বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ২৩ নভেম্বর ১৯৭৫
গল্প/কবিতা: ৩৮টি

সমন্বিত স্কোর

৪.৯

বিচারক স্কোরঃ ৩.০১ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ১.৮৯ / ৩.০

অধরা সৌরভ

কি যেন একটা জানুয়ারী ২০১৭

স্বপ্নে দেখা বিভীষিকা

কি যেন একটা জানুয়ারী ২০১৭

স্বপ্নের সিঁড়ি ভেঙে...

আমার স্বপ্ন ডিসেম্বর ২০১৬

দিগন্ত (মার্চ ২০১৫)

মোট ভোট ৪১ প্রাপ্ত পয়েন্ট ৪.৯ দিগন্তের হাতছানি

ফাহমিদা বারী
comment ৩৫  favorite ৩  import_contacts ১,৩১০
ছোটবেলা থেকেই--
এক অদ্ভূত স্বপ্নের সাথে আমার বসবাস।
আকাশটাকে ছোঁব আমি...।
মা'র হাজার প্রবোধ, শত প্রলোভনেও,
ইচ্ছেচ্যূতি ঘটতো না আমার।
ঐ আকাশটা আমার চাই।
শেষমেষ আমার জেদের কাছে হেরে যেত মা,
'কী দস্যি মেয়েরে বাবা!'
তবু আকাশপ্রাপ্তি হত না আমার।
কিশোরী জীবন যখন,
পুকুর জলে ঝাঁপাঝাঁপি আর গাছের শাখায় ডেরা বাঁধা।
তখনও গাছের মগডালে উঠে,
আকাশের দুরতব টা ঠিক মেপে দেখতাম।
যতদূর চোখ যায়...
বিস্তীর্ণ ফসলের খেতের,
আল ধরে চলতে চলতে,এমনি একদিন...
মনের মাঝে জ্বলে উঠলো সহস্র খুশীর পিদিম।
ঐ তো আকাশ...কত কাছে...
মাটির উপর ক্লান্ত দেহে এলিয়ে আছে।
আজ না হোক, কাল ঠিক ছোঁব তাকে।
আকাশ পেয়ে গেছি এই খুশীতেই,
মাতোয়ারা আমি তখন।
এখন তো কেবল ছোঁয়ার অপেক্ষা...
দিন ঘুরে মাস যায়, মাস ঘুরে বছর।
ঐ কয়েকটা পদক্ষেপ আর হাঁটা হয় না আমার,
ছুঁয়ে দেখা হয়না আকাশটাকে,
ইচ্ছেটা শুকিয়ে যায় বুকের ভেতর।
দিনগুলো হয়ে ওঠে অথর্ব, ক্লান্তিকর।
বয়সের ভারে ন্যূজ আমার মা,
একদিন বলেই ফেললেন কথায় কথায়;
'তুই না আকাশ ছুঁতে চেয়েছিলি?!'
জীবনের অনেকগুলো বছর পেরিয়ে-
আত্মজার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আমি,
কণ্ঠে তার একই ইচ্ছের প্রতিধবনি...
'মা, আমি আকাশ ছোঁব।'
মুহূর্তেই জ্বলে ওঠে আমার নিভন্ত চোখের তারা,
উদ্দীপ্ত হয়ে উঠি আমি।
মেয়েকে বলি,
"হ্যাঁ মা, ঐ তো আকাশ, খুব কাছে।
কিন্তু তোমায় পাড়ি দিতে হবে অনেক পথ,
যেতে হবে বহূদূর,
গড়তে হবে আপন দিগন্ত।
তাহলেই আকাশটা তোমার।।"
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন