বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ২২ ডিসেম্বর ১৯৯০
গল্প/কবিতা: ৬টি

প্রাপ্ত পয়েন্ট

কাঁচের ব্যথা

ব্যথা জানুয়ারী ২০১৫

ভরকেন্দ্র

বিজয় ডিসেম্বর ২০১৪

সংক্রমণ

বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী সেপ্টেম্বর ২০১৪

গভীরতা (সেপ্টেম্বর ২০১৫)

মোট ভোট অনুভূতির গভীরে

সজল চৌধুরী
comment ৬  favorite ০  import_contacts ৬১১
ব্যর্থ কবি হয়ে আকাশের গায়ে কলম ধরি,
তারায় তারায় ব্যথাভরা মিথ লিখি,
জানি, আমি জানি,
জেগে ওঠার আগেই বহু পথ দিতে হবে পাড়ি।

তারপর আকাশের পথে হেঁটেছি বহু পথ,
বহু নক্ষত্রকে দেখেছি জ্বলতে একা,
ব্যথিত ব্যথিনী যেন হয়ে আছে,
লতি কাটা গগের দুহাতে আঁকা।

দেখি, মাঝি একা একা যায় দূর,
বৈঠা বাওয়ার তালে তালে,
জলের সাথে সে সুর তোলে,
তারপর জলেই মিলিয়ে যায় সে সুর।

বড় অদ্ভুত জীবন এ জগতের কাকের,
বাঁচিয়ে চলে অনবরত সত্ত্বা অন্যের,
তাই তো নিজের দুঃখকে শুনিয়ে চলে খুব ভোরে।
কারো তো ঘুম ভাঙে সে দুঃখ শুনে।

হাঁটতে হাঁটতে সেই অবলা একা নক্ষত্রদের খুব বলতে ইচ্ছা হয়,
নিজেকে এভাবে না জ্বালিয়ে একবার হাহাকারে ভরা কাকের কাছে যাও।
কসম, সন্তানহারা ওই কাকেদের চেয়ে তোমার দুঃখ বড় ফিনফিনে।

ভ্যান গগের নক্ষত্র কানে কানে বলে যায়,
তুমি কবি তো তাই সংসারের খরচের থলের খোঁজ রাখো না।
রাখলে দেখতে কত যুগের দুঃখ তাতে তোলা।

যদি এই বুকের আগুন নিভে
আঁধার নামে চারিদিকে,
তবে আয়না সুন্দরীরা অন্যের বুকে
আগুন জ্বালাবে কি করে?

কারো কারো দুঃখ অন্যের সুখকে প্রোজ্জ্বল করে,
যেমন দিনমজুর আরেকটি স্বপ্ন দেখে সন্তানহারা কাকের ডাকে।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন