বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১১ নভেম্বর ১৯৯২
গল্প/কবিতা: ১টি

প্রাপ্ত পয়েন্ট

গল্প - কি যেন একটা (জানুয়ারী ২০১৭)

অপেক্ষার ভালবাসা

মৈনাক শিশির
comment ০  favorite ০  import_contacts ৬২
ছেলেটি বাচঁতে চেয়েছে নিজের মত করে । পৃথিবীকে নিজের মত করে বাচাঁতে চেয়েছে । সোনার চামচ মুখে নিয়ে জন্ম কিন্তু ভালবাসা বস্তুটি সে কখনোই পায়নি । বরাবর-ই ভালবাসা দেখতে কেমন বা কি ? সে বুঝতোনা বা জানতোনা । তবুও যে তাকে কেউ ভালবাসেনা সে বুঝতো । সে ভাবতো সবাইতো  আমাকে করুনা করে । করুনা'র এই পৃথিবীতে বেচেঁ থেকে কি লাভ ? তবুও বাঁচার আশাকে কখনো মরে যেতে দেয়নি । অনেক যথার্থ করুনার উপসংহার তার ডায়রিতে জমা
আছে । তবুও ঠুনকো ফুটপাতের ভালবাসাও তার কাছে পৃথিবীর সবচাইতে দামী জিনিস । এই ঠুনকো ভালবাসার জন্যে সে বদ্বীপ থেকে হেটে সূদুর প্যারিসেও যেতে পারে । আজ আকাশের দিকে তাকিয়ে কারও জন্য সে অপেক্ষার প্রহর গুনছে । অপেক্ষার প্রহর এতো লম্বা!
কেন অপেক্ষার প্রহর এতো লম্বা?
সে হঠাৎ করেই পৃথিবীর বিপরীতে দাড়িয়ে প্রশ্নটি করে ফেলে । উত্তর আসেনি পৃথিবীর কোন দ্বারপ্রান্ত থেকে । সে হাসলো । সে জানতো দিনদিন পৃথিবী অন্ধ, বোবা, কালা হয়ে যাচ্ছে । এরকম অপেক্ষা কোনদিন কারো জন্য সে করেনি ।  বেশিক্ষন দাড়িয়ে থাকতে পারলো না কারন দুপুরবেলা থেকে অপেক্ষা করছে । সারাদিন বসবার প্রয়োজন মনে হয়নি । কিন্তু এখন রাত প্রায় ২টা বাজে । ক্রমশই সে দুর্বল হয়ে পড়েছে এমনিতেই ছোট্টবেলা থেকেই রোগাক্রান্ত  মানুষ । পাশেই একটি নয় তিনটি লোক বসে মোবাইলে তা দিচ্ছে । কোনরকমভাবে অনুমতি নিয়েই বসে পড়লো । কারন পাশের লোকগুলো লক্ষ করেছে ছেলেটি অনেক ক্লান্ত তাই অনুমতি চাইতেই বসতে দেয় । আবার সে অপেক্ষার মানুষটির কথা ভাবছে । বসে বসে ভাবছে ওপারের মানুষটা কি সত্যিকার অর্থে তাকে ভালবাসে ?
ভালবাসুক আর নাইবা বাসুক সেতো মনে প্রানে ভালবাসে । আর ভালবেসেই যাবে । আজ এতটুকুই থাকুক না ।  জানি আপনাদের আগ্রহ আছে জানার ছেলেটির কি হলো ? তবে ছেলেটির জীবনের গল্প দু-একটা লাইনে কিংবা কাগজে শেষ করা যাবেনা । কি যেন একটা গল্প বলবো । আজ নয় আরেকদিন ।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন