বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১৮ এপ্রিল ১৯৯৩
গল্প/কবিতা: ১২টি

প্রাপ্ত পয়েন্ট

আজকাল বসন্ত

ফাল্গুন ফেব্রুয়ারী ২০১৬

অস্থিরে প্রলাপ

অস্থিরতা জানুয়ারী ২০১৬

অধিকর্ষে অন্ধ আমি

শীত / ঠাণ্ডা ডিসেম্বর ২০১৫

ঘৃনা (আগস্ট ২০১৫)

মোট ভোট ঘৃণা কি না অভিমানে আত্মনিগৃহীত

আল আমিন
comment ৫  favorite ১  import_contacts ৫৯৮
কলঙ্কিত নই; ঘাতগ্রস্ত আমি।
পরিত্যাক্ত নই; আত্ম-নিগৃহীত আমি।
নিজেকে সরিয়ে নিয়ে এসেছি
দূর সীমান্তের পার; কোন সম্ভাবনা নেই এখানে হিসেবে গড়মিল হওয়ার ।

আমি তো কেউ নই; নই মনচোর,
কারো চোখের দিগন্ত-রেখায় ভোর নই আমি।
কখনো কারো হাসির-সন্ধ্যা-প্রদীপে
একটুখানি ছুঁয়েছিল হৃদয় আমার---
সেই থেকে পুড়ে পুড়ে হচ্ছি খাক।

হিসেবে বারবার ভুল হয়ে যায় বলে
দূরে সরে একা একা পুড়ি,
করে নিয়েছি নিজের জন্য
একা কাটানোর সময়।

অতি-প্রত্যুষে অঙ্কুরিত স্বপ্নগুলো
বীজ থেকে স্খলিত হয়ে গেল আজ
সকালের আলো ছড়াবার আগেই।
বিশ্বাস করো মৃন্ময়ী!
বিশ্বাস করো, স্বপ্নগুলো আমার নয়;
আমি সুধু মৃন্ময় হতে চেয়েছিলাম,
মিশে যেতে চেয়েছিলাম মৃত্তিকা হয়ে
ঝুর-ঝুরে মাটির বৈশিষ্ট্য নিয়ে
মিশে যেতে চেয়েছিলাম তোমার মাঝেই।
বিশ্বাস করো--- লোভী নই আমি।
আগুনের মত তিল-তিল করে
গ্রাস করার স্বভাব নয় আমার।

জানিনা ঘৃণা কিনা অভিমানে,
ঘেঁটে-ঘুঁটে এঁটে এনে সাঁজিয়ে রেখেছ যা
ওটা আমি চাইনে;
তুমি বরং আমার অন্ধকারটুকু নাও,
বিদেয় করো আমায়।
তোমার বায়না-ধরা-স্বপ্নের দায়ভার
আমার নয়; তুমি যে খেয়ালে বিকিয়েছ জল
তোমাকেই ভোগ করতে হবে আজ
তোমার কাজের ফল; তুমি নিশি-শ্রান্ত মেঘ
তুমি বৃষ্টির শব্দে ঘোর-অন্ধকার
টেনে এনেছো ভর-দুপুরে;
সূর্য্যের ক্ষণজন্মা-স্ফুলিঙ্গের সাথে
চড়ুইভাতিতে মেতেছ অকাল-বৈশাখে।

আমি শরতের-শিশির নই
বসন্তের-কোকিল নই
নই কারো শরীরের ছল-মেটানো বাহানা।
আমি চাইনে তোমায়;
তুমি কচুর-পাতায় ক'ফোটা শিশির-দানায়
যদি পাও সুখ তবে
সেখানেই ভাসো; রাত-ভোরে সময় ফুরোলে
ঢেউ হবে কি জল হবে তুমি
দেখতে যাবোনা আমি ।

তোমার সুখ সন্ধানে সন্ধ্যা হয়েছি,
অনেকবার আওড়েছি তোমার হয়ে
তোমার প্রিয় কিছু বর্ণমালা;
ভুলে যাবো সব;
আর তোমায় ডাকতে যাবোনা।
রাত হলে আমার ঘুম
গুঁছিয়ে নেবো আমি নিজেই;
জানিনা পারবো তা কতখানি।
পথের বাঁকে পথ হারালে তখনো
হাতখানি চাইবোনা তোমার।

জানতে চেয়োনা তুমি
কেন ফিরবোনা আমি আর এই পথে;
রাত-ফেরারী হয়ে তোমার দরজায়
লাথি মারতে চাইনি বলে
তোমার দেয়ালী-আলোর ছায়া হয়ে
সরে এসেছি তোমাকে ছেড়ে।
জানালার ফাঁক দিয়ে তীর্যক আলো দেখে
ভুলেও সন্দেহ করোনা আমায়
অন্ধকার দেখতেও আসবোনা আমি আর।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন