বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১০ জানুয়ারী ১৯৮৪
গল্প/কবিতা: ৭টি

প্রাপ্ত পয়েন্ট

মানুষ কাহারে বলি

প্রেম ফেব্রুয়ারী ২০১৭

পতিত প্রেম

প্রেম ফেব্রুয়ারী ২০১৭

কুলহারা কলঙ্কীনি

এ কেমন প্রেম? আগস্ট ২০১৬

গল্প - উপলব্ধি (এপ্রিল ২০১৬)

মোট ভোট নাম শুনেছি পতিতপাবন

জসিম উদ্দিন আহমেদ
comment ৮  favorite ০  import_contacts ২০৬
দোবাদিয়া খালের পাড় দিয়ে আব্দুল্লাহ উর্দ্ধশ্বাসে ছুটছে আর বার বার পিছন ফিরে দেখছে। যদিও দিনের আলোকে গ্রাস করে এখন চতুর্দিকে সন্ধ্যার আধাঁর নামছে-আশপাশে যতদূর চোখ যায় ততদূর পর্যন্ত কোন লোকজনের দেখা নেই-তবুও আব্দুল্লাহ নিজের মনকে প্রবোধ দিতে পারে না। কেউ তাকে দেখে ফেলেনি তো? তার গন্তব্য অনেক দূর। খাল ছাড়িয়ে বিল। বিলের একেবারে মধ্যিখানে রতনের হাঁসের খামার। সেখানে ছোট্ট কুঁড়ে ঘরে রতন থাকে। বিস্তীর্ণ বিল জুড়ে সবুজ ধানের সমারোহ। যেদিকে চোখ যায় কেবল সবুজ ধান গাছ আর পানির খেলা। সকলের চোখকে ফাঁকি দিয়ে রাতে আব্দুল্লাহ বিলের মাঝে লুকিয়ে থাকে।
আব্দুল্লাহ প্রায় খালের শেষ মাথায় এসে পড়েছে। এখন সে কিছুটা শঙ্কা মুক্ত। রাতের আধাঁর পুরো বিলকে আছন্ন করে ফেলেছে। এতক্ষণ দ্রুত বেগে হাঁটার কারণে সে বেশ ক্লান্ত। একটু জিড়িয়ে নিতে সে একটি বাবলা গাছের নিচে বসে সিগারেট ধরায়। শ্রাবণের মাঝামাঝি সময়। চর্তুদিকে শুধু পানি আর পানি। এসময়টাতে গ্রামাঞ্চলে ডাঙ্গা ভূমি দ্রুত জলাশয়ে পরিণত হয়ে যায়। স্থান সংকোচনের ফলে ডাঙ্গার বাসিন্দারা ঘিঞ্জি জীবন যাপন করে। সাপ-কোপের ভয় এসময়টাতে বড্ড বেড়ে যায়। কাছে কোথাও সাপে ব্যাঙ ধরেছে। ব্যাঙটির করুণ চাপা আর্তনাদ আব্দুল্লাহর কানে তীব্র হয়ে বাঁজে। আলো জ্বালতে পারলে ব্যাঙটিকে মুক্ত করা যেত। কিন্তু অন্ধকারে আলো জ্বাললে দূর হতেও লোকের নজরে পড়বে। সুতরাং আলো জ্বালানো যাবে না।
আর্তনাদ থেমে গেছে। তারপরেও ব্যাঙের ভাবনা আব্দুল্লাহর মাথা হতে সরে না। সে ভাবে, ব্যাঙটির সাথে তার কী অপূর্ব মিল! তাকেও তো গ্রাস করার জন্য মানুষরূপী সাপগুলো সবসময় তাড়া করে ফিরছে। আর সে মৃত্যু ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। জীবনে যাদের উপর ভরসা করেছে, যাদের আপন ভেবেছে তারাই আজ তার চরম শত্রুতে পরিণত হয়েছে।
অপেক্ষার প্রহর যেন কাটতে চায় না। অনেক সময় পেরিয়ে গেল। রতনটার আসার নাম-গন্ধ নেই। রতন না এলে যে কী হবে ভেবে তার গাঁ কাটা দিয়ে উঠে। এই অন্ধকারে ধান-বন ভেঙ্গে তিন চার মাইল বিল সাতঁরিয়ে রতনের কুঁড়েতে পৌছানো অসম্ভব। তবে তার মন বলছে রতন আসবেই আসবে। সে বড্ড দায়িত্ববান ছেলে। তার এই ঘোর দুঃসময়ে রতনই তো একমাত্র অবলম্বন যে তাকে আশ্রয় দিয়েছে।
রতন তার ছোট বেলার বন্ধু। আব্দুল্লাহর প্রকৃত নাম বিকাশ পাল। সে হিন্দুর ছেলে। মাস দুয়েক আগে ধর্মান্তরিত হয়ে বিকাশ পাল থেকে আব্দুল্লাহ হয়েছে। ধর্ম বদলের কারণে তার চেনা পৃথিবী যেন মূহুর্তেই অচেনা হয়ে উঠেছে। তার সমাজ সংসার তাকে পরিত্যাগ করেছে। চিরচেনা পারিবারিক বন্ধণ যেন “ধর্ম” নামক এক অদৃশ্য সুতোয় বাঁধা ছিল। সে সুতো ছিঁড়ে যাওয়ার ফলে আজ সবাই তার পর হয়ে গেছে। যে দাদাদের ¯েœহ শাসনে সে বেঁড়ে উঠেছে, উচ্ছশৃঙ্খল হওয়া সত্বেও যে মা তাকে ¯েœহ ভালবাসায় আগলে রেখেছিল-আজ সবাই যেন তার পর হয়েছে। সে জন্য আব্দুল্লাহর মনে কোন কষ্ট নেই। কারণ সে জানে, সমাজের চাপে তারা তাকে পরিত্যাগ করেছে। তাই না হলে মায়ের মন সন্তানের জন্য না কেঁদে কি পারে?
অন্ধকারে বসে আব্দুল্লাহ অতীত নিয়ে ভাবে। সে বরাবরই ডানপিঠে স্বভাবের ছিল। বাবা ছিলেন হিন্দু সমাজপতি। অর্থ-কড়ি, প্রভাব প্রতিপত্তি কম ছিল না। যৌবনে আব্দুল্লাহ বাজে ছেলেদের সাথে মিশে একেবারে বখে যায়। রাজনীতিতে জড়িয়ে ডানপিঠে স্বভাবের কারণে অল্প দিনেই নেতাদের ডানহাত বামহাত হয়ে যায়। বিকাশ, সেলিম, মতিন, খসরু-আশপাশের গ্রামগুলোতে ঘটে যাওয়া রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমন-পীড়ন, খুন-খারাবি, দাঙ্গা, ফ্যাসাদ ইত্যাদি ঘটনায় এই চারটি নাম বারবার উচ্চারিত হয়। এই চারজন ঘনিষ্ট বন্ধু। তারা মিয়া ভাইয়ের লোক। আশপাশের দশগ্রামে মিয়া ভাইকে ভয় করে না এমন লোক নেই।
সব কিছুই ঠিকঠাক চলছিল। কিন্তু আব্দুল্লাহর জীবনটা ওলট-পালট হয়ে গেল সামান্য একটি ঘটনায়। সেদিন তারা মিয়া ভাই’র নির্দেশে ওপাড়ার মিরান শেখদের বাড়ীতে লুঠপাট চালাতে যায়। সদ্য সমাপ্ত হওয়া ইউপি নির্বাচনে মিয়া ভাই চেয়ারম্যান হয়েছেন। তবে তার কাছে খবর আছে মিরান শেখ ও তার জ্ঞাতির লোকজন মিয়া ভাইকে ভোট দেয়নি। কারণ মিয়া ভাই ঐ কেন্দ্রে ভোট কম পেয়েছেন। ফলে মিরান শেখকে উচিত শিক্ষা দেওয়ার জন্য তিনি বিকাশ, সেলিম, মতিন, খসরুদের নির্দেশ দিয়েছেন।
সেদিন বিকাশের নেতৃত্বে ২৫/৩০ জন লোক উত্তর পাড়ার মিরান শেখদের বাড়ীতে হামলা চালায়। তাদের আসার সংবাদ পেয়ে বাড়ীর পুরুষেরা আগেই পালিয়ে ছিল। পালাতে না পেরেই হোক কিংবা বাড়ীর মায়ায় হোক মহিলাদের কেউ কেউ তখনও বাড়ীতে ছিল। লুঠপাট চলল দীর্ঘক্ষণ। তারা চার বন্ধু দাড়িঁয়ে নেতৃত্ব দিচ্ছে। হঠাৎ খসরুর ডাকে বিকাশ মিরান শেখের ঘরের ভিতর ঢোকে। খসরু একটি যুবতি মেয়েকে দেখিয়ে বিকাশের দিকে অর্থ পূর্ণ দৃষ্টিতে তাকায়। যুবতি ভয়ার্ত চোখে তাদের দুজনের দিকে তাকিয়ে থাকে। যুবতির ভয়াতুর চেহারা দেখে বিকাশের মনে হয়তো বা করুণা হয়েছিল। সে শুধু খসরুর উদ্দেশ্যে বলে, চল এখন কেটে পড়ি, পরে দেখা যাবে।
সেই সূচনা। তারপর যুবতির সেই ভয়াতুর চোখ দুটি বিকাশের একঘেঁয়ে উচ্ছশৃঙ্খল জীবনে ছেদ টানে। সে যুবতীর প্রেমে পড়ে যায়। ঐ সুন্দর চোখ দুটির কাছে আত্মসমর্পণ না করে পারে এতবড় মাস্তান বিকাশ হয়ে উঠেনি। যুবতির নাম সাদিয়া। সে মিরান শেখের মেয়ে। বিকাশ তার ভালবাসার কথা জানিয়ে সাদিয়াকে বিয়ে করতে চায়। সাদিয়া জানায়, সম্ভব নয়। বিকাশ বুুঝায়, সে চাইলে তাকে এমনিতেই ভোগ করতে পারে। কারণ মিয়া ভাই’র ভয়ে বাড়ীতে পুরুষ লোকের বালাই নেই। সে যে তা করছে না, এটা তাদের মস্ত বড় ভাগ্য। সাদিয়া জানায়, তা হয়তো সে পারে, তবে এধরণের কোন কিছু ঘটলে, জোর জবর-দস্তি করা হলে সে আত্মহত্যা করবে এবং তার মৃত্যুর জন্য বিকাশই একমাত্র দায়ী থাকে।
এভাবে কয়েক মাস চলে। অবশেষে প্রেমিকার জেদের কাছে বিকাশের হার মানতে হয়। সাদিয়ার চোখে সে পৃথিবীকে নুতুন করে উপলব্ধি করে। তার কেবলই মনে হয়, এতদিন সে যা করেছে তার সবই মিথ্যা। সত্যকে সে উপলব্ধি করতে শিখেছে। শত মিথ্যার মাঝে তার জীবনে একমাত্র সত্য হচ্ছে সাদিয়া নামের অপূর্ব সুন্দর মেয়েটি। যে তাকে নতুন ভাবে বাঁচার স্বপ্ন ও আশা জাগিয়েছে। সে ধর্মান্তরিত হয়ে গোপনে সাদিয়াকে বিয়ে করে। স্থির হয়, সময় সুযোগ মত তারা দেশ ছেড়ে পালিয়ে ওপারে চলে যাবে। কিন্তু গোপন খবর বেশিদিন গোপন থাকে না। তার ধর্মান্তরিত হয়ে মিরান শেখের মেয়ে সাদিয়াকে বিয়ে করা এবং দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা গ্রামময় চাউর হয়ে যায়। যত বিপত্তি বাঁধে তখনই।
প্রতিপক্ষকে জব্দ করার জন্য নিজের দলের লোক মেরে প্রতিপক্ষের নামে মামলা দিতে মিয়া ভাই’র জুড়ি নাই। ইদানিং তার প্রতিপক্ষ মিয়া ভাই’র নামে একটি খুনের মামলা দায়ের করেছে। তার কাউন্টার হিসেবে আরেকটি খুনের মামলা প্রতিপক্ষের নামে না দিতে পারলে মিয়া ভাই’র এলাকায় টিকে থাকাই মুশকিল। বিকাশটাকেও ইদানিং তেমন পাওয়া যায় না। তার মেইন হাতিয়ার ভোঁতা হয়ে গেছে। বিকাশ থাকলে এতদিন একটা যাহোক ব্যবস্থা করে দিত। বিকাশটা একদম বদলে গেছে। দেখে কে বলবে যে সে হিন্দুর ছেলে। সারা দিন নাকি মসজিদে পড়ে থাকে। রাতে কোথায় থাকে তা কেউ জানে না। এমনকি তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু মতিন-খসরু-সেলিমও জানে না।
আব্দুল্লাহ এখনো অন্ধকারে বসে আছে। রাত অনেক হয়েছে। সময় দেখারও জো নাই। মোবাইল বের করে সময় দেখতে গেলে আলো জ্বলে উঠবে। কাজেই রিস্ক নেওয়া যাবে না। সপ্তাহ দুয়েক আগে আব্দুল্লাহ জানতে পেরেছে যে, মিয়া ভাই তাকে মার্ডার করে প্রতিপক্ষকে মামলায় জড়াবার প্লান করেছে। আব্দুল্লাহর দুঃখ হয়। সে কি না করেছে লোকটির জন্য! আজ সে যখন ভালভাবে বাঁচতে চায়, তাকে নিয়ে এমন একটি নোংরা পরিকল্পনা করেছে মিয়া ভাই! বহু পুরাতন সত্যটাকে সে আবার নতুন করে উপলব্ধি করে-এই লাইনে কেউ আপন হয় না! সেলিম, মতিন, খসরুরা তাকে হন্যে হয়ে খুঁজছে। তাই সে এভাবে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। আজকের রাতটা পার হলেই সে বাঁচে। আগামী কাল সাদিয়াকে নিয়ে সে ওপারে চলে যাবে। দালালের সাথে পাকা কথা হয়েছে। সে ওদের বর্ডার পার করিয়ে ইন্ডিয়ার ভিতর ছেড়ে আসবে।
আব্দুল্লাহ ভাবে, রতন এখনো আসছে না কেন? রাত তো অনেক হয়ে গেল। রতন যদি না আসে....। সে আর ভাবতে চায় না। তার ভাবনায় এখন শুধু ভবিষ্যতের সোনালী দিনের হাতছানি। মিয়া ভাই’র চোখ এড়িয়ে একবার ওপারে যেতে পারলে সে নতুন করে জীবন শুরু করবে। বিধাতার নাম পতিতপাবন। তিনি পতিতকে রক্ষা করেন। সে যে নিজেকে উপলব্ধি করতে পেরেছে, সব কিছু ছেড়ে নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখেছে, বিধাতা এ স্বপ্নকে মিথ্যা করে দিতে পারেন না।
বিলের দিক থেকে খালপাড়ে নৌকা ভেড়ার শব্দ পায় আব্দুল্লাহ। তবে কি রতন এলো তাকে নিতে?। নিয়মমত রতন প্রতিদিন খালের পাড়ে নৌকা ভিড়িয়ে মোবাইলের আলো জ্বালিয়ে সংকেত দেয়। আব্দুল্লাহ অন্ধাকারে নিঃশব্দে নৌকায় উঠে পড়ে। কিন্তু আজকে নৌকা হতে রতন যেন খালের পাড়ে নেমে পড়েছে। খানিকক্ষণ পর তার মনে হয় রতন আজ একা আসেনি, নৌকা থেকে আরো দুএকজন খালের পাড়ে নেমেছে।
বেশ কিছুক্ষণ কেটে গেলেও রতনের দিক থেকে আব্দুল্লাহ কোন সাড়া পায় না। ধীরে ধীরে তার মনে দুঃশ্চিন্তা ভর করে। তবে কি রতন না এসে অন্য কেউ এসেছে? হঠাৎ আব্দুল্লাহর মোবাইল ফোনে আলো জ্বলে উঠে। মোবাইল সাইলেন্ট মুডে রয়েছে। সে মোবাইল বের করে দেখে রতনের কল। মিয়া ভাইয়ের লোকেরা তার সন্ধান জেনে গেছে। রতন তাকে পালাতে বলছে। মোবাইলের আলো জ্বলে উঠার সাথে সাথে তার চতুর্দিকে বহু টর্চের আলোয় আলোকিত হয়ে উঠে। টর্চের তীব্র আলোয় তার চোখ জ্বালা করে।
দোবাদিয়া খালের মাথায় শত শত লোক জমা হয়েছে। সবাই আব্দুল্লাহর লাশ দেখতে ভিড় জমিয়েছে। আব্দুল্লাহর লাশ খালের পাড়ে নিথর হয়ে পড়ে রয়েছে। তাকে বিভৎস ভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। লাশ দেখে লোকজন যে যার মত মন্তব্য করছে। হিন্দুরা বলাবলি করছে, এভাবে মরবে বলেই তো কুল ত্যাগ করেছিল! মুসলমানেরা বলতে লাগল, নও মুসলিমের কোন পাপ নেই। সে বিনা হিসেবে বেহেশতে যাবে। লাশ কবর দেওয়া হবে নাকি পোড়ানো হবে এ নিয়ে দুএকজন অতি্যুৎসাহী লোকজন বির্তক শুরু করে।
আব্দুল্লাহর মা এসে ছেলের লাশের পাশে কান্নাকাটি করছে আর ঘন ঘন মূর্ছা যাচ্ছে। দাদারা কেউ আসেনি। মাকে প্রবোধ দিবে কে? তার কান্নায় আকাশ বাতাস ভারী হয়ে পড়েছে। মিয়া ভাই এসেছেন তার এক সময়ের এই বিশ্বস্ত অনুচরকে দেখতে। তিনি এ হত্যাকান্ডের উপযুক্ত বদলা নিবেন বলে উপস্থিত জনতার সামনে কসম কাটেন। তার বদলা নেওয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েও গেছে বটে! পুলিশ দিয়ে তিনি অনেককে গ্রেফতার করিয়েছেন। প্রতিপক্ষের বাড়ি ঘর লুটপাট করেছেন। সর্বোপরি, মিরান শেখের যুবতি মেয়ে সাদিয়াকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। গ্রামের লোকের মধ্যে গুঞ্জন চলে, মিয়া ভাই তাকে ইন্ডিয়ায় পাচার করে দিয়েছে। কেউ কেউ প্রচার করছে, প্রেমিকের মুত্যুতে সে পাগল হয়ে নিরুদ্দেশ হয়ে গেছে।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন