বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১৭ আগস্ট ১৯৭৭
গল্প/কবিতা: ৭৫টি

সমন্বিত স্কোর

৩.৯৭

বিচারক স্কোরঃ ২.২৪ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ১.৭৩ / ৩.০

চিঠির গল্প.........

প্রেম ফেব্রুয়ারী ২০১৭

ভালবাসার কাব্য.....

প্রেম ফেব্রুয়ারী ২০১৭

স্বপ্নগুলো সেই রয়ে গেলো অধরা.....

কি যেন একটা জানুয়ারী ২০১৭

কবিতা - প্রতীক্ষা (অক্টোবর ২০১৬)

মোট ভোট ২৬ প্রাপ্ত পয়েন্ট ৩.৯৭ সুন্দরের প্রতীক্ষায় নিশ্চুপ বসে.......

এই মেঘ এই রোদ্দুর
comment ৯  favorite ০  import_contacts ২৯৯
সব সুন্দর কাঁদা মেখে বসে আছে যেন,আর ভাল লাগে না

আগে সুন্দর মানুষেরা চতুর্দিকে ভালবাসা ছড়াত
গ্রীষ্মের ঐ সকালে সাদা পায়রাদের ভীড়ে ছুঁড়ে দিতো ভালবাসার শস্য দানা
নীলাকাশের সীমানা ঘেঁষে আনন্দে আত্মহারা-পায়রাগুলো ভেসে বেড়াত।

সব সুন্দরের চোখে বালি পড়েছে;ধুর ছাই ভাল লাগেনা

একদা শুদ্ধ মনের মানুষ সুন্দর বিলাতো লুকিয়ে
বর্ষার দুপুরে রঙিন বর্ষাতি উড়িয়ে দিতো আকাশে
বৃষ্টির পরশে ছাতাগুলো ভালবাসায় আপ্লুত হয়ে
উড়ে গিয়ে পড়তো একটি চঞ্চল ষোড়শীর মাথায়
ষোড়শী সুন্দর উপলব্ধি করতো ঐ আকাশে তাকিয়ে।

সুন্দরের মধ্যে সব অসুন্দর ঢুকে গেছে;আর ভাল্লাগেনা

কিছু সুন্দর মুহুর্ত ছিল সুখী মন মানুষের জন্যে
শরতের বিকেলের নদীর তীরের কাশবন থেকে
শুভ্র কাশফুলের পাঁপড়িগুলো হাতের তালুয় নিয়ে
ফুঁ দিয়ে এক নিমেষে উড়িয়ে দিতো ঝিরিঝিরি বাতাসে....
কাশফুল-মেঘ মিলন হতো ভালবাসার আলিঙ্গনে।

সুন্দর অভিনয়ের খোলস গায়ে মেখে আছে;ভাল লাগেনা আমার!

একসময় সুন্দর সন্ধানে বেড়োত মানুষরা হর্ষে
সুন্দর খুঁজতে,সুন্দরের স্পর্শ নিতে অথবা সুন্দরের
অনুভূতি নিতে মানুষ খালি পায়ে হেঁটে বেড়াত দূর্বাঘাসে হেমন্ত প্রভাত শিশিরে
পথে বিছিয়ে দিতো শিউলী তার ভালবাসার গালিচা
বকুলরা ঝরে ঝরে নিজেদের উৎসর্গ করতো মানুষের জন্য
আর মানুষরা সুন্দর কুঁড়িয়ে মালা করে রাখত ভালবাসার গলায়,
হিম বায়ে কুয়াশার চাদর গাঁয়ে জড়াত মানুষ ভালবাসার অদৃশ্য স্পর্শে।

সুন্দর হারিয়ে গেছে অকালে আজ,সব অসুন্দর বাসা বাঁধছে মনে;ভাল্লাগে না আর

মাঠ জুড়ে অবারিত সবুজ,ধানের শীষে বাতাসের দোল
শিশিররা ভালবাসার আলিঙ্গনে বাড়িয়ে দিতো হাত
ধানের ডগায়;মানুষ সে সময় শুধু সুন্দর কুঁড়াত দুহাত ভরে
মেয়েরা সুন্দরগুলো আঁচলে নিত;আর ছেলেরা রাখত বুক পকেটে
শীতের সকালে আড্ডা চলতো পিঠা উৎসবে,নরম রোদে অথবা
সুন্দর গায়ে মাখতো বিকেলে গোল হয়ে বসা আড্ডার মাঝে আগুনের হল্কায়।

ইদানিং সুন্দর মিথ্যার আবরণে ঢেকে গেছে;কিছুতেই ভাল লাগছে না আর

আগে মানুষরা সুন্দরের গুনগান গাইতো ঝরা পাতার মর্মর ধ্বনিতে
একটি একটি পাতা ঝরে মানুষদের শুনাতো ভালবাসার গান
ফাগুনের বৈরী হাওয়া মানুষের মনে দোলা দিয়ে যেতো
শিমুল অশোক বনে লাগতো আগুন;সে আগুন ছড়িয়ে পড়তো মানুষের মনে;
বাসন্তি সাজে রমনীরা সুন্দর বিলাতো ফাগুনের আগুন হাওয়ায়.......
প্রকৃতি সাজতো অপরূপ রূপে শুধু মানুষের জন্য শুধু সুন্দরের জন্য।

সুন্দর হারিয়েছে সকল যান্ত্রিকতায়;
সুন্দর খুঁজে ফিরি প্রতিনিয়ত; কিন্তু ভাল লাগে না আর।
তবু প্রতিক্ষায় আছি-সুন্দর ধরা দিবে আবারো মানুষের মনে
মানুষ আসবে শুদ্ধতার ছায়াতলে........

সুন্দর আসবে, আসবে মুগ্ধতা ফিরে-মানুষ যেদিন নিজেকে বদলে নিবে.....
................আর আমি অনন্ত সুন্দরের প্রতীক্ষায় বসে আছি নিশ্চুপ!
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন