বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ২০ নভেম্বর ১৯৮৯
গল্প/কবিতা: ৭টি

বর্ষায় বাংলা

বাংলার রূপ এপ্রিল ২০১৪

আমি ও স্বপ্ন !!!

আমি নভেম্বর ২০১৩

উত্তর খুজি আমি!!

আমি নভেম্বর ২০১৩

শুন্যতা (অক্টোবর ২০১৩)

লাভ লেটার

গিয়াস মোহন
comment ২  favorite ১  import_contacts ২,৮৭০
আমাবস্যা ......

নিচ্ছই ভোরের উদিত সূর্যের ন্যায়ে সমস্ত আলোতে প্রফুল্ল মন নিয়ে বাগানের সেরা ফুলটির সুন্দরযে ফুস্পুটিত হয়ে আছো !! যা আমার আন্তরিক কামনার সংযজন ও বটে !! শত ব্যস্ততার মাঝেও তোমার ছায়া সপ্নেও এসে উকি দেয়! যা আমাকে আবারো আমাবস্যা চাঁদের ঘোর অন্ধকারে পথ চলতে বাঁধা দেয়!! যেথাই নাকি একাকী চলা ভয়ঙ্কর কঠিন, যে আমাকে সেই পথ থেকে পরিপূর্ণ চাঁদের আলোতে .ফিরাতে পারবে তার উদ্দেশ্য করে বলছি!আর লিখার মধ্য ভিরতিতে ভাবছি তার কাছে এ রকম একটা সাদা কাগজের কাঁচা হাতের লিখা গ্রহণযোগ্য হবে কি??তবুও কমল হৃদয়ের সুপ্ত আকাঙ্ক্ষা কেন জানি অনুপ্রানিত করছে, আর বারবার স্মরণ করিয়ে বলছে সে শুধুই আমার!!! কিন্তু এতে তুমি কিছু মনে করোনা , মানুষের মন বাস্তবে যাহা পারেনা কল্পনাতে তাহাই বেশি করে থাকে!! তবে মনে রেখ পাওয়ার আশা করাটাও কিন্তু অনুছিত নয়!! তা মহান স্রষ্টার অপূর্ব দান স্বরূপেও পরিনত হতে পারে!! এসব লিখাতে তোমার মত হৃদয়স্পর্শীর মনের ভিতর নাড়া দিবে হয়ত , আর অভিমান করে রাগের তীব্রতায় এখন হয়ত আরো বেশি কস্ত দিবে তাও আমি জানি!! তাই এই মুহরতে তোমার কাছে প্রস্ন শুদাই এর প্রধান কারন কি? . কিসের জন্য তুমি একটি নিস্পাপ মনকে এড়িয়ে তাকে কষ্টের অস্রুতে সাত্রিয়ে তুমি শুধুই মজা উপভোগ করছ? তুমি কি জানো? তুমি এক কাল বৈশাখীর চোবল মারা বিষ! যে বিষের তাণ্ডবে একটি জীবন অথই জলে দুবে মরছে!! আর অভাগা বারংবার বিমর্ষ কণ্ঠে বলছে ।।
ওহ মাই সুইট এন্ড লাভলি ডিয়ার!!
ডু নট চে হেট উ,
ইফ উ হেট মি!!
আই কেন নট লিভ!!
ইটস রিয়ালি ট্রু এন্ড ক্লিয়ার!!
আসলে তমাকে আমি কিভাবে পাবো তা হয়তো কল্পনাতীত , কারন আমি যে তোমাকে হাজার কোটি বার ভাবছি , তুমি হয়তো তার ন্যানো পারসেন্তও ভাবছনা!! কারন আমার হৃদয়ের যেখানে আমি তমাকে রাখছি!! তুমি হয়তো আমাকে ওই যায়গায় কল্পনাতেও নেওনা !! এটা সত্যি যে সবাই সব কিছু পায়না, আমিও না হয় নাই পেলুম তোমাকে , তবে আমি কিন্তু তোমার অজস্র ঘ্রিনা ও কষ্ট পেয়েছি !! তবে কম কি বল??
কারন তুমি আমার হৃদয়ের যে স্থানে থাকো , সে স্থানের একটি কষ্ট –এর এক ভাগের যে দাম!! সেখানে তোমার দেওয়া হাজার কষ্ট!! ওহ রিয়াল্লি সুইট! ভাববে এটা হয়তো আমার কষ্টের হাসি!! কিন্তু বিশ্বাস করো তোমার সব কিছুই আমি ভালবাসি!! কি ভাবছ?? চিন্তায় পরে গেলে এখন কি করবে!!! না তোমাকে আর কিছুই করতে হবেনা , সামনের আমাবস্যায় আমি হারিয়ে যাবো অতল ছায়ায়!!! আর যেতে যেতে বলব ।।লাভ উ ...।লাভ উ...!!
কি হটাৎ করে গায়ে শিহরন দিয়ে উঠল নাকি?? না তা হবে কেন!! তুমিতো এক্তা বজ্র কঠিন দুস্তর পার্বতী মেয়ে!! আমার জন্য তোমার গায়ে শিহরন জাগবে!! সত্যিই আমি বোকাদের স্বর্গ রাজ্যে বাস করছি! তবুও তমাকে আমি আবারো স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি ... তুমি চাইলে আমার আকাশের সাড়ে পনের দিনের চাঁদ!! ভেবে ছিলাম বিদ্যুতের কারনে কোন প্রকার অন্ধকার আমাকে নিমজ্জিত করতে পারবেনা!!
কিন্তু দেখো কি নির্মম লিলা এত্ত সব উচ্ছ্বাস নিয়ে যে পাখি নিরাপথ দুরুত্ত অতিক্রম করে দীর্ঘ সাগর পারি দিয়ে নীড়ে এসেছে, সে আজ মহা লোড শেডইং এর সিকার!! সুতারাং পক্ষীর গন্তব্বে পৌছানো আর সম্ভব হচ্ছেনা !! , কিন্তু এর জন্য নিচ্ছয় পাখিটির চেষ্টার কোন ত্রুতিই ছিলনা!! কারন অনেক চেষ্টা ও সাধনার পরে সে কাছাকাছি এসে নিয়তির কাছে হার মানল!!! এটাই চরম বাস্তবতা !!
শুনো এখন কি তুমি নিরহারা ঐ পাখিটির কুঞ্জন শুনতে আগ্রহী !! তবে কেন!! মনে রেখো তোমার মত অনেক অভিমানী বরং পর্যটক হয়ে সুন্দর ও অনাবিল পরিবেশে ময়না, টিয়া, ও কুকিল পাখির আওয়াজ শুনতে প্রায়ই ভিড় জমায় আমার বন্দরে !! বরং এটাই তোমার পাওনা যা তোমাকে পেরত পেতেই হবে!! তাছাড়া তোমাকে সান্ত্বনা নই , বরং কিভাবে প্রত্যাখ্যান ও প্রাসছিত্ত উপহার দিবো তা আমি এখনো শিখতে পারিনাই!! যার মুল কারন অবশ্যই তুমি! তবে আমার বিশ্বাস এদিক দিয়ে তুমি অনেক এগিয়ে ! কারন তুমি সত্যি আমার পড়িত মাইকোলজি বা ফাইকলজির ছত্রাক কিংবা শৈবালের চেয়েও দুস্তর চালাক!! বেছারা ছত্রাক আর শৈবালরা যেমন যেথাই লাভ তথা আরাম বোধ করে সেথাই ঘর বেধে পেলে!!চিন্তাও করেনা তাকে কি এই যায়গায় মানায়!! আমি জানি ফাইকলজি বা মাইকলজির ভাষায় শৈবাল , ছত্রাকের অবস্থান হয়তোবা শত ভাগই ভুল!! কিন্তু আমি তোমাকে কি বুঝাতে চাইছি , তা বুঝতে তুমি ন্যানো পারসেন্ত- ও দেরি করনাই তাতে আমার বিন্দু মাত্র ও অবকাশ নেই!! পৃথিবীতে এটাই সত্যির চেয়েও বড় সত্যি যে মানুষ নিজেকেই নিজে বেশি চিনে ! আর পৃথিবীর সব চেয়ে বড় বিচারক মানুষ নিজেই!! যদি না সেই মানুষ বিকারগ্রস্ত হয়!!

কি এবার ক্রদুজ্জল চোখ নিয়ে আমাকে ভালবাসার বিপরীত শব্দটার মহি উপহার দেওয়ার কোন নতুন কৌশলে গেছো !! কিন্তু বি মাইন্ড ...আমি তোমার কৌশল কিংবা অন্য যে কারনেই হউক , তোমাকে আমি চেয়ে ছিলাম পিউর ভাবে!!
না আজ আর নয়
...
আর চলেনা লিখা!!
ডুমকে পড়ছে চক্ষু আলো
জগত মাঝে সব-ই কালো
সেই কালোতে কাটতে সাঁতার
একটু দিবে কি আমায় শিখা !!!
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন