বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১০ নভেম্বর ১৯৯৮
গল্প/কবিতা: ৫টি

সমন্বিত স্কোর

৩.৭৮

বিচারক স্কোরঃ ১.৯৮ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ১.৮ / ৩.০

আর দুদিন পরেই বালিকা কড়া নেড়েছিল

প্রেম ফেব্রুয়ারী ২০১৭

ইশ, যদি লিফলেটগুলোকে ঝালমুড়ির ঠোঙ্গা বানাতাম!

আমার স্বপ্ন ডিসেম্বর ২০১৬

সরীসৃপ

ঘৃণা সেপ্টেম্বর ২০১৬

কবিতা - তীব্রতা (আগস্ট ২০১৬)

মোট ভোট ১২ প্রাপ্ত পয়েন্ট ৩.৭৮ কদর্যরূপে অশান্ত

তৌকির হোসেন
comment ৮  favorite ০  import_contacts ১৫৯
অন্ধকারাচ্ছন্ন থাবা গিলেছ কখনো?
লোহার দলা এসেছে? দিয়েছে তীব্র কষাঘাত?
সেদিনের এক জনশূণ্য সময়ে
কারখানায় কয়েকটিমাত্র আধুনিক টেবিল, চেয়ার, শ্বেতাভ সত্য গেলাশ।
দৃশ্যপটে আমন্ত্রণ ঘটায় দুই তিনজন অভিজাত-
দূরদেশ থেকে ক্লান্ত, চেতনায় যশ কিংবা বন্ধুত্ব।
নিমগ্নতা গ্রাস করে নিশ্চুপ আলাপে, স্থির ইঙ্গিতে;
পেছনে ধাবমান সুর - কোন প্রশান্ত কারুকাজময় অর্কেস্ট্রার।
সন্ধ্যাকালীন সংবাদ পাঠিকার মিথ্যে জিহ্বা শান্তির বার্তা ছুঁয়ে দেয় পর্দা থেকে বাস্তবতায়।
যে সময়ে ইবলিশ শৃঙ্খলাবদ্ধ, ক্রন্দনরত, প্রচন্ড আকুতি ঝড় উঠুক লৌহ কপাটিকায়।
আমন্ত্রিতরা তাতে বেমালুম বিস্মৃত, বিহ্বল দৃষ্টিতে স্বপ্ন লটকে থাকে ছাপ মারা যান্ত্রিক কার্ডে!
ঠিক কিছু সময়ের ক্রান্তিতে-
ঝট করে শান্ত সমাজ থেকে প্রজাপতি পালিয়ে যায়।
ছবিতে আঁক ওঠে আরো কিছু মানুষের,
আরো কিছু পশুর, বিকৃত মগজের।
আমন্ত্রিতদের উচ্ছেদ করে একে একে আসন গ্রহণ করে কারখানায়, নতুন খেলাফত সাজাবে বলে।
শান্তির সন্ধ্যায় লোহার ক্ষুদ্র মন্ড আর্তনাদ তোলে!
তীব্রতার বশে প্রকম্পিত সেই সন্ধ্যা
মুহূর্তেই কদর্যরূপে অশান্ত- হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁ।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন