বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ৩০ মার্চ ২০১৯
গল্প/কবিতা: ৩৫টি

প্রাপ্ত পয়েন্ট

২৯

রং আমার মন

ভালবাসি তোমায় ফেব্রুয়ারী ২০১৪

মহাশূন্যের প্রেম

শুন্যতা অক্টোবর ২০১৩

আমার শৈশব

শৈশব সেপ্টেম্বর ২০১৩

বাবা (জুন ২০১২)

মোট ভোট ২৯ পিতার অবয়ব

অরূপ কুমার বড়ুয়া
comment ২৪  favorite ০  import_contacts ৪৬৯
আমার পিতৃপুরুষ আমার কাছে
হিমালয়সম প্রবল ব্যক্তিত্ব |
শ্বেত শুভ্র ধুতি পাঞ্জাবির সাথে
নিখুঁত মানিয়ে যেত প্রতিদিন
আমার বোধের আগে সাদা হয়ে যাওয়া
বাবার মাথার চুলগুলি |
গণেশ মাস্টার নামের এই মানুষটি
শিক্ষকতার প্রতি যতনা দরদী ছিলেন
তার চেয়ে আরো বেশি স্বপ্নে বিভোর ছিলেন
সারাজীবনের শ্রম মেধা দিয়ে
একটি আলোকিত সমাজ গড়তে |
কাজ করেছিলেন শিক্ষার আরো গভীর সমস্যা নিয়ে -
শিক্ষার্থীর আর্থিক, নৈতিকতা, মূল্যবোধ
এবং সামাজিক দায়বদ্ধতাকে কেন্দ্র করে |
গড়ে ছিলেন বৌদ্ধমন্দির নিজ উদ্যোগে
সময় পেরিয়ে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে
ধর্ম্মসুধার সাথে জড়িয়ে গেছে পূর্ণনাম |
জনপ্রতিনিধি হওয়ার হাতছানিকে
পাশকাটিয়ে গড়েছিলেন রাস্তা, কালভার্ট
ও সামাজিক উন্নয়ন |
প্রাকৃতিক বিপর্যয়, সামাজিক সমস্যায়
নিপুণ বুদ্ধিতে সমাধান দিতেন প্রগাড় বিশ্বাসে |
স্বাধীনতা সংগ্রামের নয়মাস দেখেছি
আমাদের সংসারের মাঝে
আরো কটি গৃহহীন, সহায়হীন একত্র হয়ে
কাটিয়েছি ভয়, উদ্বেগ ও স্বপ্নকে ভাগাভাগি করে |
কখনো মুক্তিসেনাদের বিশ্রাম, খাদ্য, তথ্য
নির্দেশনা দিচ্ছেন চিন্তিত মুখে
কখনো শত মানুষের সাহস যোগাচ্ছেন অকুণ্ঠ চিত্তে |
সকালে ঘুম থেকে উঠে কখনো দেখিনি বাবাকে
আবার রাতেও খুব কম সময় -
সারাদিন কোনো না কোনো লোক আমাদের বরাদ্দ
সময়গুলোকে ভাগাভাগি করে নিত |
শোনা হত তাদের দুঃখের কথা আনন্দের কথা
এভাবেই বিলিয়ে দিয়েছেন তাঁর স্বল্পায়ু
জীবনের সব সময়গুলো
মানুষের জন্য সমাজের জন্য |
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন