বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ৪ জুন ১৯৯৩
গল্প/কবিতা: ২১টি

প্রাপ্ত পয়েন্ট

যদি আরও কারে ভালোবাসো

কি যেন একটা জানুয়ারী ২০১৭

অতৃপ্ত অাত্মা

এ কেমন প্রেম? আগস্ট ২০১৬

প্রজাপতির ডানা

ফাল্গুন ফেব্রুয়ারী ২০১৬

ঘৃনা (আগস্ট ২০১৫)

কুকুরের জবানবন্দী

রূপক বিধৌত সাধু
comment ৩  favorite ১  import_contacts ৩৫৬
তোমরা যারা প্রাচুর্যে করো বসবাস,
আমাদের দুঃখ নিয়ে কতো উপহাস
করো; নিকৃষ্ট কুৎসিত একটা প্রাণী
বলে গালি গালাজ করো, দাও পেঁদানি।
তোমাদের ঘরে কতো উৎসব হয়,
কতো শত মানুষের সেথা অভ্যুদয়;
সকলেরে ভালোবেসে করো আপ্যায়ণ,
জ্ঞানি গুণী মানুষের কতো মূল্যায়ন!
আহারের অন্বেষণে যদি কভু আসি,
আমাদের মুখ দেখে তোমাদের হাসি
অদূরে মিলিয়ে যায়, লাঠি সোটা হাতে
পেছনে ধাওয়া করো; আর কভু যাতে
তোমাদের দেবালয়ে না আসতে পারি;
গ্যেট লক করে করাও পাহারাদারি।
অথচ তোমাদের কতো জল খাবার
ডাস্টবিনে ফেলে দাও না করে সাবাড়।
উচ্ছিষ্টটাও দাওনা আদবের সাথে,
কুড়িয়ে চেটেই খাই ডাস্টবিন হতে।
তোমরা ঘুমাও খাট পালঙ্কের প’রে,
শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত আধুনিক ঘরে।
সেথা জ্বলে কতো বাহারি রঙের বাতি,
বিজ্ঞান-উৎকর্ষতা তোমাদের সাথি।
রৌদ্রের প্রখরতায় উত্তপ্ত ভুবন,
সারাদিন পথে ঘাটে মোদের চলন।
বৈদ্যতিক পাখা বা কোমল ঘর নয়,
তরু ছায়ায় দাঁড়িয়ে গা জুড়াতে হয়।
আমরা তো আমাদেরে করিনি সৃজন,
আমাদের কেন এতো অবমূল্যায়ন!
কেন লাঠির পিটুনি, কেন তিরস্কার;
অন্ন সংস্থানে কেন এতো অত্যাচার!
কোথায় জগদীশ, কোথায় কেরামতি;
দয়া মায়া নেই তার পশুদের প্রতি!
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন