ইচ্ছাই করে না তার।

মা একলা থাকে। তিনি যেন একাকীত্ব বোধ না করেন তাই ছেলের এই ব্যবস্থা। শুধু এই নয় তার আরাম আয়েসের সব ব্যবস্থাই করেছে, করছেও। মোবাইল করে প্রতিদিন দুইবার। শুধু দেশে আসে না। কাজের চাপ খুব বেশী। মাঝেমধ্যে ছেলেকে দেখতে ইচ্ছা করে কিন্তু মনকে বশে রাখেন। ছেলে বড়ো হয়েছে, এখনই তো তার ক্যারিয়ার গড়ার সময়। ক্যারিয়ার গড়তে গেলে কাজের চাপ তো থাকবেই। বারবার যদি মায়ের কাছে ছুটে আসে তাহলে কাজের তো ক্ষতি হবেই। তাছাড়া এ কি এপাড়া-ওপাড়া, না গ্রাম থেকে রাজধানী; ফুড়ুৎ ফুড়ুৎ যাবে আর আসবে! মাইল মাইল দূরের পথ, চাট্টি খানি কথা তো নয়!

তাহেরা বেগম শুয়ে আছেন। মাথার উপরে ঘুরছে বৈদ্যুতিক পাখা। আর্টিফিশিয়াল এই হাওয়া খেতে খেতে তার মনে পড়ে কিশোরকালের, আমবাগানের সেই বাতাস লাগা দুপুর। পাড়ার বউ-ঝি-দের একত্র গল্পের আসর। কতো রকমের গল্প হতো। সাংসারিক বিষয় ছাড়াও রূপকথার রাজা রানীর গল্প। গল্প হতো বুদ্ধু ভুতুম, সুখু দুখু। আয়নামতি, মলুয়া সুন্দরী, মহুয়া নদের চাঁদ। তিনি এ গ্রামের বউ হলেও বয়সে ছোট হওয়াতে সকলেই আদর করতো তাকে। তার সহজ,সরল মিষ্টি ব্যবহারে সকলের আপনজন হয়ে উঠেছিলেন তিনি। দাদিশাশুড়ি যখন তার চুল বেঁধে দিতেন, তখন রূপকথা শুনতে চাইতেন তিনি। দাদিশাশুড়ি অনেক অনেক রূপকথা শুনিয়েছেন তাকে। সেসব দিন আজো ভুলতে পারেন না তিনি।
সেই সব দিনের কোলে আবার ফিরে যেতে চান তাহেরা বেগম।

তার মনের ক্যানভাস জুড়ে ভেসে ওঠে সেই সব দিনের ছবি। তাদের গ্রামের প্রাইমারি স্কুলের মাঠে রবীন্দ্র, নজরুল, সুকান্ত জন্মজয়ন্তি উদযাপিত হতো, বছরে একটা/দুটো নাটক হতো। তখন বিদ্যুৎ ছিলো না। হ্যাজাক জ্বালিয়ে এ সব অনুষ্ঠান হতো। সে সময় নাটকে নারী-চরিত্রে অভিনয় করতো পুরুষ। নাটকের কথা মনে হতেই, তাহেরা বেগমের মনে পড়ে নলেন দাসের মুখ। মিষ্টি লাবণ্যময় সেই মুখ। সেই নলেন দাসই সব নাটকে নারী- চরিত্রে অভিনয় করতো। খুব মানাতো তাকে।

মাঝেসাঝে সিনেমা দেখতেও যেতেন। গ্রাম থেকে পাঁচ মাইল দূরের সিনেমাহলে একবার এসেছিলো ‘রূপবান’। খুব নাম করেছিলো ‘রূপবান’। ‘ও দাইমা, দাইমা গো, কিসের বাদ্য বাজে, আমার দাইমা, দাইমা গো’ গানটি ফিরতো সবার মুখে মুখে। গ্রামের কেউ বাদ ছিলো না ‘রূপবান’ সিনেমা দেখার। বিশেষ করে মেয়েরা। তাহেরা বেগমও গিয়েছিলেন ‘রূপবান’ দেখতে। পাশের বাড়ির আলতা খালা, খালার ননদ, জা, একসঙ্গে গিয়েছিলেন সেই সিনেমা দেখতে। তখনও টমটম চালু হয় নি। গরুর গাড়ি ছিলো যাওয়া আসার ভরসা। গরুর গাড়ি ভাড়া করে সিনেমায় গিয়েছিলেন তারা। রূপবানের দুঃখে আলতা খালার সে কি কান্না! মন ছুঁয়ে যাওয়া কান্না ছিলো তার। সে কান্নায় ছিলো আনন্দ, ছিলো বেদনা। আনন্দ ছিলো সিনেমা দেখার, বেদনা ছিলো রূপাবানের কষ্টের।

এরপর অনেক সিনেমা দেখেছেন, এখনও দেখেন কিন্তু সেদিনের সেই সুখ আর পান না তিনি। এখন তো আর আগের মতো ভালো, শিক্ষামূলক সামাজিক ছবি হয়ই না। তার মনে পড়ে সেই ‘জীবন থেকে নেয়া’, ‘আবার তোরা মানুষ হ’, ‘নীলাকাশের নিচে’, ‘আবির্ভাব’, ‘ওরা এগারোজন’ আরও অনেক অনেক ছবির কথা। এখনও যে হয় না তা নয়, হয় খুব কম। তিনি টেলিভিশনে ‘মনপুরা’ দেখেছেন, দেখেছেন ‘মাটির ময়না’ ভালো লেগেছে।

তাহেরা বেগম খুব অসুস্থ বোধ করছেন। তিনি মেয়েকে ফোন করেন, ছেলেকেও। ওদের খুব দেখতে ইচ্ছা করছে; সে কথা বলে, ওদের কুশল জিজ্ঞেস করেন। মোবাইল রেখে পাশ ফিরে জানালা দিয়ে তাকিয়ে থাকেন সেদিকে, যেদিকে আছে বাঁশবাগান, আছে কামিনী, শিউলি। ওদিকে তাকিয়ে থাকতে খুব ভালো লাগে তার। মন হাল্কা হয়ে যায়। প্রসন্ন মন নিয়ে চোখ বন্ধ করেন তিনি।

তাহেরা বেগম নিথর শুয়ে আছেন। বাড়িতে মানুষের ভীড়। ছেলে-মেয়ে এখনও পৌঁছায় নি। এ গ্রাম ছেড়ে তিনি যেতে চান নি কোথাও। এ গ্রাম তার ভালোবাসার, এ গ্রামের মানুষ তার আনন্দ-বেদনার সঙ্গী। জীবনের অংশ তার এ গ্রাম। এখানেই শুয়ে আছেন স্বামী, অগ্রজ আত্মীয়রা। তাহেরা বেগমের শেষ ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন নয়ন আলীর কাছে। নয়ন আলী ছোট বেলায় তার বাড়িতে গরুর রাখাল ছিলো। বড়ো হলে তিনিই নয়ন আলীর বিয়ে দিয়ে সংসার গুছিয়ে দিয়েছেন। তাহেরা বেগমের ইচ্ছা মতো তারই হাতে লাগানো শিউলি, কামিনী গাছের নিচে তার স্বামীর পাশে শেষ শয়নের ব্যবস্থা করছেন নয়ন আলী।

তাহেরা বেগমের পছন্দের ফুল শিউলি ফোটার সময় এখন। অনেক ফুলও ফুটেছিলো রাতে, বিছিয়ে আছে মাটিতে হলুদ বৃন্তের সাদা ফুল। গ্রামের সকলে অপেক্ষা করছে ছেলে-মেয়ের। বাঁশবাগানের ছায়ায়, শিউলি-কামিনী গাছের তলায় কোদাল চালাচ্ছে গোর-খোদক।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
  • তৌহিদ উল্লাহ শাকিল
    তৌহিদ উল্লাহ শাকিল অনেক সুন্দর গল্প
    প্রত্যুত্তর . ২২ নভেম্বর, ২০১১
  • আবু ওয়াফা মোঃ মুফতি
    আবু ওয়াফা মোঃ মুফতি খুব ভাল লাগল |
    প্রত্যুত্তর . ২৪ নভেম্বর, ২০১১
  • আফরোজা অদিতি
    আফরোজা অদিতি গল্পটা যে অনেকের ভালো লাগবে বুঝতেই পারি নি , আমাদের এই ছুটে চলা জীবনে অগ্রজদের একাই থাকতে হচ্ছে, ভবিষ্যতে আরো একা থাকতে হবে এই জন্য পরিবারের অনুজদের, আগে থেকেই প্রবীনদের জন্য কিছু করার চিন্তা করা প্রয়োজন. আমরা যারা লেখালেখি করি পাঠকদের মনে সমাজ সচেতন মূলক...  আরও দেখুন
    প্রত্যুত্তর . ২৪ নভেম্বর, ২০১১