বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১৮ অক্টোবর ১৯৭২
গল্প/কবিতা: ৩৫টি

প্রাপ্ত পয়েন্ট

১৭

দিনপঞ্জি

ব্যথা জানুয়ারী ২০১৫

স্বপ্নভাঙ্গার গান

উচ্ছ্বাস জুন ২০১৪

তুমি কখনো জানবে না...

ভালবাসি তোমায় ফেব্রুয়ারী ২০১৪

মুক্তিযোদ্ধা (ডিসেম্বর ২০১২)

মোট ভোট ১৭ মানুষেরা

সূর্য
comment ২২  favorite ০  import_contacts ৪৮১
এখনো চৈত্র আসেনি, ফাল্গুনের কয়টা দিন রয়ে গেছে। দিনগুলো কেমন ভ্যাপসা, গরমটাও বেশ গায়ে লাগে। ফজরের নামাজ পড়তেই শরীর ঘেমে ভিজে গেছে, তাও কিছুক্ষণ ইমাম সাহেবের বয়ান শুনে বাড়ি ফেরেন হাশেম। হুজুরের বয়ানে যে কথাগুলো বলেছেন ফেরার পথে সেটা মনে পড়ায় গরম বোধটা আর শরীর টের পাচ্ছে না। তার বদলে কেমন একটা তৃপ্তির আভাস পাচ্ছেন।

বাড়ি ফিরে এসে উঠানে একটা পুরাতন চটের বস্তা বিছিয়ে বসেছেন মাত্র। অনেক খেদ ছিল একটা ছেলে নেই বলে। দু দুটো মেয়ে সংসারে। বিয়ে থা দিয়ে দিলে শেষ জীবনে আর কেউ থাকবে না বুড়ো বুড়িকে দেখার। সারাদিন নিজের ও বর্গাক্ষেতে চাষাবাদ করে দিন কাল খুব একটা খারাপ যায় না হাশেম এর। খুব চাইতেন একটা ছেলে হলে তার কিছু সাহায্য হতো। তবে আজ যখন ইমাম সাহেব বললেন "যার একটি মেয়ে সন্তান জন্মালো আর সে তাকে হত্যা করল না, তাকে সৎ চরিত্রবান করে গড়ে তুলল তার জন্য বেহেশত ওয়াজিব হয়ে যায়" নিজেকে বেশ ভাগ্যবানই ভাবলেন। তার জন্য তো বেহেশত দুইবার ওয়াজিব হয়ে যাবে। শুধু মেয়ে দুটোকে চরিত্রবান করে বড় করতে পারলেই হয়।

ছোট মেয়েটাকে দেখলেন কামিজের কোচরে করে কি যেন পরম যত্নে বাহাতে ধরে ডানহাতে দাঁতে কয়লা ঘষে পুকুরের দিকে যাচ্ছে। হাশেম মেয়েকে ডাকলেন, মেয়েটা দাঁতে কয়লা ঘষতে ঘষতেই বাবার সামনে এলো।

পাপিয়া আম্মা আপনার কোচরে কি?

বা হাতটা একটু ফাঁকা করে পাপিয়া দেখালো সদ্য ফোটা দুটো মুরগীর বাচ্চা। বাচ্চাগুলো যেন মায়ের ওমের পরম নির্ভরতায় রয়েছে। কেমন তৃপ্তির একরকম আওয়াজ করছে ওগুলো। হঠাৎই খেয়াল হলো দশ বছরের পাপিয়া গতকাল কি কাঁদাটাই না কাঁদলো। মুরগীটা সদ্য ফোটা বাচ্চাগুলোকে নিয়ে বেরিয়েছে, তারপর কি হলো কে জানে শুধু দুটো বাচ্চাই রয়ে গেল মুরগীটার কোন খবর নেই আর অন্য বাচ্চাগুলো মরে পড়ে আছে এখানে সেখানে।

হাশেম বড় করে একটা নিঃশ্বাস ছাড়েন। দেশটার যে কি হলো! চারদিকে গণ্ডগোল শুধু মৃত্যুর খবর আসে। একমনে আল্লাহর নাম নিতে থাকেন হাশেম। "আল্লাহ দেশটারে তুমি রক্ষা করো"।

আর বসে থাকলে চলবে না
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
  • ঐশী
    ঐশী যার একটি মেয়ে সন্তান জন্মালো আর সে তাকে হত্যা করল না, তাকে সৎ চরিত্রবান করে গড়ে তুলল তার জন্য বেহেশত ওয়াজিব হয়ে যায়" নিজেকে বেশ ভাগ্যবানই ভাবলেন। তার জন্য তো বেহেশত দুইবার ওয়াজিব হয়ে যাবে। শুধু মেয়ে দুটোকে চরিত্রবান করে বড় করতে পারলেই হয়। ...  আরও দেখুন
    প্রত্যুত্তর . ২২ ডিসেম্বর, ২০১২
  • তাপসকিরণ রায়
    তাপসকিরণ রায় ভাবলাম এটাই একটা ছোট গল্প--পরে আপনার মন্তব্য পড়ে অবগত হলাম.ভালই এগোচ্ছিল গল্পটি--বাকিটুকু পড়ব,আশা রইল.
    প্রত্যুত্তর . ২৩ ডিসেম্বর, ২০১২
  • রওশন জাহান
    রওশন জাহান এখনো পুরো গল্প আসেনি কেন? অপেক্ষায় রইলাম.
    প্রত্যুত্তর . ৮ জানুয়ারী, ২০১৩