বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১৭ আগস্ট ১৯৭৭
গল্প/কবিতা: ৭৫টি

সমন্বিত স্কোর

৪.০২

বিচারক স্কোরঃ ২.১ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ১.৯২ / ৩.০

চিঠির গল্প.........

প্রেম ফেব্রুয়ারী ২০১৭

ভালবাসার কাব্য.....

প্রেম ফেব্রুয়ারী ২০১৭

স্বপ্নগুলো সেই রয়ে গেলো অধরা.....

কি যেন একটা জানুয়ারী ২০১৭

ঘৃনা (আগস্ট ২০১৫)

মোট ভোট ৩২ প্রাপ্ত পয়েন্ট ৪.০২ অদৃশ্য ঘৃণ্য জীবন........

এই মেঘ এই রোদ্দুর
comment ১৬  favorite ৪  import_contacts ১,৯৮১
ওরা রাস্তায়, অলিগলিতে রাত্রি যাপন করে
রাস্তায় রাস্তায় ঘুরাফেরা করেই মন ভরে
খানাপিনা সারে তারা নোংরা জায়গায় বসে
সারা দিনভর পুরো শহরটা বেড়ায় চষে।

সেদিন দেখেছি ফ্লাইওভারের নিচে আবার
জীর্ণ মলিন ছেঁড়া পোশাক পড়া কিশোরী আর
চার কিশোর নোংরা স্থানে বসে নেশায় মগ্ন...
উস্কোকুস্কো চুলের কিশোরগুলো খুবই রুগ্ন।

মুখে ছড়িয়ে আছে দারিদ্র্যের নীল কষাঘাত
গায়ে মাখানো ছোপ ছোপ ময়লা আর আঘাত
এরা মাথা আঁচড়ায় না, দাঁতও ব্রাশ করে না
কভু সাবান লাগেনা সুন্দরের ধার ধারে না।

কে কি বলে তারা শুনে না, না বুঝার ভান ধরে
সারাদিন ধরে রাস্তায় রাস্তায়ই ঘুরে ফিরে
পেটের প্রয়োজনে বুঝি উচ্চিষ্ট খাবার খায়
কখনো হাত পাতে...কখনো বা কাগজ কুঁড়ায়।

পুরো শহর ঘুরাঘুরি শেষে এরা ক্লান্ত হয়;
সন্ধ্যায় কিশোর কিশোরী একস্থানে এসে রয়
সারাদিনের রোজগার দিয়ে নেশা কিনে এরা
হাসি ঠাট্টা আর নেশায় মেতে হয় তারা সারা।

রাতের গভীরে নির্জনে এরা একসাথে শোয়;
কোন একদিন একটি কিশোরী পোয়াতি হয়
আগত বাচ্চার বাপ যে কে তা কিশোরী জানে না
বরং সে খুশি হয়..কিশোরী এ নিয়ে ভাবে না।

রোজগার বেশি হবে বাচ্চা নিয়ে পাতলে হাত
মনে মনে ভাবে বাচ্চা দিয়ে মিলবে পেটে ভাত
রাস্তা আলো করে আসে সে কিশোরীকে করে কাবু
নামহীন বাপের শীর্ণ দেহের একটি বাবু।

এদের জীবনধারা এমনতরো তিক্ত ঝাঁঝ
এরা অন্যের অধীনে থাকতে সদাই নারাজ
নেশাময় জীবনই এদের কাছে স্বর্গোদ্যান;
রাস্তার জীবনই ওদের বেঁচে থাকার ধ্যান।

এরা শিক্ষা নেয় নেশা থেকে একত্রে বসবাসে
আসক্ত হয়ে কেউ কাউকে ছাড়ে না, থাকে পাশে
পাপে সিক্ত জীবন ওদের, আমরা ঘৃণা করি
ওদের দেখে ঘৃণায় নাক সিটকে প্রাণ ভরি।

আর আমরা সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়েও মরি
স্বার্থের জন্য প্রিয়জনদের রক্তে স্নান করি।
ফাঁসিয়ে দিতে দ্বিধাবোধ করি না, স্বপ্ন বুনি না
আমরা একসাথে থেকে কেউ কাউকে চিনি না...।

আঁড়াল করে রাখি স্বার্থপর মন, আনন্দ কষ্ট
ওদের চরিত্রটা নষ্ট, আমাদের মন নষ্ট
আমরা ভদ্ররা দূরে থাকি একে অন্যের হতে
ফিরেও দেখিনা কাউকে কভু দেখা হলে পথে!

আমাদের জীবনই যেনো একটা ইলোশন
ভিতরে নোংরা মন আর বাইরে ভদ্র ভুষন
যা দেখি তা দেখি না, যা বুঝি তা ফের বুঝিও না...
কারো মনের দু:খ মন থেকে কভু খুঁজিও না।

চোখের সামনে কখনো সমুদ্র, কুহক, গ্লানি
কখনো যেনো সীমাহীন আকাশের হাতছানি..
আমরা ভেসে বেড়াই ইলোশন জগতে আর
অদৃশ্য ঘৃণ্য জীবনে ডুবে কেটে যাই সাঁতার।

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন