বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।
Photo
জন্মদিন: ১ মার্চ ১৯৮০

চাটুকার বস্তির ছেলের ক্যাচাল

  • শরীরটা তেমন একটা ভালো না, জানিনা মৃত্যু হাতচ্ছানি দিয়ে ডাকছে কি না ! আমি বিন আরফান অজপাড়াগার ছেলে. চেহারায় লুডু খেলে নামটি গোলাপী তেমন একজন লেখক বলতে পারেন. যা অন্যান্য ব্লগের কিছু সদস্য আমাকে লেখক বলে থাকেন. এর একমাত্র অবদান গল্পকবিতা ডট কম এর. তাই এর প্রতি আমি কৃতজ্ঞ. বিশেষ করে মামুন ম আজিজ ভাই এর প্রতি , তার একটি তিক্ত সমালোচনা আমার প্রোফাইলে দেখতে না পেলে পড়ায় এতোটা মনোযোগী হতামনা "চাটুকার". সম্বোধনটি  আমার জন্য গর্বের. এক সময় যা লিখতাম তা অন্যকে তো বহুদূর নিজেও দেখতে লজ্জা লাগে. এখন মোটামুটি ভালো লাগে. এই অবদান একমাত্র গল্পকবিতার. এই ওয়েবটি সব দিক থেকেই অতুলনীয় এবং বিতর্কের উর্ধ্বে. শুধু পুরুস্কার প্রথা নিয়েই যত ক্যাচাল. আমি এর তোয়াক্কা করিনা. এর সূচনা লগ্ন থেকে সাত মাস গড়ে ১৮ ঘন্টা সময় দিতাম, যেন এর জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পায়. সময় বেশি দেয়ার ফলে আমার কুখাদ্য দুটি (গল্প+কবিতা) বিজয়ী হয়. এতে অনেক  বিতর্কিত হয়েছি. অনেকে প্রশ্ন করেছিল আমি এখানে চাকুরী করি কিনা. এমনকি বার্তার মাধ্যমে আমার মাকে+স্ত্রীকে নিয়েও অকথ্য কথা বলেছে.  এতে মন খারাপ লাগেনি. খারাপ তখন লেগেছিল যখন একজন ফোন করে বলল, কায়েস ভাই বলেছে আপনি এবারেও প্রথম হতে চলছেন, সেটিও ফেক ভোট দিয়ে. তারা এটা প্রকাশ করবে বলে ভাবছে. আমি মাথা গরম মানুষ. মিথ্যা, অন্যায় ও দূর্নীতি এই তিনটাকে আমি ঘৃনা করি. তাই অনেক সময় বেফাস বলে ফেলি. যার ফলে আমি এই সাইডে অনেকের ঘৃণিত একজন ফালতু লোক. একজন ফেইস বুকে চ্যাটিং এর সময় আমাকে সবচেয়ে ভালো কথা যেটা বলেছিল সেটা হলো আমি বস্তির ছেলে. এতেই আমি মন খারাপ করিনি. কেননা গল্প কবিতা একটি বাংলা সাহিত্য শিক্ষা কেন্দ্র, যাকে আমি বেশ ভালবাসি. ভালবাসব. তবে সময় ততটা দেই না কেননা অনেকেই আমাকে খারাপ দৃষ্টিতে দেখে. যদিও সেটা সত্য দৃষ্টি. ইদানিং জলছবি বাতায়ন নামে একটি সাহিত্য ব্লগে আছি. এখানেও ডু মারছি. যেই জন্য এত কথা, অনুরোধ রইলো কেহ গল্পকবিতা ডট কম নিয়ে অপপ্রচারে লিপ্ত হবেন না. আল্লাহ হাফেজ. 

  • প্রিয়ম
    প্রিয়ম ভাই শেষে একটা বাশ দিলেন , খুব সুন্দর করে |
    প্রত্যুত্তর . ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১২
  • এশরার লতিফ
    এশরার লতিফ পাবলিক ভোট উঠিয়ে দিয়ে দুই স্তরের বিচারক (প্রাথমিক বাছাই এবং ফাইনাল বাছাই ) থাকলে এই সমস্যা আর হয় না. খরচ হয়ত একটু বাড়বে কিন্তু এই সাইটের বিশ্বাসযোগ্যতাও বৃদ্ধি পাবে.
    প্রত্যুত্তর . ১ অক্টোবর, ২০১২
  • নৈশতরী
    নৈশতরী ভালই বলেছেন ভাই !
    প্রত্যুত্তর . ১০ অক্টোবর, ২০১২