বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ৩ মার্চ ১৯৯৭
গল্প/কবিতা: ৬টি

প্রাপ্ত পয়েন্ট

আসমানি

বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী নভেম্বর ২০১৬

পাপিষ্ঠ প্রেম

ঘৃনা আগস্ট ২০১৫

জীবনের শ্রী

কোমলতা জুলাই ২০১৫

গল্প - কি যেন একটা (জানুয়ারী ২০১৭)

বৃদ্ধের স্পর্শ

আল্ আমীন
comment ০  favorite ১  import_contacts ৮৭
এক
----------
রহিমুদি ছেলের মতো ভাল করে তেল
মালিশ করছি। অন্য রকম একটা আনন্দ
ধুলাদিচ্ছে অন্য রকম একটা সুখ এর আগে
এরকম সুখ আমি কখনো পাইনি। আজ বাবার
কথাতেও রস ডলে পরছে। এর কারণ আজ
বাবার সঙ্গে কাজে গিয়ে ছিলাম।আমি
বাবা একজন অবাদ্ধ সন্তান বাবা আমার
কাছ তেকে এতো টোকো পেয়েই অনেক
খুশি।বাবা আমার হাতে ২০টাকা নোট
ধরিয়ে দিয়ে বললেন'নে টাকা'টা ধর।
বাবা কখনো নিজে তেকে আমাকে হাত
খরচের টাকা দেন না। আজ না চাইতে
২০টাকার একটা নোট ধরিয়ে দিলন। আমি
নোট'টা নিয়ে বাবার নামটা লেখে
রাকলাম যাতে অন্য নোটের সাথে মিসে
না যায়।
আজ রুনার সাথে দেখা করার কথা তাদের
বাড়ি টিনের চালে ডিল মারলে তাদের
বাড়ি পিচনের বাসগানটায় চলে আসে।
রিংকুর দুখানে বসে চা খাচি। রিংকু
ছোট ভেলা তেকেই অনেক চা'র দুখনে
কাজ করেছে। চায়ের উপর তার অনেক
অবিজ্ঞতা। রিংকুর দুখানের চা আমাদে
গ্রামের ভিতরে সাবার চা চাইতে
আলাদা। সে জন্য তার চা কে বিশেষ নাম
দেয়া হয়েছে রিংকু চা। রুনা নিশ্চয়
আমার অপেক্ষায় আছে কবে আমি টিনের
চালে ডিল মারব আর কবে সে আমকে
দেখতে পাবে।আমি চা খেতে খেতে
আকাশের দিকে তাকিয়ে আছি। যত সময়
গড়িয়ে যাচ্ছে ততই আকাশের জোৎস্নার
আলো গাঢ় হচ্ছে। আমি চাচ্ছি জৌৎস্নার
আলো আর গাঢ় হোক, জোৎস্নার আলোয়
রুনাকে দেখতে চাঁদের মতো লাগে।এখন
রাত এগারোটা পুরো গ্রাম নিরব নিস্তব্ধ,
সবাই ঘুমিয়ে পরেছে আমি জানি রুনা
এখন জেগে আছে শুধুই আমার জন্য।রুনা
বাসবাগানে বসে আছে। তার চেহারা
কখনো মলিন হয়না রেগে গেলে লাল
হয়েজায়। তার চেহারা লাল হয়ে আছে।
হাতটা দরতেই চাইলাম সে সরিয়ে নিল।
আমি নিঃশব্দে তার পাসে বসে তার
হাতটা টেনে আমার হাতে পেঁচিয়ে
নিলাম।তার লাল লাল মুখটা লবণাক্ত।
আরে বাবা আইটেম সাজাতেই তো লেইট
হইল।
রুনা মেঘাচ্ছন্ন ভাবটা সরিয়ে নিয়ে, কি
আইটেম সাজিয়েছ সুনি?
আমি সাজাইনি সাজিয়েছেন আল্লাহ্।
নিরব প্রাকৃতি নক্ষত্রের রাত আর আকাশে
ধবধবে একটা সাধা চাঁদ। এই সুন্দর
পৃথিবীটা কার? আমার আমার।
তুমি আকাশের দিকে তাকিয়ে কথা বলছ
কেন? আর এতই যদি প্রকৃতির প্রেমে পরে
তাকা, তাক তুমার প্রকৃতি নিয়ে। বলেই
সে উটে দাঁড়াল।
আমি তাকে টেনে বসালাম।
রুনা বসতে বসতে বলল" চোখে দিকে
তাককিয়ে কথা বলতে হবে। প্রেমিক
প্রেমিকার মুল আকর্ষণ হচ্ছে চোখ।
আমিতো তুমাকে দেখতে আসিনি।
চাঁদটা তুলে এনে মাটিতে রাখব আর তুমার
মুখটা চাঁদের জায়গায় লাগিয়ে রাগব।
আমার অজান্তেই তার হাতটা আমার
হাতে উপর ছিল।তার মানে তুমি
চাঁদটাকে চাও আমাকেনা ছাড় বলে"
ঝারি মের চলে গেল। আমি হাটছি আর
ভাবছি এতো সুন্দর আইটেম অগ্রাহ করার
কমতা অর্জন করল কিভাবে। রাত বারটার
দিকে বাড়ি পিরলাম দুয়ার হাল্কাকরে
লাগানো হাত দিতেই সরে গেল।আমাদে
গ্রামটা অনেকটা সভ্য, চুর ডাকাতের কুনো
ভয় নেই। ঘর ঘোর অন্ধকার গরু জবাই করা
শব্দ হচ্ছে খুব সম্ভবত বাবা নাখ টাকছে।
বাতি চুইচ টিপতেই অন্ধকার দূর হল।
দাদু পাসের রুমতেকে বললেন"কে?
বিশ্বাস এতো রাতে কুথায় ছিলি?আয়
আমাকে বাতরুমে নিয়ে যা।
বিরক্তি ভরা মন নিয়ে এগিয়ে গেলাম।
দাদু শুয়ে আছেন দাদুর ঠোঁটের পাশদিয়ে
গলিত পানের পিক পরছে। দাদু শরিরটা
জেনো মাংসের দলার মত পেছিয়ে পরে
রয়েছে।হুমায়ন আজাদ তার কবিতায়
লেখে ছিলেন বিদ্ধরা নাকি বছর বছর
ছোট হতে তাকে আর ছোটরা নাকি বছর
বছর বড় হতে তাকে। দাদু ছোট হয়েছেন
টিকই কারণ ছেলে উপর পুত্রবধূ উপর নাতির
উপর বর করে চলতে হচ্ছে।প্রকৃতি দাদুর
কমুলতা কেরে নিয়েছে ছোটদের দেখলে
কোলে নিতে ইচ্ছে করে দাদু কে দেখলে
সরে যেতে ইচ্ছে করে। দাদুর শরিরি
স্পর্শে কাতর না। শুধুই মাংসের দলা সে
কারণে দাদুকে চুতে কারু ভালো
লাগেনা। দাদু দুর্বল হাত দিয়ে বিছানা
তেকে উটারা চেষ্টা করছেন। আমি দদুুকে
দু'বগলে দরে উটালাম দাদু বিছানা ঘেসে
নামলেন। দাদু সুজা হয়ে দাদারাতে
দারাতেই পাখান সারলেন আমার হৈ
চৈয়ে সবাই দৌরে এলো দাদু সবাইকে
দেখেই কেঁদে ফেললেন। দাদুর কান্না
দেখে সবাই নিস্তব্দ হয়েগেল।কেউ কিছু
নাবলে পায়খা সাপ করলেন। শুধু তকমিনা
গুম বাঙ্গা মুখে নিষব্দে হাসছে আমি তার
খানে কাছে গিয়ে ফিস ফিস করে বলি'
এই সময়টা সবার একদিন আসবে।
দুই
----------
জমিনে উরু পানি উরু পানিতে আগাছা
সাফ করতে সহজ হয়।মাতা ঘুরছে তবোও
শালুক গাছ টানছি, গোজা হয়ে যখন শালুক
গাছ টানি তখন মনে হয় এই বুঝি আমার
কোমর চিরে গেলো সুঝা হয় যখন দাড়াই
মাতায় হাল্কা চক্কর দিয়ে যায়।আগাছা
সাফ করে যখন আইলের কাছে যাই তখন দুই
এটা জুকে ধরে হাত দিয়ে টেনে
ছাড়ানো জায়না থুতু থুতু দিয়ে ফেলতে।
মনে হচ্ছে এখনেই কাজ ছেড়ে পালাতে
পারলে পৃথিবীর সকল ভয়ংকর শাস্তি
তেকে বেছে যেতাম। কিন্তু বলতে
পারছিনা বাবা আমি চলে যেতে চাই,
কি যেন ভয়ের শিখলে বেদে রেখেছেন
বাবা। আমি শিখল ছিড়ার চেষ্টা করছি
কিন্তু পারছিনা আমি আর বেশী কষ্ট
পাচ্ছি। এটা আমার দ্ধিতৃয় দিনের
আবিজ্ঞতা এর আগে একবার আমি বাবার
সঙ্গে কাজে এসে জিলাম সে বারও মনে
হচ্ছিল কাজ ছেড়ে পালাতে পারলেই
বেছে যাই। কাজ শেষে মনের মধ্যে যে
একটা সুখের দুলাদেয় সেটা মন তেকে
বার বার পেতে চাই। সেই সুখটা মনের
ভিতর ডুকাতে পারলে বুধহ কষ্টা কম হত।
সেই সুখ কুনো ভাবেই খুঁজে পাচ্ছিনা।
কৃষক দের কুনো গান পারলে বুধহ সেই সুখ
পায়া যেত আমি তাও পারিনা। হঠাৎ
বাবা বলে উটলেন, বাফ ফুত ছাড়া কাজ
হয়না এই দেখ অল্প সময়ে কত কাজ করে
ফেলেছি। আমি বাবা চেহারের দিকে
তাকালাম বাবার চেহারা ঝল ঝল করছে।
বাবা কে দেখে মনে হচ্ছে সুখি কৃষক।
বাবা বললেন কামলা দিয়ে কাজ হয়
নারে বাফ নিজের কাজ নিজেই করতে
হয়। অদের চিন্তা টাকা কামানো আর
কাজে পাকি দেয়া, কাজ পাকি দিয়ে
অরা সুখি হতে চায়। আর এই কারণেই
বাংলাদেশের কামলাদের উন্নতি হয়না।
বুজলিরে বাফ, কাজকে কখন টগাতে নেই।
বাবা গুন গুন সুরে গান দরল কিন্তু কথা
গুলো কি বুঝা গেল না। বাবা আমার
সঙ্গে কখনো সুন্দর ভাবে কথা বলেন না।
বাবা কে আজ খুব মায়া লাগছে ময়নে
হচ্ছে বাবার ঘামে বিজা মুখখানি মুছে
দেই বাবার মত করে।আমার শরীরে আন্য
রকম একটা শিহরণ বইছে। চিৎকার করে
বলেতে এইচ্ছে করছে বাবা আমি তুমাকে
খুব বেশি ভালবাসি খুব বেশি
ভালবাসি।গোসল সেরে আসলাম। বাবা
বিছানার উপর শুয়ে বিড়ি টানছিলেন
আমাকে দেখে খাবার প্রস্তুতি নিলেন।
আমি তকমিনা কে একটা লেবু কাটতে
বলি। তকমিনা আমার ছোট বোন।
পরিবাবে আমার এক জন সৎ মা আছেন উনি
চার কন্যা সন্তান জন্ম দিয় বাবা মন কুটায়
জায়গা করতে পারেননি। তাই পদে পদেই
তাদের ঝগড়া হয়।বাবা পরিবারের
কারো সঙ্গে বাল ভাবে কথা বলেন না,
যেন পরিবারের সবার উপরে মহা বিরক্ত।
বাবার প্লেট সামনে শোলমাছের মাথা।
আমাদের অঞ্চলে শোলমাছ খুব বেশি ধরা
পরে। ছোট ভেলায় মা আমাকে সব সময়ই
শোলমাছের মাথা খেতে দিতেন।
শোলমাছের মাথা আমার খুব প্রিয়। মা
মারা জাওয়ার পর বাবা আরে একটা
ভিবাহ করেন। এর পর আর আমার বাঙ্গে
শোলমাছের মাথা জুটেনি। নতুন মা বাবা
কে শোলমাছের মাথা খেতে দিতেন
বাবাও চিবিয়ে চাবিয়ে কাটা গুলো কে
চুষে খেতেন। খাবারে রীতি অনুযায়ী
তকমিনা শোলমাছে মাথাটা বাবার
প্লেটে তুলে দিল। লজ্জিত মনে ঠোঁটে
একটু সাহি এনে বাবা শোল মাছের মাথা
আমার প্লেটে তুলে দিলেন। আমি বাবার
দিখ তকিয়ে আছি আমার চোখ জলে টলমল
করছে হয়তবা বাবার চোখও বাবা চোখ
সরিয়ে নিলেন।
আজ অনেক দিন দরে মা কে পাচ্ছিনা।
আজ হঠৎ মা এসে ধরা দিল।গবির রাত
অন্ধকারে ডাকা পুর পৃথিবী এই অন্ধ
কারের গারো তার ভিতরে দিয়ে আমি
মা কে দেখতে পাচ্ছি স্পষ্ট দেখতে
পাচ্ছি। মার চিকচিকে কলো চুল, মায়া
ভরা দুটি চোখ, ধবধবে সাদা মুখ চিকচিক
করতে তাকা সুনালী নাখ ফুলটি। এক যোগ
পরও টিক আগের মতোই আছে। মার পাসা
পাসি দাঁড়িয়ে কথা বলছি"কেমন আছো
মা? মার ধবধবে সাদা চেহারা দেখে
বুঝা যাচ্ছে মা অনেক সুখ আছে। মা
আমিও সুখে আচ্ছি তুমি বুধহ দেখেছ
বাবার প্লিটের শোলমাছের মাথাটা
আমরা প্লিটে তুলে দিলো। আমি অবাক
হয়ে তাকাতেই চোখ সরিয়ে নিলো।
বাবা কি আমাকে খুব ভালবাসে? মা
তুমিতো সবকিছু যান, বলনা মা বাবা কি
আমাকে খুব বেশি ভালবাসে। আমিত
বাবা কে খুবেশি ভালবাসি খুবি বেশি
ভালবাসি।আমার আবেগ ছিরে চোখ
ভিজে গেল জলে।
তিন
---------
রুনার বাবা যুদ্ধেবিধ্বস্ত পরুষের নেয়া
বাজারে বেগটা দপ করে মাটিতে
রাখলেন। উনার চেহারায় রাজ্যের
কেলান্তি। রুনার বাবা কে দেখেই
আমার বুক কেফে উটল। আমি রুনার দিখে
তাকাতে পারছিনা আবার রুনার বাবার
দিখেও তাকতে পারছিনা।আমি রাফি
কে টেনে পরা দেখিয়ে দিলাম। যাতে
করে ভয়টা কাটাতে পারি।কিন্তু ভয়টা
কাটছেনা।আমি কাপা গলায় রাফি কে
পড়া ধরিয়ে দিলাম। রুনার বাবা ঘার
বাকা করে আমার দিখে তাকালেন
আমার বুক আবারও খামচি মেরে উটল।আমি
চোখ সরিয়ে নিলাম। রুনার বাবা দুহাত
ছেরে দিয়ে বিছানায় শরীর মেলে
দিলেন।উনার মাথার বরাবর পেন ঘুরছে
কপালের চুল গুলো দুলছে।ফুফু রান্নাঘর
তেকে দৌরে এলেন।যদিও রান্না ঘর
তেকে রুনার বাবা কে অনেক বকা
দিচ্ছিলেন বাজারে দিরে হতে দেখে।
এখন ফুফু একদম ভিজা কাকের মত হয়ে
গেছেন। ফুফু বাজার খরচ টা তুলে রুনার
বাবার দিকে ভক্তির চোখে তাকালেন।
যেন ফুফা বাজার এনে পরম করুণা
করেছেন। কিছুক্ষণ পর রুনার বাবা
বিছানা তেকে উটে হাত মুখ ধুয়ে চলে
গেলেন।বাচা গেল এখন আর রুনার বাবা দশ
এগারোটার আগে বাড়ি পিরবে না।রুনা
হচ্ছে আমার ফুফাতো বোন আর রুনার বাবা
হচ্ছেন আমার ফুফা।প্রেমে পরার
পরতেকে কেন জানি রুনাকে আর ফুফাত
বোন মনে হয়না' মনে হয় রুনা। আর ফুফাকে
মনে হয় রুনার বাবা।ফুফুর বাড়ি আসার
সবছে বড় মজা হচ্ছে, ফুফুর চোখ, রাফির
চোখ পাকি দিয়ে রুনার সাতে চোখে
চোখে প্রেম করা।এখন রুনার সাতে প্রেম
জমে উটেছে একদম ঝরের রাতের মতো, ও
আমার অনুভুতি চুয়ে নিচ্ছে আর আমি অর
অনুভুতি সবার মনের অগোচরে। রুনা আমার
দিখে তাকচ্ছে আর পিঞ্চিল দিয়ে ধাগ
টানছে। ও কি চিত্র আখছে? এমন সময় ফুফু
এসে আমার মাতায় হাত রাখলেন। রুনা
হতচখিয়ে খাতা মুরিয়ে নিলো।
চেহারায় সচ্ছল ভাব এনে নবম শ্রেণীর
বাংলা প্রথম পত্র বইটি ভের করল।
ফুফু আমার মুখের দিখে তাকিয়ে বললেন"
চিংড়ি মাছ দিয়ে কইসাখ পাতা রান্না
করেছি তকে খেয়ে যেতে হবে।
চিংড়ি মাছ আমার খুব প্রিয় আর সেটা
ফুফু জানেন। কিন্তু এই সাজানু গুচানো
খাবার আজ আমি খেত পারব না।
নারীদের মায়া ঝালে পা পেলতে নেই
মেদের মায়া উপেক্ষা করার কমতা অর্জন
করতে হয়। আমি উটে ধারালাম।
ফুফু আজ আমার যেতে হবে।
সে কিরে তরনা চিংড়ি মাছ খুব পছন্দ।
তাইতো ভাবছি এর জন্য আমার খুব আফচুছ
করতে হবে।আমি রুনার দিখে তাখালাম
না গম্বির মুখে তড়িঘড়ি করে বেড়িয়ে
এলাম।
চার
--------
সূর্য ডুবে গেছে নক্ষত্র জেগে উটেছে আজ
আকাশের বুকে নয় নক্ষত্র বীজনা নদির
বুকে। হিন্দুরা সন্ধ্যা বাতি জালিয়ে
নদির বুক বাসয়ে দিচ্ছি, যেনো নদি
দিয়ে ভেসে যাচ্ছে নক্ষত্র। নক্ষত্রে
মাখা বীজনা নদির ডেউয়ের ঝিলিক
আমার চোখে মুখে এসে পরছে। আমার
চায়ের খুব তৃষণা পেয়েছে। রিংকু চায়ের
দোকন বিজানার পারেই। আমি রিংকুর
দোকানে গিয়ে চা চাইলাম। রিংকুর
দোকানে আজ অনেক ভির। ক্রিকেট
প্রেমিকরা ক্রিকেট খেলা দেখছে।
ক্রিকেট আমার খুব প্রিয় একটা খেলা
কিন্তু আমি ক্রিকেট খেলা দেখিনা
ক্রিকট প্রেমিক দের জন্য।অরা টিবির
সামনে বসে সাকিব মুশফিক দের ভুল দরার
জন্য।নিজে কখন ভেট ধরে দেখেনি এমন
লোকও সাকিব মুশফিক দের ভেট ধরা
নিয়ে সমালোচনা করে, যা আমার কখনই
সহ্য হয়না।জয়ি হলে জয়ের আনন্দে মেতে
উটে আর হেরে গেলে সেই হারটা শুধুই
অরা এগারো জনের। রিংকু আমাকে চা
দিল।আমিও খেলা দেখায় মনজুক দিয়ে
দিলাম। বাংলাদেশ জয়ি হল। জিয়ের
আনন্দ সবার মুখে মুখে।
এখন রাত এগারোটা সবাই বিজনার পারে
দাড়িয়ে আছে। মাজি বিহিন বীজনা
পারা পারের নৌকাটা অপারে।অপার
তেকে কোন লোক না আসলে এপারেই
তেকে জেতে হবে। কেউ কেউ বিজনা
পার হওয়ার জন্য উত্তেজিত হয়ে উঠছে
যেনো পিছন তেকে শত্রু আসছে তাদের
কে আক্রমণ করার জন্যে। আর কেউ কেউ
নির্লিপ্ত ভঙ্গিতে ঠাট্টা মস্কারি
করছে।এদিক দিয়ে মজিদ দাদা কার
সঙ্গে যেন ফনে আলাপ শেষ করলেন।
মজিদ দাদা গ্রামের এক জন মুরুব্বী লোক।
আমরা তাকে ক্রিকেট প্রেমিক মজিদ
দাদা বলে সম্মুদন করি।
আমি বলাম দাদা ভাল লাগছেনা এই
জোৎসার আলো রাতে এক দল তরুণ বিজন
পার হবার জন্যে উলাস করছে।
দাদা গম্বির হয়ে গেলেন। দাদা তুমি
কি কখন তুরুণ বয়েসে বিজনা পারে আকটে
ছিলে।
আমাদের কালে এটা খালের মতো ছিল
আমরা কলা গাছের ভোড় দিয়ে পার
হতাম। একদিন হয়েছেকি!
সবাই উলাসে হৈছৈ করে উঠল।ঐ দেখা
যায় কে যেন ছাদর মুরি দিয়ে নৌকা
টানছে। দাদা বুধহ কোন একটা ছোট
বেলার সৃতি বলতে চাইছিলেন।বৃদ্ধর
া একটু সুযোগ পেলেই সৃতি চারন করতে
চায়।নৌকা ঘাটে ভিড়ল। জোৎসনার অপুষ্ট
আলোয় তার চেহার ছিনা যাচ্ছে।
দাদা হাসি মুখে বলেন এদেখি অনুকুল।
কুতায় যাচ্ছিস?সে এক লম্বা নিশ্বাস
পেলে বলল " জায়েইন না অলপ সময়ের
ময়ের মাজে আইতাছি। সে দৌরে চলে
গেল। দাদা পিছন তেকে ডেকে বললেন
আছতে যা পরবি।
আমরা কৃজ্ঞতা স্বরুপ অলপ সময় অপেক্ষা
করতেই সে চলে এলো। সে দৌড়ে এসে
নৌকায় উঠল। দাদা রসালু স্বরে বললেন
এই আস্তে উঠ নৌকা ডুবাবি। দাদা
বললেন কিরে কুতায়া গিয়ে ছিলি?
হালার কাছ তাইকা আটা আনলাম। ঘরে
খাওয়া কুস্তা নাই।দুপুরে এক কই তিন জনে
ভাগ কইরা খাইছি।
দাদা হাসলেন। দাদা বললে, মাছ ধরা
পরেনা?
সে আগের মতই নিঃশব্দে হাটছে। সে
খানেও অলপ সুনে।দাদা আরেকটু আওয়াজ
দিয়ে বললেন কিরে মাছ ধরা পরে না?
সে মাথা তুলে বলল" না পানি বাড়নে
মাছ আর আগের লাখান ধরা পরে না।
দাদা বললে" বিলে মাছ ধরছ না?
বিল কিইনা নিছে মেম্বারে।
দাদ একটু ব্যতীত গলায় বললেন তদের বিল
মেম্বারে মাইরা খায় তরা কিছুই করতে
পারিসনা।
এবার অনুকুলই বলতে তাকল। কয়দিন আগে
মেম্বার আমার কাছতাইকা টিপ সই
নিছে। তার কয়দিন পর আবা আমারে কয়
টিপ সই দেওনের লাগি আমি দিতে
রাজি হইনাই আমারে নিয়া চা খাওইছে।
দাদা বললে" তুই টিপ সই দেছ খেললাগি?
না দেয়াকি উপায় আছে হাওরে নামতে
দেয়না তার কেতের উপর দিয়া যেতে
দিবেনা। আমার কি হাওরে খেত আছ খন।
অনুকুল আচমকা তেমে দাদার মুখের দিকে
তকিয়ে বলল"আমার লাইট পালাইয়া আছি
বলে বিজনা মুখে হাটতে তাকল।
দাদা হাসলেন। তাকিয়ে রইলেন এক
দৃষ্টিতে।
আমি দাদার হাতে ধরে বললাম চলুন
দাদা। ক্রিকেট প্রেমিকরা আমাদের
পেলে অনেক দূর চলে গেছে।দাদা ঘোরে
হাটা ধরলেন। আমাদের পিছেন কেউ
দৌত হেটে আসার শব্দ সুনালাম। দাদা
ঘাড় বাকা করে পিছনে তাকালেন অনুকুল
হাঁফাচ্ছে। কিরে লাইট আনবিনা?
অনকুল হাঁফাতে হাঁফাতে বলল। লাইট
আমার হাতেই আছিল মনে আছিলনা।
দাদা এবার অট্ট হাসি দিলেন সঙ্গে
আমিও।
দাদা আমাকে উদেশ করে বললে" বলত এই
জগতে এদের অপরাধ কি?
আমি বাললাম এদের কোনো অপরেধ
নেই।
দাদা বললে" আছে প্রত্যেক মানুষই
কোনো না কোনো ভাবে অপরাধি।
এদের অপরাধ এরা অতি সরল সুজা।
পাঁচ
---------
হঠাৎ সুবেসাদিকের আগ মুহুর্তে আমার ঘুম
ভাঙ্গল। এই সময়টায় আমার কখন ঘুম ভাঙ্গে
না আজ ঘুম ভাঙ্গল।আমাদের ঘরটা টিনের,
টিনের অনেক ফাক ফোকর তেকে যায়।
দরজা জানেলার পাখ দিয়ে চন্দ্রে আলো
কসে পরছে আমার বিছানায়।প্রকৃতির
ডাকে সারা দিতে বাইরে বের হলাম।পুর
পৃথিবীটা নিরব নিস্তব্ধ শিতল হাওয়া
বইছে শিতল বাতাসে যেন জোৎসনার ঢেউ
খেলে যাচ্ছে। পুর পৃথিবীটা যেন
স্নিগ্ধতায় বিরাজ করছে। খকখক কাশির
শব্দ শুনতে পেলাম মনে হল স্বর্গ হতে কেউ
কাশছে। আবার দুটা কাশির শব্দ তার পর
ঘটং ঘটং টিউবলের শব্দ। তার কিছুক্ষণ পর
শুনতে পেলাম মধুর সুরে কুরআন
তেলাওয়াত।নজির চাচা কুরআন
তেলাওয়াত করছেন।নজির চাচা মধুর সুরে
কুরআন তেলাওতের কথা সবার মুখে মুখ
সুনা জায়। আজ তার কুরাআন তেলাওয়াত
সুনে আমিও মুগ্ধ হচ্ছি। যেন শিতল হাওয়া
ভরকরে আমার শরীর মুছে নিয়ে যাচ্ছে
সর্গিয় বাতাসে। হঠৎ যেন মা আমায়
ডাকছে বাবা বিশ্বাস নামাজ পড় বাবা
খুদার কৃতজ্ঞ হও। মা আমায় ডাকছে সেই
কোমল মায়াবতী সুরে। মা আমাকে ছোট
বেলায় নামাজ পরতে আদেশ করতেন আমি
যখন নামাজ পরতে চাইতামনা মা বলতেন
নামাজ না পরলে আল্লাহ তুমাকে খাওন
দিবে না।খুদার কৃতজ্ঞ নাহলে তুমি বড়
হতে পারবে না।তখন বড় হওয়ার লুবে
নামাজ পড়তাম । আজ নামাজ দিয়ে শুরুহল
দিন যাত্রা।
রিংকুর দুখানে বসে চা খাচ্ছি আমাকে
সালাম করে পাশদিয়ে চলে গেল
জুবায়পয়েল।
রিংকুর দুখানের ভিতর তেকে একজন
বলছে,জুবায়েলের মত ছেলে হয়না
ছেলেটা খুবি শান্তশিষ্ট এক পাঞ্জাবী
দিয়ে পার করে দিচ্ছে বছরের পর বছর।
অন্য জন বলছে কষ্ট কইরা লেখা পড়া করলে
কাজে আসে।
তাদের সংলাপে বাধা দিয়ে বললাম"
এটা কিন্তু ভুল বললেন চাচা, এখন আর
যোগ্যতার ভিত্তিতে চাকিরি বাকরি
হয়না হয় আত্তিয়তার ভিত্তিতে। তবু
জ্ঞান আর্জন করা ফরজ জ্ঞনের মর্যাদা
তো আর টাকা পয়সায় হয় না।
রিংকু মাঝখান তেকে বলল" টিকি
কইছেন ভাইজান।
রিংকু: দেন বিশ্বাস ভাই চার কাপটা
দেন।
আমি কেয়াল করে দেখলাম চার কাফে
অবিশিষ্ট আর চা নেই। আমি চার কাফটা
এগিয়ে দিলাম।
রিংকু চার কাফ পরিস্কার করতে করতে
বলল" শিক্ষিত হইলে কি ভাই বছরে পর
বছর চা'র ব্যপসায় লছ খাইতাম।
আমি: কি বলছ আমিত প্রতিদিই দেখি
তুমার দুখানে লুকের ভির।
রিংকু: আমি তো ভাই কিছুই বুজিনা
প্রতিদিন হরদম চা বেছে যাচ্ছি কিন্তু
দুখান কিছুতে আগাচ্ছেনা।
আমি: তাহলে তুমার শুলেসন হচ্ছে চাওলা
হতে হলেও শিক্ষিত হতে হবে।
রিংকু:অবশ্যই।
আমি: ভালই হয় শিক্ষিত চাওলা শিক্ষিত
ব্যপসার পদ্ধতি, শিখিত হিসাব নিকাষ।
এখন আমার মাথায় জুবাইলের কথা
ঘোরপাক খাচ্ছে ছেলেটাকে একটা
পাঞ্জাবী বানিয়ে দিতে পারলে ভাল
হয়।আমার কাছে একটা পাঞ্জাবীর কাপড়
আছে তবে জুবাইল নেবে কিনা একটু
সন্দেহ।ভাল ছেলেদের অহংকার একটু
বেশি হয়। জুবাইল কে পাঞ্জাবি দেবার
জন্য আমাকে জহোরের নামাজে আসতে
হল।নামজ শেষে তার হাতে পাঞ্জাবী
ধরিয়ে দিলাম।
সে পাঞ্জাবী হাতে নিয়ে বল কত দিমু
ভাই।
পাঞ্জাবি নেওয়া আমার মুখে হাসি ফুটল
কিন্তু টাকার কথা বলে সে আমায় আহত
করল।ভাল ছেলেদের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে
কথদিয়ে আহত করা। যারা কথা দিয়ে
আহত করতে পারেনা তারা মুটেও ভাল
ছেলেনা।তার প্রতিনিয়ত জগৎটা কে
ঠগাচ্ছে নিজেকে ঠগাচ্ছে। কথা দিয়ে
আহত করতে নাপারার অপরাদে আমাকে
প্রতিনিয়ত ঠগতে হয়। আমি মুখে একটু
হাসির আভাস এনে বললাম তোমাকে
টাকা দিতে হবে না।
জুবায়েল: তাহলে নিশ্চয় দোয়া করাতে
হবে।আমি কিন্তু দোয়া বিক্রি করি না।
দোয়া সবার জন্যে ফ্রি।
আমি: তুমাকে দেয়া টয়া কিচ্ছু করতে
হবেনা শুধুই আমাকে ভাই হয়ে পাশে
দাড়াবার অধিকার টুকু দিলেই হবে।সে
সঙ্গে সঙ্গে আমার পা ধরে সালাম
কিরতে চাইল।আমি তাকে বুকে জড়িয়ে
নিলাম। আমি সব সময় আহত হই বিভিন্ন
ভাবে বিভিন্ন সময়ে।আমি কাওকে
কখনো আহত করতে পারিনা বারবার
চেষ্টা করেও পারিনা।
এখন রাত দশটা আমার হাতে ঘড়ি নেই
কিন্তু আমি চন্দ্রের দিকে তাকিয়ে টিক
বুজতে পারছি এখন রাত দশটা।দিনের
বেলা সূর্যে দিকে তাকিয়ে সময় নির্ণয়
করা আর রাতের বেলা চন্দ্রে দিকে
তাকিয়ে সময় নির্ণয় করা এটা আমার বড়
অবিজ্ঞতা।রাত দশটার দিকে
বাসবাগানে রুনার সঙ্গে দেখা করার
কথা। আমার হাতে এক মুষ্টি ভালি আমি
রুনার সামনে দাড়িয়ে আছি।
রুনা: আজও তুমি দেরি করলে আসলে।
আমি: দেরি কোথায় আমি যাস্ট দশটায়
আসলাম তুমি ঘড়ি দেখতে পার।
রুনা: দশটায় বললাম বলে দশটাই আসতে
হবে আগে আসা যায় না।
আমি তার চোখের সামনে ভালির মুষ্টি
খুললাম সে ভুরুখুচকে আমার দিকে
তাকিয়ে বলল ভালি।মেদের ভুরুখুচকানো
মানায়না কিন্তু রুনাকে সব কিছুতেই
মানায়। আমি হা সূচক মাথা নারলাম।
তারার ভালি।
রুনা: মানে?
আমি: তারার দিখে তাকিয়ে ভালি
তুললে তারার ভালি হয়ে যায়। তারার
ভালি পবিত্র মাটি। তুমি নেবে।
রুনা: মাতা নেড় না সুচক জবাব দিল।
আমি তারর ভালি পবিত্র মাটি মুখে
মেখে নিলাম সে বিস্ময় হয়ে তাকিয়ে
রইলা। পবিত্র মাটি মানুষকে পবিত্র
করে তুলে তাই উচিৎ প্রত্যেক প্রেমিক
প্রেমিকাকে দেখা করার আগে মাটি
মেখে নেয়া।
রুনা: তুমার আজবগি কথা রাখ।
আমি:এইযে মাটি মেখে নিলাম।আমার
মনে হচ্ছে আমি জমিন এইযে দেখছ
কুচাকুচা দাড়ি হচ্ছে ঘাস, নাখটা হচ্ছে উঁচু
টিলা, চোখ হচ্ছে নদি মাথার অগুচালু চুল
হচ্ছে পাহাড় আর তুমি হচ্ছ নক্ষত্র তোমার
আলোয় বাসিয়ে দেবে আমার বুখ।
রুনা: আমার সুন্দর বর্ণনায় খুশি ভাবটা
আড়াল করে রাগি রাগি চোখে আমার
দিখে তাকিয়ে বলল" এতো বড় পৃতিবীতে
আমি শুধুই নক্ষত্র।
আমি:নক্ষত্র আমার খুব পছন্দ নক্ষত্র হচ্ছে
পৃথিবীর সন্দর দৃশ্য।আমি তাকে টেনে
বুকে জরিয়ে দরলাম।সে কেঁদে আমার বুক
ভাসিয়ে দিল।আমি তাকে কাঁদার কারণ
জিজ্ঞেস করলাম। সে আমাকে আর শক্ত
করে জরিয়ে ধরল।যেন বুক চিরে সে
আমার কলিজায় ডুকে যাবে।
পাঁচ
-----------
দাদুর অবস্তা দিন দিন ভেরেই চলেছে।
দিন ভর শুধু ঘুম রাত ভর শুধু কথা বলা। এই
কয়দি যাবত কাওকে ঘুমাতে দিচ্ছেন না।
এর জন্য দাদুর উপর সবাই কিপ্তত।আবার
সংশয়ও যেভাবে আবুল তাবুল বখছেন মনেহ
আর বেশিদিন বাছবেন না। কাল রাতে
চাচাকে ঘুমাতে দেনি। কোখনও বলছেন"
এই বাছির এই বাছির উট দরজাটা কোলে
দেখ নাইম এসেছে
চাচা কে বিরক্ত হয়ে উটতে হল। মায়ের
সঙ্গে খড়কস আওয়াজে কথা বলতে নেই
খরকস আওয়াজ চাপাদিয়ে বললেন" নাইম
আসবে কোত্থেকে নাইমতো তার নানা
বাড়ি।
দাদু: নাইম এসেছিলো ডেকেছে দাদু
দরজা কোল কোল বলে।
চাচা:রাত দুটা বাজে রাত দুটারা সময়
নাইম আসবে।
দাদু: কিন্য গলায়,নাইম যে আমায় ডাকল।
চাচা:নাইম ডাকেনি মা এটা তুমার মনের
ভুল।
চাচা ঘুমাতে গেলেন। কিন্তু দাদুরল
অবচেতন মনে কিসের একটা ভয় দাদুকে
ছাড়ছেনা। আমার হাতে চা'র প্লেট আজ
সকাল সকাল দাদু আমায় ডাকছেন" বিশ্বাস
এই বিশ্বাস আমি জানি আর দুবার বিশ্বাস
এই বিশ্বাস বলে উচ্চারণ করবেন আমার
সাড়া নাপেলে কেঁদে দিবেন আমাকে
কাঁদার আগেই দাদুর সামনে হাজির হতে
হল।
আমি:কি দাদু কি হয়েছে ডাকছেন কেন।
দাদু:তুই আমারে ণিমপাতা দিয়ে ঝাড়ু
দিবি? দেখবি আমি ভাল হয়ে যাব।
আগের যুগে ণিমপাতা দিয়ে ঝাড়ু দিলে
কত মানুষ ভাল হয়ে যেত। তুই দিবি আমায়
ণিমপাতা দিয়ে ঝাড়ু। আচ্ছা দেব বলে
আমি সরে এলাম। কিচ্ছুক্ষণ পর দাদু আবার
আমায় ডাকলেন কিরে ণিমপাতা আনছিস?
আমি ভেবেছিলাম দাদু ভুলে যাবেন।
শুনেছি বিদ্ধবয়েসে নাকি সরণশক্তি
কমে যায় দাদুর সরণশক্তি বেড়ে চলেছে
কোন একটা মাথায় ডুকলে এটা কোনো
ভাবেই মাথা তেকে ঝড়ছেনা।
দাদু: অচতির হয়ে বললেন কিরে এনেছিস?
আমি:বাড়িতে ণিমগাছ নেই।
দাদু:বাড়িতে নাই তো কি হিয়েছে
গ্রামে কি ণিমগাছ নাই?
আমি:আচ্ছা টিক আছে আনছি।
কি নিয়ে তকমিনা হাসছে।
আমি: কিরে তকমিনা হাসছিস কেন?
হয়েছে?
তকমিনা: দেখ ভাইয়া দাদু আমাকে
পানেরডিবা দিতে চাইছে আমি নাকি
ওটায় পয়সা জমাইতে পারব।
দাদু: বলে উটলেন এটা পিতলের ডিবা
ছোট বেলায় আমি রুপার পয়সা জমাইতাম।
আমার জমানো পয়সা দিয়ে তর দাদা কে
রুপার আংটি কিনে দেওয়া হয়েছিল।
আমি: দাও দাদু আমাকে দাও তকমিনা
নিতে নাচইলে আমাকে দাও।
দাদু:তুই নিয়ে কি করবি?
আমি: আমার জাদুঘরে রেকে দিব
যেখানে তাকবে তোমারও দাদার অনেক
সঞ্চয় কর জিনিস।
আজ দুপুরে একটা কাকা ডাকছে! রুনা বলে
আমার মাজে নাকি কবি কবি ভাব আমি
নাকি চাইলেই কবিতা লেখতে পারব।
শালা কাকের যন্ত্রণায় আর পার গেলনা।
"কায়া কায়া"শব্দে ধারালো কড়াতের
মতো আমায় আহতো করছে। এক লাই লেখে
পেললাম।হঠাৎ খেয়াল করে দেখলাম
কায়া কায়া শব্দ আর নেই জাক
বাছাগেল। আরেক লাই লেগব এমন সময়
দাদু কাক হয়ে এই বিশ্বাস এই বিশ্বাস যতই
ডাক দাদু আজ আমি সাড়া দিচ্ছিনা
কবিতা লিখবই। দাদু ব্যর্থ হয়ে তার
কিচ্ছুক্ষণ পর চাচি আম্মাকে ডাকছেন
ছোট বউ অও ছোট বউ শেষের দিকে
নিশ্বাস ভারী করে জোরদিয়ে বলতে
চাইছিলেন কিন্তু শব্দ তলিয়ে গেল আমার
বুকটা কেমন জেনো আৎকে উটল।আমি
চিয়ার তেকে উটতে উদ্ধত হলাম।টিক এমন
সময় তাকিয়ার চিৎকার শুনতে পেলাম।
তাকিয়া আমার চাচত বোন প্রায় সময়
তাকে দাদুর পাশে রেকে দেওয়া হয়।
আমি দৌরে গেলাম সঙ্গে চাচি অম্মাও
এলেন।চাচি আম্মা চিৎকার দিয়ে
তাকিয়া কে টেনে মাটি তেকে
উঠালেন। তাকিয়া আমার চাচত বোন
প্রায় সময় তাকে দাদুর পাশে রেকে
দেওয়া হয়।দাদু তাকে পাশেপেয়ে
আনন্দিত হয়ন। দাদু আর তার অনেক মনের
মিল। সে দাদুর সঙ্গে ছোট ছোট শব্দে
কথা আমরা কিছুই বুজিনা দাদু টিকিই
বুজেন। দাদু এটা ওটা বলেই জান আর সে
কিল কিল করে হাসে। আমি দাদুর দিখে
তাকি আবারও আৎকে উঠলাম। দাদুর সাধ
সাধা চোখ আভিজুক করে বলছে বাছাউ
বাছাউ আমার নাতিন কে বাছাউ। নাতিন
বেছে আছে টিকি কিন্তু দাদু আর বেছে
নেই।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন