বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১৪ ডিসেম্বর ১৯৯৪
গল্প/কবিতা: ১টি

প্রাপ্ত পয়েন্ট

গভীরতা (সেপ্টেম্বর ২০১৫)

ভালবাসার গভীরতা

Shammrat Khan
comment ৩  favorite ১  import_contacts ৮১১
ডাইনে লন,,,,,
ওই রিকক্সা বায় চাপা,,,,
ওস্তাদ ডাইনে সি,এন,জি আছে,,,,,
বরাবর,,,,,,বরাবর লন,,,,,,

এগুলো আমাদের খুবই পরিচিত কিছু শব্দ।
যা আমরা প্রতিনয়ত শুনে অভ্যস্ত।

হ্যা,,,,,চিটাগাং থেকে ঢাকাগামী ছেড়ে আসা মধুমতি এক্সপ্রেস এর হেল্পার ঠিক এরকম ই সিগনাল দিচ্ছিল।

সকাল সাতটা। বাস চলছে তার নিজ গতিতে,,,,,,,
বাসের ঠিক মাঝখানের ২টা সিটে বসে আছে রেদুয়ান আর আইরিন।

রেদুয়ান আর আইরিনের পরিচয় একটি কলেজের অনুষ্ঠান থেকে।
তারপর থেকেই দুজনের মাঝে খুব ভাল বন্ধুত্ব হয়ে যায়।
একটা সময় জানতে পারে,তারা দুজন একই কলেজে পড়ে,তাই বন্ধুত্ব টাও আরও গভির হয়।

ওদের বন্ধুত্ব এতই গভির ছিল যে,একজন আর একজনকে না জানিয়ে কিছুই করত না,
সবসময় একে অপরের পাশে থাকবে,
যদি কখনও এমন হয় যে,একজনকে বাচাতে হলে অন্যজনের জীবন দিতে হবে,তাতেও ওরা পিছু"পা হবে না।

--------
একটা সময়ে রেদুয়ান আইরিনকে ভালবেসে ফেলে,
কিন্তু বলতে পারে না,(যদি বন্ধুত্ব নষ্ট হয়ে যায়) এই ভয়ে।
রেদুয়ান মনে মনে ভাবে,আইরিন ও বোধহয় ওকে ভালবাসে,

একদিন রেদুয়ান ঠিক করল,আইরিনকে তার ভালবাসার কথা বলে দেবে,
কারন,
(কবি বলেছেন,কাউকে ভালবাসলে,,তা প্রকাশ করাই শ্রেয়)

- এই আইরিন,দাড়া বলছি।
- দাড়াব না,পারলে ধর,,
- এদিকে আয়,তোকে কিছু কথা বলবো,,,।
- বল,কি বলবি,,,
- দেখ আইরিন,আমার ভুমিকা ভাল লাগে না,,,
আমি তোকে ভালবাসি,এটাই সত্য কথা ।
- আমিও তো তোকে অনেক ভালবাসি
- সত্য ?
- হ্যা মিথ্যে কি বল্লাম
তুই আমার লাইফ এর একমাএ বন্ধু,,,,তোকে আমি ভাল না বেসে পারি,,,? বল,,,?
- আমি তোকে অন্যভাবে ভালবাসার কথা বলেছি,,,
- কিভাবে,,,??
- নায়ক নায়িকাকে যেভাবে বলে।
- ,,,,,,,,,,,,
- কি হল,,,কিছু বলছিস না কেন??
- ,,,,,,,,,,
- দেখ আইরিন,,,,আমি তোকে সত্যিই অনেক ভালবাসি,,,
- এই কথাটা বলতে তুই এত দেরি করলি,,,???(মনমরা হয়ে)
- আগে অনেকবার বলতে চেয়েছি,,,কিন্তু বলতে পারিনি,,,।
- কিন্তু রেদুয়ান,,,,তোকে যে আমার লাইফের কিছু কথা এখনও বলা বাকি আছে,,,,
- কি কথা,,,? বল।
- আমি যে অন্য একজনকে ভালবাশি,,,
- বলিস কি?? আরে সয়তান,,,তুই এখনও আমাকে চিনতে পারলি না,,,,,,,
আমি ও মনে মনে ভেবেছিলাম,,,তুই কাউকে ভালবাসিস,,,,,
আর সেই কথাটা তোর কাছ থেকে জানার জন্যই আজ এই নাটক টা করলাম,,,,
হাহাহাহাহাহাহা
আমি পেরেছি,,,,,,
আইরিন প্রেমে পড়েছে,,,,,,,
তাড়াতারি বল কে সে????
- আজ না,,,,অন্য একদিন বলব,,,,,
- বল না,,,প্লিজ,,,,
- বলবোওওও না,,,,,,,
অন্য একদিন,,,,
ওকে এখন বাসায় যাই,,,
কাল দেখা হবে,,,,ভাল থাক দোস্ত,,,,
- ওকে যা,,,,,,,

আইরিন চলে গেল,,,,
রেদুয়ান তো সত্যিই ভালবেসেছিল আইরিনকে,,,,,কিন্তু কি করবে ও,,,
আইরিন যে অন্য একজনকে ভালবাসে,,,,
আইরিনের মনে তো আর কষ্ট দিতে পারবে না রেদুয়ান,,,,
তাই কথাগুলো ঘুরিয়ে নিল,,,,
কিন্তু রেদুয়ানের তো এখন বুক ফেটে কান্না আসছে,,,,,

------
কিছুদিন পর।
>>>>>
- কিরে তোর বি,এফ কেমন আছে,,,,?( অন্যদিকে তাকিয়ে)
- ওওও,,,,,, তোকে তো বলাই হয়নি দোস্ত।
আসলে আমার ভালবাসাটা একটু অন্যরকম,,,
- কেমন?
- শুনবি,,?
- হ্যা,,,হ্যা,,,,বল,,,,
- তাহলে শোন,,,,,,,
আমি যখন ছোট ছিলাম,,,,তখন আমার একটা সাথি ছিল,,,,
আমরা একে অপরকে খুব ভালবাসতাম,,,,,
কিন্তু হটাত করে ওর বাবার ঢাকায় পোস্টিং হয়ে গেল,,,,,আর ওরা সবাই ঢাকায় চলে গেল,,,,,
তারপর থেকে আমাদের মাঝে আজ ও কোন যোগাযোগ নেই,,,
কিন্তু বিশশাস কর দোস্ত,,,,আমি এখন ও ওকে ঠিক সেরকমই ভালবাসি,,,,,যেমনটা ছোটবেলায় বাসতাম,,,,
আমার বিশশাস,,,,ও একদিন ঠিকই আমার কাছে ফিরে আসবে,,,,,,,,,,(আইরিন কান্না করছে)
- ওর নাম কি,,,,,
- ওর নাম রায়হান।
- আমি দোয়া করি দোস্ত,,,,,তোর ভালবাসা তোর কাছে খুব শিঘ্রই ফিরে আসুক,,,,,,,,,,,,

এভাবেই চলছে দিন,,,,,,,

রেদুয়ান এখন আইরিনের অনেক কেয়ার করে,,,,,আগের চেয়ে বেশি,,,,
সে চায় আইরিন ভাল থাকুক,,,,,,

বেশ কিছুদিন পর,,,,,,
>>>>>
- রেদুয়ান,,,,,,এই রেদুয়ান,,,,,
তোর জন্য অনেক বড় একটা সারপ্রাইজ আছে,,,
আজ আমার লাইফের সবচেয়ে খুশির দিন,,,,
- কি হয়েছে তাড়াতারি বল।
- তুই সবসময় যা চাইতি,,,আজ তাই হয়েছে,,,,
- মানে কি,,,,??
- মানে,,,আমার রায়হান আমাকে ফোন করেছে গতকাল,,,,,,,ও ঢাকাতেই আছে,,,,
ওখানেই ওর বাবার ব্যবসা দেখাশুনা করে,,,,,,
ও খুব শিঘ্রই আমার কাছে ফিরে আসবে,,,,
আজ আমি সবচেয়ে সুখি,,,,,,,
ওহোহোওওও,,,,,,,,,

আইরিন অনেক খুশি,,,,
যদিও রেদুয়ানের বুকে ঝড় বইছে,,,,,,,কিন্তু আইরিনের খুশির কাছে নিজের কষ্টকে বুকে চাপা দিতে একটু ও দিধাবোধ করল না রেদুয়ান।
কারন,,,,
রেদুয়ান জানে,,,,
আইরিনের সুখেই তার সুখ,,,,

কিছুদিন পর।
>>>>>>>>
আজ আইরিনের মনটা খুব খারাপ,,,,
- রেদুয়ান অনেক বার জিজ্ঞাসা করছে,,,,,কিন্তু আইরিন কিছু বলছে না,,,,,,
- প্লিজ কি হয়েছে বল,,,,প্লিজ,,,
- (আইরিন কান্নার সুরে) বাবা- মা আমার বিয়ে দিতে চায়,,,,অলরেডি ছেলেও ঠিক করে ফেলেছে,,,,,,
কিন্তু তুই তো জানিস,,,,আমি রায়হান কে ছারা আর কাউকে মেনে নিতে পারব না,,,,
- রায়হান কে বলেছিস?
- হ্যা,,,,,ও ওর বাবার সাথে একটু ব্যাস্ত আছে,,,,,ও বলেছে কয়েকটা দিন অপেক্ষা করতে,,,,
কিন্তু বাবা- মা তো অপেক্ষা করবে না,,,,,,
- এখন কি করবি,,,,
- তুই তো আমার একমাএ বন্ধু,,,,,,,তুই আমাকে একটু হেল্প করবি প্লিজ,,,,,
- হ্যা বল,,,,
- তুই আমাকে রায়হানের কাছে পোছে দিবি প্লিজ,,,,,,,
- কি বলিস,,,,তাহলে এদিকে কি হবে,,,,
- আমি রায়হান কে ছাড়া বাচবোনা রেদুয়ান,,,,,প্লিজ তুই একটা কিছু কর,,,,,
- ওকে,,,,,আমি তোকে তোর রায়হানের কাছে পোছে দেবো,,,,,,,
বল কখন যাবি,,,
- ওহ,,,দোস্ত,,,,তুই সত্যিঈ আমার একমাএ বন্ধু,,,
কালকেই যাবো,,,,
- ওকে,,,,,,,
_____________________

( এই হচ্ছে রেদুয়ান আর আইরিনের ইতিহাস,,,,এবার ফিরে যাই সেখানে)

>>>>>>>>>>>
বাস চলছে তার নিজস্ব গতিতে,,,,,,,,
আইরিনের মনে আজ অনেক খুশি,,,,সে তার ভালবাসার মানুষের কাছে যাচ্ছে আজ।

রেদুয়ান মাঝে মাঝে আইরিনের দিকে তাকাচ্ছে,,,,,,
আইরিন মনের আনন্দে জানালা দিয়ে বাইরের অপরুপ দৃশ্য দেখছে,,,,,,
"""'আসলে অনেক কিছু হারালেও বোধহয় এতটা কষ্ট হয়না,,,,,,,,যতটা কষ্ট হয়,,,,,
যখন নিজের হাতেই নিজের ভালবাসার মানুষকে অন্যের হাতে তুলে দিতে হয়""""

কিন্তু তারপরও রেদুয়ান আজ খুশি,,,
কারন,,
সে তো চায়,,,,আইরিন সুখে থাকুক,,,,
আইরিনের সুখেই তার সুখ।

>>>>>>>>
বাস মাঝপথে এসে ২০মিনিট ব্রেক সময় দিয়েছে,,,,যাত্রীদের নাস্তা করার জন্য।
রেদুয়ান আর আইরিন স্টানের একটা রেস্টুরেন্ট এ গিয়ে বসল,,,,
ওয়েদার খাবার দিয়ে গেল,,,,,
আইরিন খাচ্ছে,,,,,,
রেদুয়ান চেয়ে চেয়ে দেখছে,,,,,,একটি মানুষের সুখের স্পপ্ন।
হটাত,,,
- কিরে খাচ্ছিস না কেন??
- এই তো খাচ্ছি,,,,,,
(আজ রেদুয়ানের কাছে গরম পুরিটাও যেন মনে হচ্ছে ৩দিন আগের ভাজা,,,,
কিছুতেই ছিড়তে চাইছে না,,,,,
অথচ,,,আইরিন কি সুন্দর খেয়ে যাচ্ছে,,,,,,

খাওয়া শেষে সবাই বাসে উঠল,,,,
বাস ছাড়ল,,,
যথাসময়ে বাস ঢাকায় এল।

<<>>>>>>
স্ট্যান্ডে নেমেই রেদুয়ান আইরিনের কাছ থেকে ঠিকানা নিয়ে একটি সি,এন,জি ঠিক করল,,,সোজা রায়হানের বাসার ঠিকানায়।
সি,এন,জি যতই এগোচ্ছে,,,,ততই যেন রেদুয়ানের কাছ থেকে আইরিন হারিয়ে যাচ্ছে,,,,,,,,,,

সি,এন,জি এসে থামল রায়হানের বিসাল বাড়ির সামনে,,,,,,,
রেদুয়ান ড্রাইভারের ভাড়া মিটানোর আগেই,,,রায়হান দোড়ে এসে আইরিনকে কোলে তুলে নিয়ে নাচতে লাগল,,,,,,,,,,,

""""""পৃথিবীতে মানুষ সবকিছু সইতে পারলেও,,,,নিজের ভালবাসার মানুষকে যখন অন্য কেউ বুকে টেনে নেয়,,,,,,,তখন সেই দৃশ্য কেউই সইতে পারে না,,,,,,,
রেদুয়ান ও পারেনি,,,,,,,,,,,,

- রায়হান,,,,,, এবার আমাকে নামাও প্লিজ,,,,,আমিতো এখন শুধুই তোমার,,,,,
- সত্যি আইরিন,,,,এখন থেকে তুমি শুধু আমার,,,,
- কিন্তু যার জন্য আজ আমরা এক হতে পেরেছি,,,,,চলো তোমাকে তার সাথে পরিচয় করিয়ে দেই,,,,
রায়হান,,,,ও হচ্ছে()
এ কি,,,,,,রেদুয়ান কোথায় গেল????
রেদুয়ান,এই রেদুয়ান,

"""
হ্যা,রেদুয়ান আর ওখানে নেই,
কোন প্রেমিকই যেমন সইতে পারে না তেমনি রেদুয়ান ও পারেনি
নিরবে সরে এসেছে আইরিন আর রায়হানের মাঝ থেকে


রেদুয়ান একা একা হেটে চলেছে
পা কিছুতেই তার এগোতে চায়না,,,
একটু আগেই সে তার ভালবাসাকে সুখি করার জন্য অন্য একজনের হাতে তুলে দিয়ে এসেছে
পৃথিবীতে এই কাজটি কয়জন প্রেমিক করতে পারে

___________
রেদুয়ান একা একা হেটেই চলেছে,
সন্ধা নেমে এসেছে,,,
রেদুয়ানের তো বুক ফেটে কান্না আসছে,কিন্তু সে কাকে দেখাবে তার সেই কান্না
কিছু কথা রেদুয়ানের মন তখন বলছে,

#কত মেঘে রোদ্দুরে এ জীবন আমার
বুক পকেটে লুকিয়ে রাখি--- দুক্ষটা আমার
কতটা চোখের জলে হয় লোনা সমুদ্দুর,
হারিয়ে যাবো এই আমি---
দুর বহুদুর্রররর
কস্টগুলো থাক আমারি-- হয়ে পরাজয়
কাদে কাদুকএ হৃদয়
যতই কাদুক এ হৃদয়।

রেদুয়ানের মনে পড়ছে আইরিনের সাথে কাটানো সেই সময় গুলো,,,,,,যা আর কোনদিন ও ফিরে আসবে না,,,,,,,

#তুমি হাসবে বলে আমি-- নিরবে থাকি,,,,,,
বুকে খরা নিয়েও চোখে--
স্পপ্ন আকি,
বুকের যত ভালবাসা-- থাক বুকেই গোপন
দুরের মানুষ হয়না কারো-- কখনই আপন,
হারিয়ে যাবো এই আমি দুর বহুদুর,
কস্ট গুলো থাক আমারি হয়ে পরাজয়
কাদে কাদুক এ হৃদয়,
#ধরতে পারি জীবন বাজি-- তোমারই তরে
চোখের আড়াল হলে বুকে-- রক্ত ঝরে
যত দুরেই যাও তুমি-- হব তোমার ছায়া
দুক্ষ পেলে হব তোমার-- চোখেরই মায়া

কতটা চোখের জলে-- হয় লোনা সমুদ্দুর
হারিয়ে যাবো এই আমি-- দুর বহুদুর্রররর
________________________
গল্পটা এখানেই শেষ হতে পারত
কিন্তু না


রেদুয়ান হেটেই চলেছে আজ তার খুব হাটতে ইচ্ছে করছে
হটাত রেদুয়ানের মোবাইল টা বেজে উঠল,

আইরিনের ফোন!
রেদুয়ান ভাবছে ধরবে না।
কিন্তু কি মনে করে ধরল
- রেদুয়াননননননননন
প্লিজ আমাকে বাচায়ায়ায়ায়ায়ায়ায়ায়া।
তুই আমাকে যার হাতে তুলে দিয়ে গেছিস,,,,ও রায়হান না।
ওর বাড়ি আমাদের পাশের এলাকায়।
ওই ছেলে বিদেশে থাকাকালিন,,,,,ওর পরিবার আমাদের বাড়িতে ওর জন্য বিয়ের প্রস্তাব পাঠিয়েছিল,,,,
কিন্তু আমি ওকে কোনদিন দেখিনি তাই
কিন্তু বাবা-মা রাজি হয়নি
আর তাই ও আমার রায়হান সেজে আমাকে এখানে তুলে নিয়ে এসেছে
প্লিজ আমাকে বাচা রায়হান
ও আমাকে বন্দি করে রেখেছে

রেদুয়ানের বুকটা যেন কেপে উঠল,,,,,
নিজের ভালবাসার মানুষকে শেষ পযন্ত ভুল মানুষের হাতে তুলে দিয়ে আসল সে
নিজেকে অপরাধী ভাবতে লাগল রেদুয়ান।
এক দোড়ে ছুটে গেল সেই বাড়িতে
আইরিনকে উদদ্ধার করে সোজা বাড়িতে ফিরে গেল ওরা

ততখনে এলাকায় গুজব রটে গেছে,রেদুয়ান আর আইরিন পালিয়ে গেছে
কিন্তু গ্রামে ফেরার পর,আইরিনের মুখ থেকে সব কিছু শুনে ওর বাবা-মা রেদুয়ানের সাথে ওর বিয়ে দিতে চাইল,,,
রেদুয়ানের পরিবার ও রাজি হয়ে গেল,

আর আইরিন ও তার ছোটবেলার সেই পাগলামিকে ভালবাসা না ভেবে,,,,,রেদুয়ানের মত একজন সত্যিকারের প্রেমিককে ভালবাসে বিয়ে করতে রাজি হয়ে গেল,

আজ রেদুয়ান আর আইরিনের বাসর রাত শেষ হল,,,,
আর ভালবাসার গভীরতা দিয়ে শেষ হল আরো একটি ভালবাসার গল্প।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন