বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১৯ এপ্রিল ১৯৯০
গল্প/কবিতা: ২টি

প্রাপ্ত পয়েন্ট

অসহায়ত্ব (আগস্ট ২০১৪)

মোট ভোট নীলিমার তারায়

অর্ক প্রভ দে
comment ৫  favorite ০  import_contacts ৩৯১
নিঃশব্দের কোন বিস্তার হয়না । তাই আমি রোজ সকালে উঠেই পড়ি । গত কাম রাত সংবেদনশীল বগলের চুল যার বিছানা ঝাঁটালে পায়ের তলায় সাদা অস্তিত্ব । এসবই দাঁত মাজার রকমফের । যতক্ষণ না আমি বাসে উঠি , অনমনীয় নিয়তি আমার সামনে দাঁড়িয়ে থাকে বৌদির আঁচলের কাঠবিড়ালির মত যাকে অনেকদিন আগে শৌর্য শিখিয়েছিলাম । পাদানিতে ধংস্ব ঝোলে । উঁকি মেরে দেখি সবার পকেটে সাবান , হাতে রুমাল । মুছতে কতক্ষণ ? এখানে ব্রন্মান্ড দাগের অপেক্ষায় দেওয়াল ধরে দাঁড়ায় । পাকা শিকারির ইন্দ্রিয়সংযম ছিন্নমূল চুলের মত অন্যমনস্ক অনুভূতি বেঁধে দ্যায় পতঙ্গের পায়ে , এই সময় আমার নীরবে ঘাম মোছার আর অকারণ প্রতিক্রিয়াশীল হাবভাবের কেননা ঈশ্বর নৈবর্ত্তিক তার উপস্থিতির প্রমান পেপারের ভাঁজ যাকে আমরা প্রতিমুহূর্তে অস্বীকার করেছি মনঃসংযোগের দ্বারা ।
সমগ্র জাতির এইসব অভিযান প্রসব করে একেকটা কমলা সন্ধ্যে । অগণিত ভক্তের মত ( বিশ্বাস করুন আমরাই সংখ্যাধিক্য ) টিকিট কেটে রাস্তায় হাঁটতে , ঘুরতে , পিছতে পিছতে বাঁ ফিরতে ফিরতেই ধরুন না কেন আমায় আনন্দ দ্যায় তোমার কনফিডেন্স । চুল সরানর কায়দা – তোমার , কান্নার বালতি হাতে ঘরে ফেরা সেও তোমারই , আমার হাততালিতে কী বা এসে যায় । কিছু আঙ্গুল জড়ো ; ঘাড় বেঁকানো ঘণ্টার লাফানো মনে করিয়ে দ্যায় - শব্দ নাকি উচ্চারিত হয়েছিল । কবে থেকে সেখানেই হাতড়াছি অন্ধকার অস্পষ্ট দেওয়ালে টাঙানো ছবি চৌকো ।
এরকম সন্ধ্যাতেই নায়িকার দ্যাখা হবে রাজবেশে ম্রিয়মাণ আখগাছের সাথে । যাপনে অভ্যস্ত ব্রততী আবার উপোষী বউটার মত কাঙাল দিমাক বুঝে নেবে ময়দানে হলদেটে ঘাসের একমাত্র কনট্রাস্ট - খোলা লাল শাড়িই হতে পারে । এইসব ঝড়ের মাথায় টগরফুল আমি অনেক খেলেছি । বৃষ্টি এলো । জানতাম আসবে । বেঁচে থাকার জন্য অনেক শক্তি দরকার যাদের , তোমরা মাথা নিচু কর । দ্যাখো অবিরাম বৃষ্টির মধ্যে পিঁপড়ের দৌড় আমায় কিরম ওয়ার্ল্ড কাপ এনে দিলো ।
রাতে আমার বাড়ি চাদরের ভাঁজে মাছি পা ছড়ান মশার অবিরল কান্না কেননা আমি কখনো রক্ত যাকে বলে দান করিনি ।

এই না কাটতে চাওয়া মুহূর্তগুলোতেই সুচনা হয় সম্ভাবনার । যার হাত থেকে পরিত্রাণ পাবার জন্য অনেক চিঠি লিখেছি । আর প্রতিবার আমার ভয় কে অমোঘ ডেকে এসেছে উত্তর । তৈরি হয়েছে সেই সম্ভাবনা । লোকটার হাইট বেশি না গোল গোল কাঁধ জানলার শিকে সুতো বেঁধে দিলো রোজকার মতই অভ্যস্ত হাত । ইচ্ছে হল অন্তর্বাস পর্যন্ত টেনে দেখি কী সে ধাতুর কেমিস্ট্রি যা রোজ আমায় একটু একটু করে রুগি বানিয়ে দিচ্ছে ।
‘ কেন বলত , রোজ রোজ নুইয়ে পড়া সুপুরিগাছের মত আমার ঘাড় বেঁকিয়ে দিয়ে কি লাভ হচ্ছে তোমার ?

লোকটার বিড়ির ধোঁয়ায় এতখানি নির্লিপ্ততা যা জগতের ভঙ্গিমায় নেই । ইচ্ছে হল সুতোটা টেনে ফেলে দি নর্দমায় । কিন্তু এটা লোকটার প্যাঁচ হতে পারে । হয়ত এই ছুতোতেই আরো বেশি অত্যাচার চালাবে আমার উপর । বিছানায় উঠে পড়লাম । ঠোঁট দিয়ে চেপে ধরা যায় এমন অন্ধকার মেরুদণ্ড ঘিরে ফিসফিস করে বলল এত বিরক্তি কিসের তোমার ? এত বিরক্তি কীসের ? পাছার লোম পর্যন্ত অসাড় করে পর্দা উঠল । শুরু হল রাত্রি । সম্পূর্ণ অসহায় ও অকারণ ব্যাকরণে ।

ধরো বলে তিনটে বল ছুঁড়ল ড্রাইভার বৌদি আর ।
ধরো ড্রাইভার গাড়িটা ব্যাক করতে করতে তোমায় দেখছে এরম একটা ফাঁকা বারোটা তেত্রিশে কবি সিগারেট নিচ্ছে দোকানে ; রবিও হতে পারে , প্রত্যুৎপন্নমতিরা ঠিক করুক তোমার আমার তাতে কিছু যায় আসেনা ।
ধরো । বৌদি ডাকছে । চায়ের প্লেট নিতে নিতে লোকটা খিস্তি দিচ্ছে । এত বৌদি বৌদি করো কেন বলতো সুতপা ? চোখের কোনে চেয়ে দেখলাম । ও কী কিছু আন্দাজ করলো ? কিন্তু কালো তো লোকটা প্রচণ্ড বৃষ্টিতে আমায় সমান তালে খুঁড়ছিল । ও কী সত্যিই কিছু আন্দাজ পেল ?
ধরো আর একটু এগলেই জলাভূমি ১৯৯০ থেকে যা ঘুগনি রুটি পেঁয়াজ চেবাতে চেবাতে রেপ হয়ে আসছে । ইউক্যালিপটাস ? আম ? বল্লা দেখেছো ? কড়িবরগা হয়ে গাছে আমার হাঁটুর পর থেকে । তাও প্রেমের ঝাড় পুঁতব । আর একেকটা মারে এমন লাল করে দেবো – পাছা আপনার ভেবেই পাবেনা ঠিক কবে নাগাদ এটা শুরু হয়েছিলো !
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন