বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ৩০ জুলাই ১৯৬৯
গল্প/কবিতা: ২০টি

প্রাপ্ত পয়েন্ট

"একমুঠো শূন্যতা"

কি যেন একটা জানুয়ারী ২০১৭

"আশা বেঁধে রাখি"

আমার আমি অক্টোবর ২০১৬

"মনুষ্যত্বের তীব্রতা"

এ কেমন প্রেম? আগস্ট ২০১৬

দিগন্ত (মার্চ ২০১৫)

মোট ভোট দিক্ ভ্রান্তের দিগন্তে ছোটা

মোহাম্মদ আহসান
comment ১১  favorite ০  import_contacts ৫৩১
আমার আকাশটা বড় মেঘলা ছিলো
বড় সংকীর্নতায় ছোট হয়ে হয়ে
মাথার উপরের শূন্যতাকে গ্রাস করে
ঠিক যেন কয়েক ফুঁট উচুঁতে নেমে এসে
নিচু হয়ে চেপে বসেছিলো কৃপনতায়
খোলা উন্মুক্ততাকে নির্বাসনে দিয়ে,
সীমান্তকে তুলে দিয়ে ঐ দুর দিগন্তকেই
জাঁপটে ধরে শিকলে বেধেঁ টেনে এনে
চার দেয়ালেই লটকে দিয়েছিলো সেদিন
আর সেটাই ছিলো আমার বাক্যহীন পৃথিবী,
আমি তার বিহনে পাগল প্রায় অনুযোগ নয়
অভিমানে সরিয়ে রেখেছিলাম নিজেকে
লোকালয় থেকে আপন কক্ষে নিজের উপর
ভালোবাসায় আপোষহীন একরোখা মনোভাবে
প্রচন্ড ভালোবেসে গেছি এক তরফাভাবেই।
মনকে শক্ত করে সেদিন আমি আমার দিগন্তকে
ঠেলে ঠেলে সাত সমুদ্র তের নদীর পাড় থেকেও
আরো দুরে প্রসারিত করে জড়তাকে ছিন্ন করেছি,
অন্যের সাথে তাকে দেখবো না বলেই দৃষ্টির বাইরে
নির্বাসনে পরবাসী হয়েছিলাম বহু বছর যন্ত্রনা সয়ে,
এপার থেকে সেদিনও দিগন্তপানে চেয়ে থেকেছি
ওর আকাশের হা্স্যোজ্জল সূর্য্য মায়াবী চাঁদ দেখবো বলে,
প্রশান্ত মহাসাগরের জল ছুঁয়ে সেদিনও ঢেউ তুলেছিলাম
আমার ছোঁয়া ওকে ছুঁয়ে দিবে বলে আবেগী হয়েছি,
আমার সে আবেগের ছেলেমানুষী কখনই ডানা মেলেনি
সাতার জানেনা বলে সে নদীর জলে পা ই ভেজায়নি,
এখন পূর্ব দিগন্তপানে চেয়ে সূর্যের গতিপথ দেখি
কাবা'র স্থান নির্নয়ে কেবলামূখী হয়ে নামাজ পড়ি,
দেশের জন্য মনটা কাঁদলে খোলা আকাশের দিগন্তকে
এখন আর ঠেলাঠেলি করিনা টেলিফোনে মাকে হ্যালো বলি।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন