বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১৮ নভেম্বর ১৯৯৪
গল্প/কবিতা: ৮টি

সমন্বিত স্কোর

৪.০৫

বিচারক স্কোরঃ ২.৪ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ১.৬৫ / ৩.০

বৈরিতা

বৈরিতা জুন ২০১৫

ঠাঁই

ব্যথা জানুয়ারী ২০১৫

বলতে চাই, হে নগরের বাসিন্দা' রা

বিজয় ডিসেম্বর ২০১৪

রাত (মে ২০১৪)

মোট ভোট ৩৩ প্রাপ্ত পয়েন্ট ৪.০৫ প্রহেলিকা রাত

গাজী নিষাদ
comment ৩২  favorite ১  import_contacts ৭১৫
দীর্ঘ জ্বালাময়ী দিনের শেষে রাত ই চুরুটের শেষ আগুন,
পরিণীতা যুবতীর বৈশাখী অবকাশে
অগোছালো ভাবনা বিরহের জ্বলন্ত ফাগুন।

রাত্তিরেই পিয়াসা বাড়ে মৃত্যুর
জীয়নে অভিশাপ লাগে কুমারী বধূর।
ক্ষণে ক্ষণে স্মৃতি আওড়ে উঠে যুবতীর সেই পুরনো উক্তি
'হে যুবক, তুমি অথর্ব রাত্তিরেও নিশ্চুপ '
পুরুষ তো নও তুমি, বৃহন্নলা কাপুরুষ'।

কখনো রাত্তির চির বিষণ্ণ বদনে কাঁদে আধো ঘুম স্বপনে
ফেরারী অনুভূতির মৃত্যু ঘটে কামনার অতৃপ্ত বাসরে।

কখনো বা রাত্তির নিষ্প্রতিভ মন্দিরের বিন্দু প্রদীপ
যেন কৃষ্ণচূড়ার ন্যায় লাজুক দৈব ভূষণ,
অষ্টাদশী চাঁদের আলোয় নব্য দম্পতীর সোহাগী মিলন পরাগ।

রাত্তিরেই বিরহ কাব্যের ঢল নামে জীবনের শুন্য খাতায়
অচেনা যুবতীর প্রণয়ী মাল্যের অপেক্ষায়।
কখনো অমাবস্যা রাত্তিরে অভিসারে যায় নব্য যুবতী,
বিদায়ী সন্ধ্যার তিরস্কারে যুবকের সঙ্গী বকুল বিরহ মালতী।

সদ্য বিকশিত চন্দ্রফুলের স্নিগ্ধ সৌরভে এত যে ভাবনা বিরহ এই নিঝুম নিশীথে,
কেউ কি ভেবেছে বস্তির শিশুরা বুঝি আজ অনাহারে এই রাত্তিরে।

দুই পৃথিবীর মানুষের বাস দুই দিগন্তে,
কেউ প্রিয়তমার বিরহে নির্ঘুম চন্দ্রিমা স্নানে ব্যস্ত
আর কিছু অভাগা জন্মপাপী ক্ষুধার তাড়নায় নির্ঘুম চোখে তাকিয়ে রয় চালের ফুটোয়,
উদিয়মান চাঁদ যেখানে অসমান্তরাল।

জ্যোৎস্নাঝরা নিঝুম রাত্তিরে খোলা আসমানেও কত প্রহসন
দুঃস্বপ্নচারীর নির্ঘুম ভাবনায় সুকান্ত চন্দ্রের করুণ বেদন।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন