বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ৩১ জুলাই ১৯৮৭
গল্প/কবিতা: ৩২টি

কাঁচ গুড়ো যেন কালো ঝড়, চারপাশে ইটের বৃষ্টি...

ভোর মে ২০১৩

কিতাব

ভোর মে ২০১৩

পাঁচ চাঁদের এক গ্রহে

বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী নভেম্বর ২০১২

প্রিয়ার চাহনি (মে ২০১২)

বাসজীবন-১

খন্দকার নাহিদ হোসেন
comment ৪৯  favorite ৬  import_contacts ৫৩০
বিচ্ছুরিত দৃশ্যের বিজলি-জানালায় ডুবে যাই। একগ্লাস বালির মতো মুঠোভর্তি বুভুক্ষুগুলো রীতিমতো পানযোগ্য লাগে......লাগে পাঠযোগ্য। বাসে যেতে যেতে জেনে বসে থাকি অনাহূত অলীকতার আরেক নাম সময়। এমন তো হয় এমন তো হয়ই-কতবার তুমি ভেবে নেমে গেছি ভুল চোখের জনারণ্য পাড়ে। ভুল মানুষের পিছে পিছে রেখে এসেছি ব্যস্ত চলার তুমুল কানাঘুষা। যদিও কোথাও যাওয়ার কথা থাকে-পকেটে না যাওয়া পথেরা থাকে-থাকে জঙধরা নগরের পরিচিত বারণ। অথচ এমন তো হয়-এমন তো হয়ই!

তোমার অবিবাহিত চোখ! জলসিক্ত পুরুষ জানে তার মানে কতটা শারীরিকতা-কতটা টানাপোড়ন। সহপাঠিনী, কতবার নাম জপলে তুমি চাইতে ভুলিনি। শেষমেশ-একছেলে বাঁকা চাঁদ। দূরত্বের ঠোঁটে অন্যজনম। লোমকূপে তুষ শুধু তুষ-মনে পড়ে? একদিন অচঞ্চল চঞ্চলেরা ফেনিয়ে উঠলো-চোখাচোখির রাজ্যপটে এসে দাঁড়ালো প্রেমানুভূতির প্রাচীন পুরোহিত। সে তার পৌরাণিক কণ্ঠে আওড়ালো সেই সে অরাধ্য শ্লোক-
“বাঁকা চাঁদে কলঙ্ক থাকে না
তবু জোছনায়-
আকাশ হারিয়ে ফেলে খেই
এ জনমে তা এ জনমেই!”

এমন সব গল্প নিয়ে কেউ কেউ বসে থাকে-কেউ থাকে......বাসজীবন! আজকাল পাল্টে যাওয়া মানুষের মতো হয়তো তোমার চোখ দেখে ভাববো-অবিকল তোমার মতো কেউ! ভাববো কি? কে জানে......গতির জানালায় ধুমসি রোদ। এখনো আনমনের দাবানলে পোড়াই ভুলে থাকার চোখের তাবিজ। বাস ছোটে......ক্ষমা নামের টুকরো গান বাতাসে গুনগুনায়......আমি পিছু ফিরি না......তবু যেতে যেতে অপেক্ষার এপিটাফে যদি কখনো চোখ পড়ে-যদি পড়ে তবে দেখো লিখে গেছি- “এইখানে একসময় ভালোবাসা ছিল!”
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন